"শাফী ইমাম রুমী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?)
| portaldisp = }}
 
'''শাফি ইমাম রুমী''' (জন্ম: [[মার্চ ২৯|২৯ মার্চ]], [[১৯৫২১৯৫১]] - নিখোঁজ: [[সেপ্টেম্বর ৩০|৩০ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৭১]]) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন গেরিলা যোদ্ধা। তিনি ছিলেন শহীদ জননী খ্যাত [[জাহানারা ইমাম|জাহানারা ইমামের]] জ্যেষ্ঠ পুত্র। <ref>[http://archive.prothom-alo.com/detail/news/165600 দৈনিক প্রথম আলো]</ref> জাহানারা ইমাম রচিত [[একাত্তরের দিনগুলি]] গ্রন্থে<ref name=GuardianBangladesh>{{cite news|last=Hensher|first=Philip|title=Bangladesh's bestseller about its brutal birth|url=http://www.theguardian.com/books/2013/mar/01/of-blood-and-fire-jahanara-imam-review|accessdate=29 December 2013|newspaper=The Guardian|date=1 March 2013}}</ref> রুমী অন্যতম প্রধান চরিত্র হিসেবে দেখা দেয় এবং তার মৃত্যুর জন্য জাহানারা ইমাম ''শহীদ জননী'' উপাধি পান।
 
== প্রারম্ভিক জীবন ==
শাফি ইমাম রুমী [[১৯৫২১৯৫১]] সালের ২৯ মার্চ শরীফ ও জাহানারা ইমামের উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। আই.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর ১৯৭১‌ সালের মার্চ মাসে রুমী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হন। তিনি ইলিনয় ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে সুযোগ পেলেও যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবার পর আদর্শগত কারণে দেশকে যুদ্ধের মধ্যে রেখে বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য পড়তে যাননি।
 
== মুক্তিযুদ্ধ ==
যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে, রুমী ধারাবাহিকভাবে তার মা ও বাবাকে নিজের যুদ্ধে যাবার ব্যাপারে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। ১৯৭১ সালের ১৯ এপ্রিল মাকে অবশেষে রাজি করিয়ে ২ মে রুমী সীমান্ত অতিক্রমের প্রথম প্রয়াস চালান। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে তাঁকে ফেরত আসতে হয় এবং দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সফল হন। তিনি সেক্টর-২ এর অধীনে মেলাঘরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই সেক্টরটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন [[খালেদ মোশাররফ]] ও [[রশিদ হায়দার]]। প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি ঢাকায় ফেরত আসেন এবং ক্র্যাক প্লাটুনে যোগ দেন। ক্র্যাক প্লাটুন হল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে [[গেরিলা]] আক্রমণ পরিচালনাকারী একটি সংগঠন। রুমী ও তার দলের ঢাকায় আসার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল
বেনামী ব্যবহারকারী