"অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

দক্ষতাবর্ধক মাদকের ব্যবহার
(Bot: es:Juegos Olímpicos is a good article)
(দক্ষতাবর্ধক মাদকের ব্যবহার)
== রাজনীতি ==
অলিম্পিক গেমসের শুরু থেকেই বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচারের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃ হয়ে আসছে। ১৯৩৬ সালে জার্মানিতে যখন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় তখন নাৎসিরা আর্য জাতীয়তাবোধকে প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ঠ থাকলেও ন্যাশনাল সোশালিস্ট পার্টিকে একটি উদারপন্থী দল হিসেবে প্রচার করেছিল।{{sfn|Findling|Pelle|2004|p=107}} তবে সেই আসরে জার্মান এথলেটরা বেশ ভাল ক্রীড়া নৈপুণ্য দেখিয়েছিল। জার্মানি সর্বাধিক সংখ্যক স্বর্নপদক জিতলেও আফ্রিকান বংশোদ্ভূত আমেরিকানরাও চারটি স্বর্ণপদক জয় করে জার্মান আর্য জাতীয়তাবোধের শ্রেষ্ঠত্বকে প্রমাণ করার যথেষ্ট সুযোগ দেয় নি। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও হাঙ্গেরির ক্রীড়াবিদরাও নাৎসিদের এই শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইতে প্রতিপক্ষ হিসেবে নৈপুণ্য প্রদর্শন করে।{{sfn|Findling|Pelle|2004|pp=111–112}} ১৯৫২ সালের হেলসিংকিতে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন কখনও কোন অলিম্পিকে যোগ দেয় নি। আন্তর্জাতীক এই গেমসে যোগদানের বদলে সোভিয়েতরা নিজেরাই এক ক্রীড়া আসরের আয়োজন করে যার নাম ছিল স্পার্টাকিয়াডস। ১৯২০ থেকে ১৯৩০ সালের যুদ্ধ মধ্যবর্তী সময়ে কমিউনিস্ট এবং সমমনা দেশ জাতীসমূহ এই ক্রিড়াযজ্ঞে অংশগ্রহণ করে।{{sfn|Roche|2000|p=106}} ১৯৬৮ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন একটি পূর্নমাত্রার স্পোর্টস সুপারপাওয়ার হিসেবে যোগদান করে এবং বেশ কিছু স্বর্নপদক জিতে জনপ্রিয়তা অর্জন করে।<ref>{{cite journal |url=http://www.la84foundation.org/OlympicInformationCenter/OlympicReview/1974/ore84/ore84k.pdf |title=The USSR and Olympism |journal=[[Olympic Review]] |publisher=[[International Olympic Committee]] |issue=84 |pages=530–557 |year=1974 |month=October |format=PDF |accessdate=4 May 2009}}</ref>
 
=== দক্ষতাবর্ধক মাদকের ব্যবহার ===
[[File:Marathon Hicks1904.jpg|thumb|১৯০৪ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ম্যারাথন দৌড়ে থমাস হিকস।]]
বিংশ শতকের শুরুর দিকে অনেক ক্রীড়াবিদ দক্ষতাবর্ধক ঔষধের ব্যবহার শুরু করে। ১৯০৪ সালে ম্যারাথন দৌড়ে স্বর্নপদক জয়ী ক্রীড়াবিদ থমাস হিকস তার প্রশিক্ষক কর্তৃক দেওয়া মাদক ব্যবহার করেছিলেন।<ref>{{cite web|title=Tom Hicks|publisher=Sports-reference.com|url=http://www.sports-reference.com/olympics/athletes/hi/tom-hicks-1.html|accessdate=30 January 2009}}</ref> ১৯৬০ সালে একজন ডেনিশ সাইক্লিস্ট ক্যুদ এনমার্ক জেনসন মাদক সেবন করে গেমসে অবতীর্ন হওয়ার পর সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ময়নাতদন্তে পাওয়া যায় যে অ্যাম্ফ্যাটামিন নামক মাদকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়। এটিই ছিল শক্তিবর্ধক মাদক সেবনের ফলে অলিম্পিক গেমসে মৃত্যুর প্রথম ঘটনা। ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে অলিম্পিক ফেডারেশন দক্ষতাবর্ধক মাদকের ব্যবহার নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেয় যার ফলশ্রুতিতে ১৯৬৭ সালে অলিম্পিক কাউন্সিল আইনের মাধ্যমে মাদকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা শুরু করে।<ref>{{cite news |first=Sharon|last=Begley|title=The Drug Charade|work=Newsweek|date=7 January 2008|url=http://www.newsweek.com/id/86079/output/print|accessdate=27 August 2008}}</ref>
 
হান্স গানার লিলজানওয়াল হলেন প্রথম ক্রীড়াবিদ যিনি ১৯৮৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে মাদক পরীক্ষায় উত্তীর্ন হতে না পেরে তার ব্রোঞ্জ পদক হারান।<ref>{{cite news |first=Jacquelin|last=Magnay|title=Carl Lewis's positive test covered up|work=The Sydney Morning Herald|url=http://www.smh.com.au/articles/2003/04/17/1050172709693.html|date=18 April 2003|accessdate=28 August 2008}}</ref>এর পরেই সবচেয়ে প্রচারিত মাদক কেলেঙ্গারির ঘটনা ছিল বেন জনসনের। তিনি কানাডায় অনুষ্ঠিত ১৯৮৮ সালের অলিম্পিকে মাদক সেবনের জন্য তার স্বর্নপদক হারান। অলিম্পিকে মাদকের ব্যবহার রোধ করার জন্য নব্বইএর দশকের শেষের দিকে বিশ্ব মাদক বিরোধী এজেন্সি গঠন করা হয় যার ফলশ্রুতিতে ২০০০ সালের গ্রীষ্মকালীন ও ২০০২ সালের শীতকালীন অলিম্পিকে মাদক পরীক্ষার অনুত্তীর্ন ক্রীড়াবিদের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বেড়ে যায়। এর পর থেকে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদকেই অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করার জন্য মূত্র ও রক্ত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়। বেইজিং অলিম্পিকে প্রায় ৩৬৬৭ জন এবং লন্ডন অলিম্পিকে প্রায় ৬০০০ জন ক্রীড়াবিদের মাদক পরীক্ষা হয় যার মধ্যে বেইজিং অলিম্পিকে ৬৭ জন ও লন্ডন অলিম্পিকে ১০৭ জন মাদক সেবনের কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেন নি।
=== লিঙ্গ বৈষম্য ===
=== সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতা===
=== ঔপনিবেশিক রাজনীতির চর্চা ===
 
== তথ্যসূত্র ==