কবুল হ্যায়: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
== কাহিনীসংক্ষেপ ==
জুয়া এবং আসাদের কাহিনী নিয়ে 'কুবুল হেরহ্যায়' শুরু।জুয়াএর শুরু। জুয়া ছিল এক আধুনিক ওমেন।আসাদ ছিল ডিসিপ্লিন এবং ধার্মিক।সেধার্মিক। সে জুয়ার চালচলন, আচার আচরণ পছন্দ করত না।আসাদেরনা। আসাদের ছোটবেলার সঙ্গী তানভীর বেগমের আসাদের জীবনে আগমন এক নতুন অধ্যায় এর সূচনা করে।তানভীরকরে। তানভীর সবসময় ধনী হাসবেন্ড খুঁজত।আসাদ তার জন্য পারফেক্ট ছিল।তাইছিল। তাই সে আসাদকে বিবাহ করতে চেয়েছিল।কিন্তুচেয়েছিল। কিন্তু ইতিমধ্যে জুয়া তানভীরের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়।কারণদাঁড়ায়। কারণ আসাদ এবং জুয়া একে অপরকে ভালবেসে ফেলে এবং আসাদের আম্মি দিলশাদ আসাদ এবং জুয়ার বিবাহ ঠিক করে। জুয়া মনে করত তার বাবা বেঁচে আছেন এবং তিনি হিন্দুস্থানে আছেন।পরেআছেন। পরে জুয়া জানতে পারে যে গফুর আহমেদ সিদ্দিকী তার বাবা।বহুবাবা। বহু বর্ষ পূর্বে রাজিয়া রাশেদ খানের গুড়িয়া ফেক্টরিতে(পুতুল ফফেক্টরিফেক্টরি/ডল ফেক্টরি) এক মহিলাকে হত্যা করে।ঐ মহিলা ছিল জুয়ার আম্মি।রাশেদআম্মি। রাশেদ খানকে হত্যা করে তানভীর সমস্ত দোষ সিদ্দিকী সাহেবের উপর চাপিয়ে দেয়।পরেদেয়। পরে জুয়া ও তার সৎ বোন হুমাইরা সব জানতে পারে এবং সত্যি সবার সামনে আনে।তানভীর আসাদ, জয়া, নাজমা এবং সিদ্দিকী সাহেবকে হত্যা করে।
 
 
 
 
ভাগ্যক্রমে দিলশাদ এবং জয়ার যমজ মেয়ে সানাম, সেহের এবং নাজমার মেয়ে হায়া বেঁচে যায়।তারাযায়। তারা পাঞ্জাব চলে যায়।সানামযায়। সানাম কাজের সন্ধানে বোপাল আসে এবং ঐ বাড়িতে কাজ নেয় যে বাড়ি প্রথমে তার আম্মি আব্বুর ছিল।বর্তমানেছিল। বর্তমানে সেখানে তানভীরের পরিবার বাস করে।সানাম জানতে পারে না যে বাড়িটা তাদের ছিল এবং তানভীর তার পরিবারকে শেষ করে দিয়েছিল।কিছুদিনদিয়েছিল। কিছুদিন পর তানভীর সম্পত্তির জন্য সানামকে আহিলের সাথে ৩ মাসের জন্য বিয়ে করার কন্ট্রাক্ট করে।সানাম জানতে পারে তানভীর আহিলের সৎ মা এবং সে নবাব সাহেবের সম্পত্তির জন্য সব করছে।
 
== অভিনয়ে ==
১,০৫৯টি

সম্পাদনা