"ক্ষুদ্রবিবর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যা?)
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
'''ক্ষুদ্রবিবর''' যা '''আইনস্টাইন-রোজেন সেতু''' নামেও পরিচিত, হলো [[স্থান-কাল|স্থান-কালের]] একটি [[টপোগণিত|টপোগণিতিক]] বৈশিষ্ট্য যা মৌলিকভাবে মহাবিশ্বের দুই প্রান্ত বা দুই মহাবিশ্বের মধ্যে স্থান-কালের ক্ষুদ্র সুড়ঙ্গপথ বা "শর্টকাট"। যদিও গবেষকরা এখনো ক্ষুদ্রবিবর পর্যবেক্ষণ করতে পারেননি তবে আইনস্টাইনের সাধারন আপেক্ষিকতার সমীকরনে এর বৈধ সমাধান রয়েছে, কারন এর তাত্ত্বিক শক্তি খুব জোরালো। সাধারন আপেক্ষিকতা অধ্যাপনার জন্য ক্ষুদ্রবিবর হচ্ছে পদার্থবিদ্যার আদর্শ রুপক। শোয়ার্যসচাইল্ড ওর্মহোল সমাধান হচ্ছে প্রথম টাইপ আবিষ্কৃত '''ক্ষুদ্রবিবর''' যার মুল ভিত্তি হল [[শোয়ার্যসচাইল্ড ম্যাট্রিক]] তত্ত্ব যা একটি অনন্ত [[কৃষ্ণ বিবর]]
বর্ণনা করে, কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় এই ধরনের ক্ষুদ্রবিবর কোন বস্তুর পারাপারের জন্য ততটা সময় সাপেক্ষ নয় কারন এটি ক্ষণস্থায়ী।
 
ক্ষুদ্রবিবর কল্পনা করার জন্য একটা দ্বিমাত্রিক তল, যেমন কাগজ তলের কথা ভাবুন। এর এক স্থানে রয়েছে একটি ছিদ্র যা থেকে একটি ত্রিমাত্রিক টিউব বা সুরঙ্গ বের হয়, এবং সেটি কাগজের অন্য একটি অংশে আরেকটি ছিদ্রে গিয়ে মিলিত হয়। দ্বিমাত্রিক কাগজের উপর দিয়ে দুটি ছিদ্রের দূরত্ব বেশি হলেও সুরঙ্গ দিয়ে দূরত্ব কম, কারণ এটি কাগজটিকে ত্রিমাত্রিকভাবে বাঁকিয়ে নিয়ে সুরঙ্গপথটির দৈর্ঘ্য কমিয়ে দিয়েছে।
ওর্মহোলের ব্যাপারটাও অনেকটা এমন, যদিও এখানে দ্বিমাত্রিক কাগজ পৃষ্ঠের বদলে রয়েছে ত্রিমাত্রিক মহাকাশ, এবং ত্রিমাত্রিক সুরঙ্গের বদলে রয়েছে চতুর্মাত্রিক ওর্মহোল।
 
== ম্যাট্রিক ==
১টি

সম্পাদনা