"ফেদেরিকো ফেল্লিনি" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

'''ফেদেরিকো ফেল্লিনি''' (ইতালীয়: Federico Fellini; জানুয়ারি ২০, ১৯২০ - অক্টোবর ৩১, ১৯৯৩) ইতালীয় চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী যুগের সবচেয়ে অনন্য ও বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারদের একজন। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি ইতালীয় নব্য-বাস্তবতাবাদী চলচ্চিত্র আন্দোলন শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, কিন্তু পরে নিজের একটি অনন্য স্টাইল তৈরি করেন। তার সিনেমাগুলো অনেকাংশেই আত্মজীবনীমূলক এবং তিনি বাস্তবতার সাথে অবাস্তব, হ্যালুসিনেশন-মূলক দৃশ্য জুড়ে দিতেন। তার সিনেমায় মানুষের সবচেয়ে উদ্ভট দিকটা সবচেয়ে বেশি প্রকাশিত হয়েছে।<ref name="eb">{{EB|http://www.britannica.com/biography/Federico-Fellini|Federico Fellini}}</ref>
 
==প্রারম্ভিক জীবন==
==জীবনী==
ফেল্লিনির শৈশব-কৈশোরের জীবন খুব একটা ঘটনাবহুল ছিল না, কিন্তু এ সময় কার্টুন আঁকার দক্ষতা অর্জন করেছিলেন। ঊনিশ বছর বয়সে রোমে আসার পর প্রথমে ''Marc'Aurelio'' সাময়িকীতে কার্টুন ও কৌতুক ছাপিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ''Cico e Pallina'' নামের একটি রেডিও প্রোগ্রামের জন্য সংলাপ লিখতেন, এবং এই প্রোগ্রামের অভিনেত্রী জুলিয়েত্তা মাসিনা-কেই ১৯৪৩ সালে বিয়ে করেছিলেন। ১৯৪৪ সালে তার সাথে পরিচালক রোবের্তো রোজেলিনি'র দেখা হয় যিনি তাকে ''রোমা, চিত্তা আপের্তা'' সিনেমার চিত্রনাট্য লেখার দলে যুক্ত করেন। এই সিনেমা ইতালীয় নব্য-বাস্তবতা আন্দোলন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছিল এবং এর চিত্রনাট্য লেখায় অংশ নেয়ার জন্য ফেল্লিনি একটি অস্কার মনোনয়নও পেয়েছিলেন।
 
 
পরিচালক হিসেবে ফেল্লিনি'র প্রথম সিনেমা লাত্তুয়াদা'র সাথে যৌথভাবে করা ''লুচি দেল ভারিয়েতা'' (১৯৫১) যাতে প্রাদেশিক, মফস্বল জীবন দেখানো হয়েছিল। একই থিমে পরবর্তীতে আরো দুটি সিনেমা করেন যার মধ্যে শেষটি, ''ই ভিতেল্লোনি'' (১৯৫৩), প্রথমবারের মতো তাকে বাণিজ্যিক ও শৈল্পিক সফলতা দিয়েছিল। সিনেমাটি ছিল মফস্বলের "mamma's boy" ধরনের মানুষদের নিয়ে এবং অনেকে এখনও একে ফেল্লিনির অন্যতম মাস্টারপিস মনে করেন।<ref name="eb"/>
 
==সেরা চলচ্চিত্রসমূহ==
 
==তথ্যসূত্র==
১৩,৪৫৫টি

সম্পাদনা