রাধারমণ দত্ত: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
সম্পাদনা সারাংশ নেই
| alt =
| caption =
| birth_date = {{birth date|1833|00|00}১৮৩৩}
| birth_place =
| death_date = {{Death date and age|1915|00|00|1833|00|00}}১৯১৫
| death_place =
| nationality = বাংলাদেশী
 
== বংশ পরিচিতি ==
শ্রীহট্ট বা সিলেট অঞ্চলের পঞ্চখণ্ডে ত্রিপুরাধিপতি '''ধর্ম ফাঁ''' কর্তৃক সপ্তম শতকে মিথিলা হতে আনিত প্রসিদ্ধ পাঁচ ব্রাহ্মণের মধ্যে '''আনন্দ শাস্ত্রী''' নামক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব রাধারমণ দত্তের পুর্ব পুরুষ ছিলেন বলে [[অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি]]র ঐতিহাসিক গ্রন্থ শ্রীহট্টের ইতিবৃত্তে পাওয়া যায়। আনন্দ শাস্ত্রীর প্রৌপুত্র [[নিধিপতি শাস্ত্রী|নিধিপতি শাস্ত্রীর]] পুত্র ভানু নারয়ন নামক ব্যক্তি তত্কালিন মণুকুল প্রদেশে "ইটা" নামক রাজ্যের স্থপতি। উক্ত ভানু নারায়ণের চার পুত্রের মধ্যে রামচন্দ্র নারায়ণ বা ব্রহ্ম নারাণের এক পুত্র ছিলেন প্রভাকর। মুঘল সেনাপতি খোয়াজ উসমান দ্বারা ইটা রাজ্য অধিকৃত হলে, এই রাজ বংশের লোকগণ পালিয়ে গিয়ে আশে পাশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় গ্রহন করেন । এ সময় প্রভাকর দত্ত তার পিতার সাথে আলিসারকুল চলে যান এবং সেখানে কিছু দিন বসবাস করার পর [[জগন্নাথপুর উপজেলা|জগন্নাথপুর]] রাজ্যে এসে আশ্রয় নেন। কিছু দিন পর জগন্নাথপুর রাজ্যের তত্কালীন অধিপতি রাজা বিজয় সিংহের অনুমতিক্রমে প্রভাকর জগন্নাথপুরের নিকটস্থ কেশবপুর গ্রামে বাড়ী নির্মাণ করে সেখানে বসবাস করেন । পরবর্তিতে রাজা বিজয় সিংহ প্রভাকরের পুত্র সম্ভুদাস দত্তকে মন্ত্রী পদে নিয়োগ দেন। অতপর বানিয়াচংয়ের রাজা গোবিন্দ খা বা হবিব খার সাথে বিবাদে জগন্নাথপুর রাজ বংশের বিপর্য্যয়ের কারণ, রাজআশ্রীত কর্মচারিরাও দৈন্য দশায় পতিত হন । এ সময় সম্ভুদাস দত্তের পুত্র রাধামাদব দত্ত অন্যের দ্বারাস্থ না হয়ে, অনন্যচিত্তে সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন। রাধা মাধব দত্ত সংস্কৃত ভাষায় জয়দেবের বিখ্যাত গ্রন্থ '''গীত গোবিন্দ'''' বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন । এছাড়া তার রচিত ভ্রমর গীতিকা, ভারত সাবিত্রী, সূর্যব্রত পাঁচালি, পদ্ম-পুরাণ ও কৃষ্ণলীলা গীতিকাব্য উল্লেখযোগ্য। এই প্রসিদ্ধ কবি রাধামাধব দত্তই ছিলেন রাধারমণ দত্তের পিতা।<ref>শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত পূর্বাংশ, দ্বিতীয় ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় অধ্যায়, [[জগন্নাথপুর উপজেলা|'''জগন্নাথপুরের''']] কথা, পৃষ্ঠা ৩৯৩, গ্রন্থকার - [[অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি]]; প্রকাশক: মোস্তফা সেলিম; উৎস প্রকাশন, ২০০৪।</ref>। <br />'''(বাড়তি পঠন - শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত পুর্বাংশ, দ্বিতীয় ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় অধ্যায়, সাহিত্য চর্চা, ৩৯৩ পৃষ্ঠা । শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত উত্তরাংশ- তৃতীয় খণ্ড, প্রথম অধ্যায়, ছয়চিরি বত্স গোত্রীয় বিবরণ, ২১৫-২২৪ পৃষ্ঠা)'''
 
== সাধনা ও বৈরাগ্য ==
{{col-end}}
 
==আরও দেখুন==
*শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত পুর্বাংশ, দ্বিতীয় ভাগ, দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় অধ্যায়, সাহিত্য চর্চা, ৩৯৩ পৃষ্ঠা । শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত উত্তরাংশ- তৃতীয় খণ্ড, প্রথম অধ্যায়, ছয়চিরি বত্স গোত্রীয় বিবরণ, ২১৫-২২৪ পৃষ্ঠা)
== তথ্যসূত্র ==
{{reflist}}
 
 
== বহিঃসংযোগ ==