আফ্রিকা দখলের লড়াই: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

+
(+)
(+)
এতকিছু সত্ত্বেও ১৮৭০-এর দশক পর্যন্ত আফ্রিকা মহাদেশের ৯০% আফ্রিকানদেরই দখলে ছিল। সবচেয়ে বড় আফ্রিকান দেশগুলি ছিল মুসলিম রাষ্ট্র, যেমন মাহদীর সুদান, মানদিঙ্কার সামোরি তুরে, ঊর্ধ্ব নাইজার নদীর তীর ঘেঁষে তুকোলোর সাম্রাজ্য এবং মধ্য নাইজারের সোকোতো খিলাফত। পূর্ব আফ্রিকা ছিল দাস ও হাতির দাঁতের ব্যবসাকেন্দ্র, যেখানে জাঞ্জিবারের সোয়াহিলি-আরব সুলতান আফ্রিকান যুদ্ধনেতাদের সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত ছিলেন। ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তরে ছিল একাধিক আফ্রিকান রাষ্ট্র এবং ওলন্দাজ আফ্রিকানারদের দুটি প্রজাতন্ত্র।
 
লড়াই শুরু হবার প্রাক্বালে পশ্চিম ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের প্রায় ১০০ বছর পূর্তি হয়ে গিয়েছিল। পশ্চিম ইউরোপ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত অঞ্চল। আগ্নেয়াস্ত্র, পরিবহন ও যোযোগ সংক্রান্ত প্রযুক্তি অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তখন এই এলাকায় উন্নতিলাভ করছিল। আর প্রতিটি ইউরোপীয় দেশে স্বদেশপ্রেম ছিল তুঙ্গে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে উন্নতির কারণে ইউরোপীয়রা অনেকদিন ধরে রোগশোক ছাড়া ক্রান্তীয় অঞ্চলে বাস করতে পারছিল। শিল্প-উৎপাদন এত বেড়ে গিয়েছিল যে ইউরোপীয়রা অতিরিক্ত উৎপাদিত পণ্যের জন্য কীভাবে ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যাবে, তা নিয়ে ইউরোপীয়রা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল। ১৮৭০-এর দশকে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দেবার পর ইউরোপীয়রা অনুন্নত, শিল্পবিহীন অঞ্চলগুলির দিকে নজর দেয়। বিখ্যাত স্কটিশ মিশনারি ডেভিড লিভিংস্টোন দাসপ্রথায় জর্জরিত আফ্রিকানদের "সভ্য" খ্রিস্টান বানানোর উদ্দেশ্যে আফ্রিকায় এসেছিলেন। ১৮৭৩ সালে আফ্রিকায় তাঁর মৃত্যু ইউরোপীয়দের এ ব্যাপারে নতুন করে উৎসাহী করে। ইউরোপের প্রতিটি দেশ তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকা দখলে নিলে কীভাবে তাদের শক্তি খর্ব হবে, এ চিন্তায় আতংকিত হয়ে পড়ে।
 
এই সবকিছুর ফলশ্রুতিতে ১৮৮০-র দশকের শুরুর দিকে ধীরে ধীরে আফ্রিকা দখলের লড়াই শুরু হয়। ১৮৮৪-১৮৮৫ সালের বার্লিন পশ্চিম আফ্রিকা সম্মেলনের পর পুরোদমে এর বিসার ঘটে। ২০শ শতকের শুরুর দশক আফ্রিকান অধিবাসীদের বাধা দূর করতে পার হয়ে যায়। ১৯১২ সালের দিকে [[লাইবেরিয়া]] ও [[ইথিয়োপিয়া]] বাদে গোটা আফ্রিকা ছিল ইউরোপের দখলে। এসময় ঔপনেবিশিক শাসন গোটা আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনে। আফ্রিকান উপনিবেশগুলি কেবল ১৯৫৫ ও ১৯৬৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে এসে স্বাধীনতা লাভ করে। অনেকগুলি দেশ ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে এসে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন অর্জন করে।
<!--They viewed these countries as both markets for their products and as suppliers of natural resources to fuel the industries. In addition, the strongest European countries began fearing what would happen to the balance of power if their rivals acquired colonies in Africa. National pride was at stake. So was Christianity: famous Scottish missionary/explorer David Livingstone had whet the public appetite for a Christian “civilizing” mission in this continent full of non-Christians and torn by slave trading. Livingstone’s death in the wilds of Africa in 1873 called attention again to the cause.
 
All of this resulted in the Scramble for Africa. It began with slow territorial acquisition through the early 1880s, followed by a competitive rush to claim African lands after the Berlin West Africa Conference (1884-1885). The final stage of the Scramble was characterized by slower occupation of territories and overcoming of African resistance through the first decade of the 20th century. By 1912 all of Africa was in European hands except Liberia and Ethiopia. The period of colonial rule that followed brought social, political, and economic change across the continent. The African colonies would only slowly gain their independence, most doing so between 1955 and 1965. Some did not achieve self-rule or majority rule until the 1980s or 1990s.
 
-->
 
[[Category:আফ্রিকার ইতিহাস]]
৫৯,৭১২টি

সম্পাদনা