রঞ্জন রশ্মি: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে, সমস্যা? এখানে জানান
(বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে, সমস্যা? এখানে জানান)
 
== বৈশিষ্ট্য ==
এক্সরে আর সাধারণ আলোর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল এদের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে। সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 7x10^-7m থেকে 4x10^-7m এর কাছাকাছি। এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10^-8m থেকে 10^-13m এর কাছাকাছি। সাধারণ আলো দৃশ্যমান এবং বিভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়। কিন্তু এক্সরে দৃশ্যমান নয়। এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এক্সরে আয়ন সৃষ্টিকারী বিকিরণ গ্যাসের মধ্য দিয়ে যাবার সময় গ্যাসকে আয়নিত করে, কিন্তু সাধারণ আলো তা করে না।
 
== প্রকারভেদ ==
 
== আবিষ্কার ==
বিজ্ঞানী রন্টজেন তড়িৎক্ষরন নলে(discharge tube) 10^-3mm পারদ চাপে বায়ুর মধ্যে তড়িৎরক্ষনের পরীক্ষা করতে গিয়ে লক্ষ করেন যে, নল থেকে কিছু দূরে অবস্থিত [[বেরিয়াম প্লাটিনোসায়ানাইড]] আবৃত পর্দায় প্রতিপ্রভার সৃষ্টি হচ্ছে। পরে তিনি আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরন নল থেকে ক্যাথোড রশ্মি যখন নলের দেয়ালে পড়ে তখন এই রশ্মির উৎপত্তি হয়। তিনি এই রশ্মির নাম রাখেন এক্সরে রশ্মি বা এক্সরশ্মি।
 
== সংজ্ঞা ==
৩,৮৭,৬২০টি

সম্পাদনা