"দোলযাত্রা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে, কোন সমস্যা?)
বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন [[বৃন্দাবন|বৃন্দাবনে]] [[কৃষ্ণ|শ্রীকৃষ্ণ]] আবির ও গুলাল নিয়ে [[রাধা|রাধিকা]] ও অন্যান্য [[গোপী|গোপীগণের]] সহিত রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রায় বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন। দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই [[চৈতন্য মহাপ্রভু|চৈতন্য মহাপ্রভুর]] জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়।
 
দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়। [[শান্তিনিকেতন|শান্তিনিকেতনে]] বিশেষ নৃত্যগীতের মাধ্যমে বসন্তোৎসব পালনের রীতি [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের]] সময়কাল থেকেই চলে আসছে। দোলের পূর্বদিন খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এক বিশেষ বহ্নুৎসবেরবহ্ন্যুৎসবের আয়োজন করা হয়। এই বহ্নুৎসববহ্ন্যুৎসব [[হোলিকাদহন]] বা মেড়াপোড়ানেড়াপোড়া নামে পরিচিত। উত্তর ভারতে হোলি উৎসবটি বাংলার দোলযাত্রার পরদিন পালিত হয়।
 
== পৌরাণিক উপাখ্যান ও লোককথা ==
৭৫০টি

সম্পাদনা