"জৈন ধর্ম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
জৈনরা ছয়টি কর্তব্য পালন করেন। ‘আবশ্যক’ নামে পরিচিত এই কর্তব্যগুলি হল: ‘সম্যিকা’ বা (শান্তি অনুশীলন), ‘চতুর্বিংশতি’ (তীর্থঙ্কর বন্দনা), ‘বন্দন’ (গুরু ও সন্ন্যাসীদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন), [[প্রতিক্রমণ]] (অন্তর্দৃষ্টি), [[কায়োৎসর্গ]] (স্থির থাকা) ও প্রত্যখ্যন (ত্যাগ)।<ref>{{harvnb|Jaini|1998|p=190}}</ref>
==দর্শন==
{{Main|জৈন দর্শন}}
===আত্মা ও কর্ম===
{{Main|জৈনধর্মে কর্ম}}
জৈন দর্শন অনুসারে, আত্মার সহজাত গুণ হল এর পবিত্রতা। এই আত্মা অনন্ত জ্ঞান, অনন্ত অন্তর্দৃষ্টি, অনন্ত আনন্দ ও অনন্ত শক্তির সকল গুণ তার আদর্শ অবস্থায় বহন করে।<ref>{{harvnb|Jaini|1998|pp = 104–106}}</ref> বাস্তব ক্ষেত্রে যদিও এই গুণগুলি আত্মার সঙ্গে ‘[[জৈনধর্মে কর্ম|কর্ম]]’ নামে এক পদার্থের যোগের ফলে বাধা প্রাপ্ত হয়।<ref name=Jaini107>{{harvnb|Jaini|1998|p=107}}</ref> জৈনধর্মের চূড়ান্ত লক্ষ্য হল আত্মাকে কর্মের বন্ধন থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে [[মোক্ষ (জৈনধর্ম)|মোক্ষ]] লাভ করা।
 
আত্মা ও কর্মের সম্পর্কটি সোনার উপমার সাহায্যে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক অবস্থায় সোনার মধ্যেও নানান অশুদ্ধ দ্রব্য মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। একই ভাবে আদর্শ বা আত্মার পবিত্র অবস্থাও কর্মের অশুদ্ধ অবস্থার সঙ্গে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। সোনার মতোই আত্মাকেও যথাযথ পদ্ধতিতে শুদ্ধ করতে হয়।<ref name=Jaini107/> জৈনদের কর্মবাদ ব্যবহৃত হয় ব্যক্তিগত কাজে দায়িত্ব আরোপ করার জন্য এবং এটি অসাম্য, যন্ত্রণা ও দুঃখের ব্যাখ্যা করার জন্য প্রদর্শিত হয়।
 
== পাদটীকা ==