মন্দির: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

মন্দির ইতিকথাঃ
(মন্দির ইতিকথাঃ)
পরৈকোড়ার কালীগঞ্জ বাজার শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির ।
 
== মন্দির স্থাপত্য ==ইতিকথাঃ
পরৈকোড়ার কালীগঞ্জ বাজার শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির । বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া গ্রামে অবস্থিত এক অনন্য ধর্মীয় পূণ্যভূমি শক্তিপীঠ, এক পরম পূণ্যময় স্থান ।এখানে এসে মানুষ পায় মায়ের স্নেহ ভরা আদরের পরশ, নিমিষে দূর হয়ে যায় জড় জাগতিক যন্ত্রনা,উপশম হয় ভব যাতনা। বৃটিশ আমলে জমিদার যোগেশ চন্দ্র রায় পরৈকোড়া শাসন করতেন।তখন থেকে প্রবাহমান চাঁন খালী খালের উপরে কালীগঞ্জ পুলটা পাড় হয়ে কালীগঞ্জ বাজারের পাশে শ্রী শ্রী দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির । মন্দিরে প্রতিমা ছিল,নিত্য পূজা পালন হত।খালের ভাঙ্গনে কালী মন্দিরটি বিলীন হয়ে যায়।মন্দিরের পাশে ছিল শ্মাশান, মন্দির পরিচালনা কমিটি বতর্মান স্থানে বেড়া দিয়ে কালী মন্দিরটি নির্মান করেন। ১৯৯১ সালের ঘূণিঝড়ে কালী মন্দিরটি বিধ্বস্ত হলে তখন হতে মন্দিরটির বহুদিন সংস্কার কাজ হয়নি।১৯৯৯ সালের সাবেক সভাপতি বাবু সাধন চন্দ্র দাশের(ডিলার) উদ্দ্যোগে সনাতন ধর্মীয় কিছু মানুষের আর্থিক সহযোগিতায় মন্দিরের আংশিক কাজ সম্পন্ন হয়।মাঝ পথে অর্থ অভাবে মন্দির নির্মান কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
হিন্দু ধর্মের বিভিন্ন শাখার কারণে বিভিন্ন মন্দিরে বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হলেও সকল মন্দিরের গঠনগত কাঠামোতেই কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মন্দিরের মূল স্থানগুলো হলোঃ
আংশিক নির্মিত মন্দিরটি একটি পূর্নাঙ্গ মন্দির নির্মানের জন্য এগিয়ে আসেন আমাদের গ্রামের জামাতা দেবব্রত বাবু ও তার শ্যালক কাজল মিত্র মহোদয়।তাদের অনুপ্রেরনায় তাহাদের অতি পরিচিত বিভিন্ন মঠ মন্দির ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বাবু সুধীর রঞ্জন দাশকে আজীবন সভাপতি করে ১০১ সদস্যর কমিটি করে মন্দির নির্মান কাজ শুরু হয়। অনেক বিওবান দানশীল ব্যাক্তি আর্থিক সহযোগিতায় করেন।গম্ভুজ আকৃতির এ মন্দির টাইলস্ দিয়ে তৈরী।মন্দিরে যে টাইলস্ গুলো লাগানো হয়েছে তাহা দান করেছেন আমাদের গ্রামের অতি পরিচিত চট্টগ্রাম জম্মাষ্ঠমী পরিষদের সাবেক সফল সাধারন সম্পাদক বাবু তপন দাশ মহোদয় ও আজীবন সভাপতি সুধীর রঞ্জন দাশ।মন্দিরে ডান পাশে ভোগ ঘর ,বাম পাশে দূর্গা মন্দির।চারিদিকে সবুজ গাছপালা মন্দিরের পরিবেশকে করেছে আরো মনোরম।প্রতিবছর শরৎকাল দূর্গোৎসব এবং কালীপূজার দিনে এখানে অতি আরম্ভর দূর্গোৎসব উদযাপিত হয়।আশে পাশের গ্রাম হতে শত শত দর্শনাথী এসে পূজা মন্ডপে ভাড় করে মাকে প্রনতি নিবেদন করে।মায়েঁর চরনে অঞ্জলী প্রদান করে। রাত্রিতে ঢাক ডোলের বাজনার তালে তালে চলতে থাকে আরতি।আরতির সময় তালে তালে দর্শনাথী হৃদয়ে এক অলৌকিক আনন্দের সঞ্চার হয়। সার্থক হয়,শারদীয়া ও কালীপূজার অনুষ্টান। এই কালী বাড়িতে ঘটেছে অনেক অলৌকিক ঘটনা।এক কালী ভক্ত মন্দির নির্মানের জন্য দুই হাজার টাকা দিলে তার ব্যবসায় প্রচুর অর্থ লাভ হয়।তিনি এখনও মন্দিরে দূর্গোৎসব ও কালীপূজা আর্থিক সহযোগিতায় করেন। আরেক ব্যাক্তি মুসলিম ধর্মের লোক হয়ে ২০০৭ সালে দূর্গাপূজার সময়ে সপ্তমী দিন ( আগের দিন স্বপ্ন দেখে) পূজা দেন। (মা কালীকে অনেক মানুষ
 
