"ফাস্ট বোলিং" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল অ্যাপ সম্পাদনা
 
আনুষ্ঠানিকভাবে দ্রুতগতিতে বল নিক্ষেপের ঘটনার [[বিশ্বরেকর্ড|রেকর্ড]] করা হয়েছে ঘন্টায় ১৬১.৩ কি.মি/ঘ (১০০.২ মাইল/ঘন্টা)। [[২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ|২০০৩ সালের]] [[বিশ্বকাপ]] [[বিশ্বকাপ ক্রিকেট|ক্রিকেটে]] [[পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল|পাকিস্তানের]] [[শোয়েব আখতার]] [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল|ইংল্যান্ডের]] বিপক্ষে এ বিরল কীর্তিটি গড়েন। [[লেগ সাইড|লেগ সাইডে]] করা অত্যন্ত দ্রুতগতির এ বলের মোকাবেলা করেছিলেন [[নিক নাইট]]।<ref>[http://www.guardian.co.uk/sport/blog/2010/jul/07/shaun-tait-fast-shoaib Selvey, Mike (2010-07-07). "Shaun Tait is certainly very fast, but 100mph?". The Guardian. Retrieved 2010-07-09.]</ref>
এছাড়াও [[ডেনিসজেফ লিলিথমসন]] , [[ব্রেট লি]] এবং [[শন টেইট]] ১০০ মাইলে বল করার গৌরব অর্জন করেন |
 
অধিকাংশ [[আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সদস্যদের তালিকা|ক্রিকেট খেলুড়ে দেশে]] ফাস্ট বোলারকে দলীয় বোলিং আক্রমণের প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তারা ধীরগতির বোলার বা [[স্পিনার|স্পিনারদেরকে]] সহায়তা করে থাকেন। স্পিনারদেরকে সহকারী বোলারের মানদণ্ডে তুলে ধরা হয়। [[ভারতীয় উপমহাদেশ|ভারতীয় উপমহাদেশে]] [[বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল|বাংলাদেশ]], [[ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল|ভারত]], [[পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল|পাকিস্তান]] এবং [[শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল|শ্রীলঙ্কা দলে]] বর্তমানে ফাস্ট বোলারের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফাস্ট বোলাররা বলকে নমনীয় করে স্পিনারদের ব্যবহারের উপযোগী করে তুলছেন। এ দেশগুলোর পীচগুলো স্পিনারদের উপযোগী করে তৈরী করা হয় যা ফাস্ট বোলারদের চেয়ে অধিক কার্যকরী। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্পিনারদের অবিশ্বাস্য কীর্তিগাঁথাগুলো এ ধারণাকে ম্লান করে দিয়েছে। [[মুত্তিয়া মুরালিধরন]], [[শেন ওয়ার্ন]], [[শহীদ আফ্রিদি]], [[অনিল কুম্বলে]], [[সনাথ জয়াসুরিয়া]], [[সাকলাইন মুশতাক]], [[ড্যানিয়েল ভেট্টোরি]], [[হরভজন সিং]], [[সাকিব আল হাসান]] প্রমূখ স্পিনারদের সফল পদচারণা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
১২৩টি

সম্পাদনা