"অ্যামিবা (গণ)" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
'''অ্যামিবা''' ({{lang-en|Amoeba}}) [[অ্যামিবোজোয়া]] [[পর্ব (জীববিদ্যা)|পর্বের]] [[অ্যামিবিডা]] [[পরিবার (জীববিদ্যা)|পরিবারের]] একটি [[গণ (জীববিদ্যা)|গণ]] বিশেষ।<ref>{{Cite web|url = http://www.nies.go.jp/chiiki1/protoz/morpho/flagella/amoeba.htm|title = National Institute for Environmental Studies, Japan|date = 2007-|accessdate = Sep 11, 2014|website = The World of Protozoa, Rotifera, Nematoda and Oligochaeta|publisher = National Institute for Environmental Studies, Japan|last = Xu|first = Kaigin}}</ref>
 
== শ্রেণীবিন্যাসের ইতিহাস ==
[[File:Der Kleine Proteus from Roesel.jpg|thumb|340x340px|left|রোসেল ভন রোসেনহফের চিত্রে অ্যামিবা সদৃশ জীব ''দের ক্লেইন প্রোটিয়াস'']]
১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দে [[অগস্ট যোহান রোসেল ভন রোসেনহফ]] [[গ্রিক পুরাণ|গ্রিক পৌরাণিক]] রূপ-পরিবর্তনকারী সমুদ্র দেবতা [[প্রোতিয়ুস|প্রোতিয়ুসের]] নামে ''দের ক্লেইন প্রোটিয়াস'' ({{lang-de|Der Kleine Proteus}}; ছোট্ট প্রোটিয়াস) নামে অ্যামিবা সদৃশ একটি জীবের বর্ণনা দেন।<ref>Rosenhof, R. (1755). ''Monatlich herausgegebene Insektenbelustigungen'', vol. 3, p. 621, [https://books.google.com/books?id=q9JCAQAAMAAJ&hl=&pg=PA621#v=onepage&q&f=false].</ref> যদিও রোসেলের চিত্রে এই জীবের সঙ্গে বর্তমানযুগে পরিচিত [[অ্যামিবা প্রোটিয়াস]] প্রজাতির অনেক মিল রয়েছে, কিন্তু কোন প্রজাতির সঙ্গে নিশ্চিতভাবে এক করা যায় না।<ref>{{Cite book|title = Biology of Amoeba|last = Jeon|first = Kwang W.|publisher = Academic Press|year = 1973|isbn = |location = New York|pages = 2–3}}</ref> অষ্টাদশ ও উনবিংশ শতাব্দীতে অ্যামিবা সদৃশ যে কোন স্বাধীন এককোষী জীবকে ''প্রোটিয়াস অ্যানিমেলকিউল'' বলা হত।<ref>{{Cite book|title = Biological atlas: a guide to the practical study of plants and animals|last = McAlpine|first = Daniel|publisher = W. & A. K. Johnston|year = 1881|isbn = |location = Edinburgh and London|pages = 17}}</ref>
 
১৭৫৮ খ্রিস্টাব্দে রোসেলের প্রোটিয়াসের চিত্র না দেখেই [[কার্ল লিনিয়াস]] তাঁর নিজের শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতিতে এই জীবকে ''ভলভক্স ক্যাওস'' নাম দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু যেহেতু ফ্ল্যাজেলাযুক্ত শৈবালের একটি গণের নামের সঙ্গে ভলভক্স শব্দটি যুক্ত করা হয়ে গেছিল, তাই তিনি এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ''ক্যাওস ক্যাওস''। ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে [[ডেনমার্ক|ডেনমার্কের]] প্রকৃতিবিদ [[অটো ফ্রেইডরিশ্‌ মূলর]] একটি প্রজাতির বর্ণনা করেন, যার নাম তিনি রাখেন ''প্রোটিয়াস ডিফ্লুয়েন্স'', যা সম্ভবতঃ [[অ্যামিবা প্রোটিয়াস]] প্রজাতি হিসেবে বর্তমানযুগে পরিচিত।<ref>{{Cite book|title = Biology of Amoeba|last = Jeon|first = Kwang W.|publisher = Academic Press|year = 1973|isbn = |location = New York|page = 5}}</ref>
অ্যামিবা [[প্রোটোজোয়া]] পর্বের এককোষী মুক্তজীবী প্রাণী।<ref>{{DorlandsDict|one/000003770|Amoeba}}</ref> অ্যামিবা এককোষী প্রাণী হলেও একটি মাত্র কোষ দিয়ে এটি যাবতীয় কাজ সম্পাদন করে থাকে। এক কোষে রেচন, পুষ্টি, বৃদ্ধি, উদ্দীপনা, প্রজনন প্রভৃতি জৈবিক কার্য সম্পন্ন হয়। প্রজনন জীবের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। অ্যামিবা অযৌন প্রক্রিয়ায় বংশ বৃদ্ধি করে। অযৌন প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্যতম দ্বি-বিভাজন প্রক্রিয়া।
 
