"বালুচরী শাড়ি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যসূত্র+
(তথ্যসূত্র+)
(তথ্যসূত্র+)
 
== ইতিহাস ==
বালুচরীর জন্ম মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের কয়েক মাইল উত্তরে অধুনালুপ্ত বালুচর অঞ্চলের<ref name=tt24052015>{{সংবাদ উদ্ধৃতি|last1=কার্লেকর|first1=মালবিকা|title=History of a weave - Of tapestries, hookahs and howdas|url=http://www.telegraphindia.com/1150524/jsp/opinion/story_21749.jsp|accessdate=30 জানুয়ারি 2016|work=দ্য টেলিগ্রাফ|publisher=এবিপি গ্রুপ|date=24 মে 2015}}</ref> মীরপুর-বাহাদুরপুর গ্রামে।<ref name=blk>{{বই উদ্ধৃতি|last1=ভট্টাচার্য|first1=ডঃ সোমনাথ|last2=বসু|first2=অর্পিতা|editor-last1=চক্রবর্তী|editor-first1=বরুণকুমার|title=বঙ্গীয় লোকসংস্কৃতি কোষ|date=ডিসেম্বর, 2007|publisher=অপর্ণা বুক ডিস্ট্রিবিউটার্স|location=কলকাতা|isbn=81-86036-13-X|pages=৩৪০-৩৪১|edition=দ্বিতীয় পরিবর্ধিত, পরিমার্জিত|accessdate=30 জানুয়ারি 2016}}</ref> নবাব মুর্শিদকুলি খানের উদ্যোগে সেখানে এই শিল্পের রমরমা দেখা দেয়৷{{Citation needed}} সেখানে এই শিল্পের শেষ বিখ্যাত কারিগর দুবরাজ দাস মারা যান ১৯০৩ সালে, তিনি চিত্রশিল্পীদের মত শাড়িতে নিজের নাম সই করতেন৷<ref>[http://gaatha.com/baluchari-saree-bangal/ Photoloomic ~ Baluchari], Gaatha</ref> গঙ্গার বন্যায় এই গ্রাম বিধ্বস্ত হলে শিল্পীরা আশ্রয় নেন বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে৷ সেখানে মল্ল রাজাদের পৃষ্ঠপোষণে এই শিল্পের সমৃদ্ধি ঘটে৷ মল্ল রাজাদের সময়ে নির্মিত টেরাকোটার মন্দির ও অন্যান্য শিল্পের প্রভাব পড়ে এই শাড়ির নকশায়৷ পরে ব্রিটিশ জমানায় অন্যান্য দেশীয় বয়নশিল্পের মত বালুচরীও দুর্দশাগ্রস্ত হয়৷ ১৯৫৬ সালে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী সুভগেন্দ্রনাথ (সুভো) ঠাকুরের উদ্যোগে এই শাড়ির বাণিজ্যিক বিস্তার ঘটে৷ তিনি তখনকার বিখ্যাত কারিগর অক্ষয়কুমার দাসকে রিজিওনাল ডিজাইন সেন্টারে (সুভো ঠাকুর এর ডিরেক্টর ছিলেন) সাবেক জালা তাঁতের পরিবর্তে জ্যাকার্ড তাঁতের ব্যবহার শেখান৷ পরের বছর অক্ষয় দাস অজন্তা-ইলোরার মোটিফ লাগিয়ে নতুন বালুচরী বাজারে আনলে এই শিল্পের উত্থান ঘটে৷
 
== বর্ণনা ==
১,০৯১টি

সম্পাদনা