"বাআল" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
==ইহুদি ধর্মে==
বাইবেলের বর্ণনা মতে মূসার প্রথম খলিফা ইউশা বিন নূনের ইন্তেকালের পরপরই বনী ইসরাঈলের মধ্যে এ নৈতিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়ের সূচনা হয়ে গিয়েছিল। একেশ্ববাদী মূসা (মোজেস) এর অনুসারীগুণ বাআলের পূজা শুরু করে।
 
''ইসরাইল সন্তানগণ সদাপ্রভূর দৃষ্টিতে যাহা মন্দ, তাহাই করিতে লাগিল; এবং বাল দেবগনের সেবা করিতে লাগিল।-------তাহারা সদাপ্রভূকে ত্যাগ করিয়া বাল দেবের ও অষ্টারেৎ দেবীদের সেবা করিত।'' (বিচারকর্তৃগণ ২: ১১-১৩)
 
''ইসরাইল-সন্তানগণ কানানীয়, হিত্তীয়, ইমোরীয়, পরিযীয়, হিব্বীয় ও যিবূযীয়গণের মধ্যে বসতি করিল; আর তাহারা তাহাদের কন্যাগণকে বিবাহ করিত, তাহাদের পুত্রগণের সহিত আপন আপন কন্যাদের বিবাহ দিত ও তাহাদের দেবগণের সেবা করিত।''( বিচারকর্তৃগণ ৩: ৫-৬ )
 
সে সময় ইসরাইলিদের মধ্যে বাআল পূজার এত বেশী প্রচলন হয়ে পড়েছিল যে, বাইবেলের বর্ণনা মতে তাদের একটি জনপদে প্রকাশ্যে বা’আলের যজ্ঞবেদী নির্মিত হয়েছিল এবং সেখানে বলিদান করা হতো। একেশ্বরবাদে অনুগত জনৈক ইসরাইলি এটা সহ্য করতে না পেরে রাতের আঁধারে চুপিচুপি যজ্ঞবেদীটি ভেঙে ফেললো। পরদিন জনতার একটি বিরাট সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। তারা উচ্ছেদকারী ব্যক্তির হত্যার দাবী করতে লাগলো। (বিচারকর্তৃগণ ৬: ২৫-৩২) শেষ পর্যন্ত এ অবস্থার পরিসমাপ্তি ঘটালেন সামুয়েল (সামায়েল), তালূত এবং দাউদ (ডেভিদ) ও সুলাইমান (সোলেমান)। তাঁরা কেবল বনী ইসরাঈলেরই সংস্কার করলেন না, নিজেদের রাজ্যেও শিরক ও মূর্তিপূজা নির্মূল করলেন। কিন্তু সুলাইমানের মৃত্যুর পর বাআল পূজা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো এবং বিশেষ করে উত্তর ফিলিস্তিন যেখানে এখন ইসরাইল রাষ্ট্র অবস্থিত, বাআল পূজার ব্যাপক প্রচলন শুরু হলো।
 
==তথ্য উৎস==
৩০,৬২৪টি

সম্পাদনা