"নিকারাগুয়া" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

তথ্যযোগ
(তথ্যযোগ)
(তথ্যযোগ)
 
===ধর্ম===
যদিও নিকারাগুয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ (প্রায় ৮০ শতাংশ) [[ক্যাথলিক]] ধর্মের অনুসারী এবং ক্যাথলিক বিশপদের দেশের সাধারণ মানুষের উপর বিশেষ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়, সরকারিভাবে ১৯৩৯ সাল থেকে নিকারাগুয়া একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। দেশের সংবিধানেও দেশের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতার কথার উল্লেখ আছে।<br />
স্পেনীয় কঙ্কিস্তাদোরদের নিকারাগুয়ায় আগমণ ও সেদেশ দখলের অল্পদিনের মধ্যেই ১৫৩০ সাল নাগাদ খ্রিষ্টান মিশনারিরা এদেশে আসতে শুরু করেন। সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদে সে' সময়ই স্পেনীয়দের মদতে এখানকার বেশিরভাগ স্থানীয় মানুষও এই মূলত ক্যাথলিক ধর্ম প্রচারকদের প্রচেষ্টায় খ্রিষ্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। অবশ্য এক্ষেত্রে বিদ্রোহের ইতিহাসও আছে। কিন্তু মূলত স্পেনীয় শাসকদের বিরুদ্ধে সে বিদ্রোহ সে' সময় কঠোর হাতে দমন করা হয় ও অসংখ্য স্থানীয় অধিবাসীকে শাস্তি হিসেবে পেরুতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে অস্বাস্থ্যকর ও অমানবিক পরিস্থিতিতে পাহাড় ও খনিতে কাজ করতে তাদের বাধ্য করা হলে তাদের অধিকাংশেরই মৃত্যু ঘটে। ফলে নিকারাগুয়ায় সে' সময় থেকেই [[রোমান ক্যাথলিক]] ধর্ম সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্মে রূপান্তরিত হয়। ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত এই ধর্মই দেশে সরকারি ধর্ম হিসেবে স্বীকৃত ছিল।<br />
বর্তমানে ক্যাথলিক চার্চ সমগ্র দেশকে ৮টি ডায়াসেশনে ভাগ করেছে। দেশের মোট প্রায় ৪৩.৫ লক্ষ মানুষ তাদের অনুসরণ করেন। মোট ৩৬৭ জন ক্যাথলিক প্যারিস প্রিস্টের অধীনে এই অনুগামীরা বিন্যস্ত। একেকজন প্রিস্টের অধীন এলাকা প্রায় ৩২৬ বর্গ কিলোমিটার ও গড়ে ১১,৮০০ অধিবাসী তাঁদের অনুসরণ করেন।<br />
ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে খ্রিষ্ট ধর্মের অন্য শাখাগুলিও নিকারাগুয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। এদের মধ্যে প্রোটেস্টান্ট চার্চ, মোরাভীয় চার্চ, দ্য চার্চ অফ নাজারিন, দ্য অ্যাসেম্বলিজ অফ গড, প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। মূলত দেশের পশ্চিম অংশে এদের প্রভাব বেশি দেখা যায়। ১৯৯০ এর দশক থেকে দেখা যাচ্ছে, এদের মধ্যে [[প্রোটেস্টান্ট ধর্ম| প্রোটেস্টান্ট ধর্মের]] অনুরাগীর সংখ্যা দেশে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।<ref>[http://lcweb2.loc.gov/cgi-bin/query/r?frd/cstdy:@field(DOCID+ni0040) Nicaraguya: Religion, সংগৃহীত ৭ আগস্ট, ২০১৪]</ref>
 
 
== আরও দেখুন ==