"অভিজিৎ রায়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী বিজ্ঞান লেখক যোগ হটক্যাটের মাধ্যমে)
ইন্টারনেটে, ম্যাগাজিনে আর দৈনিক পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন তিনি। লেখার বিষয় ছিলো আধুনিক বিজ্ঞান এবং দর্শন। তার প্রকাশিত বইগুলো হল-‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ (২০০৫),মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে (২০০৭, পুনর্মুদ্রণ ২০০৮), স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি (২০০৮), সমকামিতা: বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান (২০১০,পুনর্মুদ্রণ ২০১৩), অবিশ্বাসের দর্শন (২০১১, দ্বিতীয় প্রকাশ:২০১২, তৃতীয় প্রকাশ: ২০১৪), বিশ্বাস ও বিজ্ঞান (২০১২), ভালবাসা কারে কয় (২০১২),এবং শূন্য থেকে মহাবিশ্ব (২০১৪)।
==পরিবার ও কর্মজীবন==
অভিজিৎ রায়ের পিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক ড. [[অজয় রায়]]। তিনি পেশায় প্রকৌশলী ছিলেন। বসবাস করতেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরে।
 
==পড়াশোনা==
অভিজিৎ পড়াশুনা করেছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট), পি.এইচ.ডি করেছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরে (এন.ইউ.এস)।
১৯,৪০৭টি

সম্পাদনা