কালী বাড়ীর আশ পাশে দেখেছেন। পরৈকোড়া এ কালী বাড়ীতে দূর্গাপূজার সময় এক
=== বিমান ===
বার দূর্গাপূজার না হলে মনে হয় পরৈকোড়া কোথায়ও দূর্গাপূজা হচ্ছে না।)কতিত আছে একটি ছেলে এক কালী পূজার সময়ে মা কালীকে পাশের খালে বির্সজন দেয়ার সময় খালের মাঝখানে ডুবে যায়। অনেক খোজাখুজির পর তাকে পাওয়া যাছ্ছে না ।
'''বিমান''' বা '''দেউল''' হলো পবিত্র স্থান, এর অভ্যন্তরে থাকে গর্ভ গৃহ। বিমানের চারিদিকে '''প্রদক্ষিণ পথ''' থাকে যা দিয়ে ভক্ত গণ বিমানের চারিধারে প্রদক্ষিণ করতে পারেন।
তার মা মায়েঁর চরনে ছাগল বলি দিবেন বলে মানত করেন।পরক্ষনে ছেলেটি ভেসে উঠে।
 
মায়েঁর কৃপায় ছেলেটি প্রাঁনে বাচঁলো।কালিবাড়ির পাশে বাজার বসায় বাজারটির নামকরণ হয় মায়েঁর নামে কালীগঞ্জ বাজার।
=== শিখর ===
শিখর হলো বিমানের উপরের অংশ বা ছাদ, এটি সাধারণত চোঙ্গা জাতীয় হয়, অর্থাৎ নিচের দিকে চওড়া এবং ওপরের অংশে ক্রমশ সরু।
 
=== গর্ভ গৃহ ===
বিমানের অভ্যন্তরে যে কক্ষে ঐশ্বরিক প্রতীক, দেব-দেবতার মূর্তি ইত্যাদি রাখা হয় তাকে বলা হয় গর্ভ গৃহ। এটি সাধারণত ছোট, অন্ধকার একটি কক্ষ হয়ে থাকে। প্রবেশ পথ সাধারণত পূর্ব পার্শ্বে হয়।
 
=== প্রদক্ষিণ পথ ===
গর্ভ গৃহের চারিধারে অবস্থিত ভক্তগণের পরিভ্রমণ পথ।
 
=== মন্ডপ ===
'''মন্ডপ''' বা '''জগমোহন''' হলো ভক্তগণের সমাগমের নিমিত্ত থামবিশিষ্ট হলঘর। প্রার্থণার সময় ভক্তগণ এ অংশে সমাবেশ করেন। গর্ভ গৃহের প্রবেশ পথের সম্মুখেই মন্ডপ নির্মিত হয়। মন্ডপে '''অর্ধ-মন্ডপ''' বা '''মহা-মন্ডপ''' থাকতে পারে। মন্ডপের সামনে একটি বারান্দা মতন স্থানকে বলে অর্ধ-মন্ডপ, আর দু-পার্শ্বে বর্ধিত অংশ থাকলে তাকে বলে মহা-মন্ডপ।
 
=== অন্তরাল ===
কিছু মন্দিরের মন্ডপ ও বিমান আলাদা ভবন হিসেবে নির্মিত হয়। আবার কিছু কিছু মন্দিরে এ দুটো অংশ আলাদা। বিমান ও মন্ডপ সংযোগ করতে গেলে একটি অন্তর্বর্তী স্থানের উদ্ভব ঘটে। এই অন্তর্বর্তী স্থানটিই হলো '''অন্তরাল'''।
 
মন্দির স্থাপত্যের মূল ভাব(architectural expression) হলো রহস্যময়তা। মন্দির হলো পবিত্র দেবতার বসবাসের স্থান। বসবাসের স্থানটিকে ভাব-গাম্ভীর্যে সমৃদ্ধ করে তোলাটাই এর স্থাপত্যর বিন্যাস (architectural scheme)। হিন্দু মন্দিরের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সুচারু মূর্তি দিয়ে এর সর্বত্র সাজানো। মন্দিরের অভ্যন্তরভাগ অপেক্ষা বহির্ভাগ এক্ষেত্রে বেশি প্রাধান্য পায়। মন্দিরের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো অসংখ্য কুলুঙ্গি। দেয়াল ও এইসব কুলুঙ্গিতে বিভিন্ন দেব-দেবতার মূর্তি ও ছবি থাকে। প্রাচীন কিছু কিছু মন্দিরে অলঙ্করণ এত অত্যধিক মাত্রায় করা হত যে [[হিন্দু]] মন্দিরকে স্থাপত্য কীর্তির চেয়ে [[ভাস্কর্য]] হিসেবে সফলতর বলা যায়।
 
== চিত্রকক্ষ ==
বেনামী ব্যবহারকারী