কবুল হ্যায়: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
রাজিয়া সানামকে কিটনাপ করে এবং সেহেরকে ৫০ লাখ রুপির বিনময়ে সানামের চরিত্রে অভিনয় করে সকল সম্পত্তি রাজিয়ার নামে করতে বলে।সেহের রাজি হয়।কিন্তু কিছুদিন পর সানাম পালিয়ে যায়।সানাম বাড়িতে আসে।কিন্তু সবাই সানামের বোন হায়া এবং রাহাতের [[আক্দ|আক্দতে]]তে যায়।সানাম রাজিয়ার কাছে জানতে পারে যে সুনেরীর চেহারা তার সাথে মিল আছে কারণ তারা যমজ বোন।দিলশাদকে সিমলা নেওয়ার সময় রাজিয়া তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং রাজিয়ার বোন বলে তাকে রাখে।দিলশাদ সুস্থ হয়ে উঠে এবং সেহেরকে সব সত্যি বলে।সেহের সানামকে বাঁচাতে যায়।কিন্তু রাজিয়া তাকেও সানামের সাথে বন্দি করে রাখে।তৎক্ষণাৎ রাজিয়া বিদ্যুতের শক খেয়ে মারা যায়।এদিকে সানাম এবং আহিলের রিয়েল নিকা শুরু হয়।দুলহান পালিয়ে গেছে ভেবে তানভীর আরেক সানামকে নিয়ে আসে।নতুন সানাম ছিল এক ছায়া যার হৃদয় নেই।যে এক কাল যাদুর অধিকারী।তানভীর এবং নতুন সানাম মিলে সানামকে মারতে চায়।তানভীর আহিলকে গুলি করতে চায়।কিন্তু গুলি গিয়ে তানভীর এবং ইমরানের নিজ পুত্র রেহানের বুকে লাগে এবং সে মারা যায়।তানভীর সেহেরকে কিটনাপ করে।সানাম বাঁচাতে গেলে ওকে সহ কিটনাপ করে এবং দুই যমজ বোনকে রাশেদ খানের গুরিয়া ফেক্টরিতে(পুতুল ফেক্টরি/ডল ফেক্টরি)নিয়ে যায়।সুলায়মানকে নতুন সানাম হত্যা করে।কিন্তু সুলায়মানের শেষ একটা চিঠি আহিলের কাছে পৌঁছে।চিঠিতে লেখা আছে আহিলের বাবার হত্যা রহস্য গুরিয়া ফেক্টরিতে আছে।আহিল ইন্টারনেটে গুরিয়া ফেক্টরি সম্পর্কে জানতে চার্চ করে।সেখানে সানামের বাবা আসাদ এবং মা জুয়ার ছবি থাকে।আহিল গুরিয়া ফেক্টরি যায়।সব সত্য আহিলের সামনে আসে।গুরিয়া ফেক্টরিতে আহিলের বাবা নবাব সাহেবকে বেঁচে আছে দেখে।
 
তানভীরের মৃত্যু হয়।মৃত্যুর পূর্বে সে জানতে পারে যে তার মেয়ে বেঁচে আছে।সে সানামকে বলে যে ওর মেয়ে আসবে প্রতিশোধ নিতে।
কিছুদিন পর নতুন সানামের তৈরি জালে সেহের এক এক্সিডেন্টে মারা যায়।সেহেরকে বাঁচাতে গিয়ে সানাম আরেক এক্সিডেন্টের সম্মুখীন হয় এবং সে ভাগ্যক্রমে এক্সিডেন্টে পাকিস্তানে পৌঁছে যায়।
 
== অভিনয়ে ==
বেনামী ব্যবহারকারী