১৮২২ খ্রিস্টাব্দে [[বোরি দে সেন্ট-ভিন্সেন্ট]] [[গ্রিক ভাষা|গ্রিক]] ''আমোইবে'' ({{lang-el|ἀμοιβή}}; পরিবর্তন) শব্দটি থেকে আমিবা ({{lang-en|Amiba}}) নামটি রাখেন।<ref>Bory de Saint-Vincent, J. B. G. M. "Essai d'une classification des animaux microscopiques." Agasse, Paris (1826).p. 28</ref><ref name="EOS1">{{cite book |editor1-first = Kimberley |editor1-last = McGrath |editor2-last=Blachford |editor2-first=Stacey | title = Gale Encyclopedia of Science Vol. 1: Aardvark-Catalyst |edition=2nd | year = 2001 | isbn = 0-7876-4370-X | publisher = Gale Group | oclc = 46337140}}</ref> ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে জার্মান প্রকৃতিবিদ [[ক্রিশ্চিয়ান গটফ্রেইড এহ্রেনবার্গ]] তাঁর নিজের তৈরিকৃত আণুবীক্ষণিক জীবের শ্রেণীবিন্যাসে এই গণকে অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু বানান পরবর্তন করে ''Amoeba'' (''অ্যামিবা'') রাখেন।<ref>Ehrenberg, Christian Gottfried. Organisation, systematik und geographisches verhältniss der infusionsthierchen: Zwei vorträge, in der Akademie der wissenschaften zu Berlin gehalten in den jahren 1828 und 1830. Druckerei der Königlichen akademie der wissenschaften, 1832. p. 59</ref>
[[চিত্র:Amoeba (PSF).svg|thumb|250px|left|Anatomy of an amoeba.]]
খাদ্য গ্রহণ ও দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার জন্য অ্যামিবার মুখ নেই। এরা ক্ষণপদের মাধ্যমে বা অপর কোনো উপায়ে খাদ্য গ্রহণ করে। অ্যামিবা প্রধানত পাঁচ উপায়ে খাদ্য গ্রহণ করে।
১। সারকামভ্যালেশন
২। সারকামফুয়েন্স
৩। ইমপোর্ট
৪। ইনভ্যাজিনেশন
৫। পিনোসাইটোসিস
 
== ভিডিও গ্যালারি ==
{|
|[[চিত্র:Amoeba proteus.ogg|thumb|''Amoeba proteus'' in motion]]
|[[চিত্র:Amoeba engulfing diatom.ogg|thumb|Amoeba engulfing a diatom]]
|}
 
== তথ্যসূত্র ==
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{Commons category|AmoebozoaAmoeba}}
{{অ্যামিবোজোয়া}}
* [http://en.wikibooks.org/wiki/CellEmma_Biology/Introduction/Cell_size Wikibooks: Comparison of Cell Size]
 
{{Eukaryota classification}}
{{Amoebozoa}}
 
{{DEFAULTSORT:Amoeba (Genus)}}
[[বিষয়শ্রেণী:Protista]]
[[বিষয়শ্রেণী:Amoebozoa]]
 
[[বিষয়শ্রেণী:Protistaঅ্যামিবিডা]]
[[de:Amöbe]]