"এমাজউদ্দিন আহমদ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

নিবন্ধ সম্প্রসারণ শৈলী/বিন্যাসন ত্রুটি ঠিককরণ
(নিবন্ধ সম্প্রসারণ শৈলী/বিন্যাসন ত্রুটি ঠিককরণ)
}}
'''অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ''' [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] সাবেক উপাচার্য। তিনি ১৯৯২ সালে [[একুশে পদক]] লাভ করেন।
 
==জন্ম==
প্রফেসর ড.এমাজউদ্দিন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন মালদাহ ([[চাঁপাইনবাবগঞ্জ]] ও ভারতের কিছু অংশ) জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। [[চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা|চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের]] ‘গোহাল বাড়ি’ এলাকায় পরিবারসহ দীর্ঘদিন বসবাস করেন প্রফেসর এমাজউদ্দিন। তিনি [[শিবগঞ্জ উপজেলা|শিবগঞ্জের]] আদিনা সরকারি ফজলুল হক কলেজ ও [[রাজশাহী কলেজ|রাজশাহী কলেজের]] প্রাক্তণ ছাত্র।
 
==সাংগঠনিক তৎপরতা==
[[ভাষা আন্দোলন দিবস|মহান ভাষা আন্দোলনের]] প্রেক্ষাপটে, ১৯৫২ এর পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা হিসেবে অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ কারাবরণও করেন। [[যুক্তরাষ্ট্র]] কেন্দ্রিক নব্বই দশকের সর্বাপেক্ষা ‘প্রশংসিত বাঙালি ব্যক্তিত’ ছিলেন।
 
==কর্ম জীবন==
[[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের]] রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিভাগের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য এবং [[উপাচার্য]] হিসেবে দীর্ঘদিন সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
 
==প্রকাশনা==
দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তুলনামূলক রাজনীতি, প্রশাসন-ব্যবস্থা, বাংলাদেশের রাজনীতি, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক বাহিনী সম্পর্কে গবেষণা করে চলেছেন। এসব ক্ষেত্রে সমগ্র [[দক্ষিণ এশিয়া|দক্ষিণ এশিয়ায়]] তিনি বিশেষজ্ঞ হিসেবেও প্রখ্যাত। তাঁর লিখিত গ্রন্থের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। দেশ বিদেশের খ্যাতনামা জার্নালে তাঁর প্রকাশিত গবেষণামূলক প্রবন্ধের সংখ্যা শতাধিক।
তাঁর লিখিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
* রাষ্ট্র বিজ্ঞানের কথা(১৯৬৬)
* মধ্যযুগের রাষ্ট্র চিন্তা (১৯৪৫)
* তুলানামূলক রাজনীতি: রাজনৈতিক বিশ্লেষণ (১৯৮২)
* বাংলাদেশে গণতন্ত্র সংকট (১৯৯২)
* সমাজ ও রাজনীতি (১৯৯৩)
* গণতন্ত্রের ভবিষৎ ( ১৯৯৪)
* শান্তি চুক্তি ও অন্যান্য প্রবন্ধ (১৯৯৮)
* আঞ্চলিক সহযোগিতা, জাতীয় নিরাপত্তা (১৯৯৯)
* ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রবন্ধ (২০০০)
এছাড়াও ইংরেজিতে অনেক মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন তিনি।
 
==সন্মাননা==
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সৃজনশীল লেখার জন্যে তিনি দেশ ও বিদেশে বিশেষভাবে সম্মানিত হয়েছেন। সৃষ্টিশীল গবেষণা ও আলেখ্য রচনার জন্য ‘মহাকাল কৃষ্টি চিন্তা সংঘ স্বর্ণপদক’, জাতীয় সাহিত্য সংসদ স্বর্ণপদক, জিয়া সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক অর্জন করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৯২ সালে [[একুশে পদক]], মাইকেল মধুসুদন দত্ত গোল্ড মডেল, শেরে বাংলা স্মৃতি স্বর্ণপদক, ঢাকা সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট গোল্ড মেডেল, রাজশাহী বিভাগীয় উন্নয়ন ফোরাম স্বর্ণপদকসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বহু পুরস্কার-সম্মাননা অর্জন করেন।
 
== বই বিতর্ক ==
 
== তথ্যসূত্র ==
{{Reflist}}
<references />
 
{{অসম্পূর্ণ}}