"সুসমাচার" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?
(বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?)
[[ইসলাম]] ধর্মে ''[[ইঞ্জিল]]'' ([[আরবি ভাষা|আরবি]]: إنجيل) নামে একটি বইয়ের উল্লেখ আছে। ইসলাম মতে, এই বইটি ঈশ্বর যিশুর কাছে প্রকাশ করেছিলেন। ইঞ্জিল শব্দটি কোনো কোনো অনুবাদে 'গসপেল' অর্থাৎ সুসমাচার হয়েছে। ''[[কুরআন]]''-এ যে চারটি বইকে [[আল্লাহ্‌]]-কর্তৃক প্রকাশিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি তার একটি। তবে ইসলাম মতে, পরবর্তী যুগে ইঞ্জিলের কথা পালটে দেওয়া হয়েছিল। তাই ঈশ্বর নব [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদকে]] পাঠিয়েছিলেন শেষ বই ''[[কুরআন]]'' প্রকাশ করার জন্য।<ref>''Historical Dictionary of Prophets in Islam and Judaism'', B.M. Wheeler, ''Injil''</ref>
 
== ব্যুৎপত্তি ==
{{Christianity|state=collapsed}}
{{Main|যিশু খ্রিস্টের বাণী}}
 
"গসপেল" কথাটি হল গ্রিক "εὐαγγέλιον" বা "ইউয়ানজেলিয়ন" ("শুভ সংবাদ") অথবা আরামাইক "ܐܘܢܓܠܝܘܢ" বা "ইউয়াংএলিয়াওন" কথাটির আক্ষরিক অনুবাদ। গ্রিক "ইউয়ানজেলিয়ন" (এর এর [[লাতিন ভাষা|লাতিন]] প্রতিরূপ ''evangelium'' বা "ইভানগেলিয়াম") শব্দটি থেকে ইংরেজিতে "এভানজেলিস্ট" বা "[[ইভানজেলিজম]]"-এর উৎপত্তি। চারটি শাস্ত্রীয় খ্রিস্টান সুসমাচারের লেখকদের বলা হয় [[চার ইভানজেলিস্ট]]।
== ব্যবহার ==
[[পল (সন্ত)|পল]] [[করিন্থ|করিন্থের]] চার্চের লোকেদের কাছে "εὐαγγέλιον" (গসপেল বা সুসমাচার) শব্দটি প্রথম ব্যবহার করে বলেছিলেন, "বন্ধুগণ, আমি যে সুসমাচার তোমাদের কাছে প্রচার করছি, যা তোমরা গ্রহণ করেছ এবং যার উপরে তোমরা প্রতিষ্ঠিত হয়েছ, তার কথাই আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।"<ref>{{bibleref2|1 Corinthians|15:1}}</ref> সাহিত্যের একটি বর্গ হিসেবে "গসপেল" কথাটির প্রথম প্রয়োগ ঘটেছিল দ্বিতীয় শতাব্দীতে। [[জাস্টিন মার্টায়ার]] (১৫৫ খ্রিস্টাব্দ) তাঁর ''[[ফার্স্ট অ্যাপোলজি অফ জাস্টিন মার্টায়ার|অ্যাপোলজি]]''-তে লিখেছিলেন, "...প্রেরিতেরা তাঁদের স্মৃতিকথায় যা লিখেছিলেন, তা গসপেল নামে পরিচিত।"<ref>[http://earlychristianwritings.com/text/justinmartyr-firstapology.html 1 Apology 66]</ref>
 
সাধারণত, প্রাচীন খ্রিস্টীয় সাহিত্যে "গসপেল" ছিল একটি বিশেষ বর্গের নাম।<ref>Peter Stuhlmacher, ed., ''Das Evangelium und die Evangelien'', [[Tübingen]] 1983, also in English: ''The Gospel and the Gospels''</ref> যেগুলি শাস্ত্রীয় সুসমাচারের মর্যাদা পায়নি, সেগুলিও প্রাচীন খ্রিস্টধর্মের যুগে প্রচলিত ছিল। [[টমাসলিখিত সুসমাচার]] সহ এইরকম অনেকগুলি গসপেলেই সুসমাচারের পরিচিত কাঠামোটি দেখা যায় না।<ref name="Oxford:unspecified">Cross, F. L., ed. The Oxford Dictionary of the Christian Church. New York: Oxford University Press. 2005, unspecified article</ref>
 
== প্রাথমিক বিবরণ ==
{{ Main|মৌখিক সুসমাচার }}
বাইবেল-বিশেষজ্ঞদের মতে, যিশু সম্পর্কে লোকমুখে প্রচলিত গল্প ও কয়েকটি বিবরণীর সংকলন শাস্ত্রীয় সুসমাচারগুলির আগেই রচিত হয়েছিল। [[লূকলিখিত সুসমাচার|লূকলিখিত সুসমাচারের]] উৎসর্গ পৃষ্ঠার ভূমিকাটি থেজে জানা যায়, উক্ত সুসমাচারটি রচনার আগেই যিশু সম্পর্কে অনেক গল্প রচিত হয়েছিল।<ref>Stanley E. Porter ''Reading the Gospels today'' p100</ref> লুক যে শব্দটি (διήγησις ''diēgēsis'') ব্যবহার করেন, সেটি একটি [[প্রাচীন গ্রিক ভাষা|প্রাচীন গ্রিক]] শব্দ। সেটি ব্যবহৃত হত ঐতিহাসিক আখ্যান অর্থে।<ref>Charles H. Talbert ''Reading Luke: a literary and theological commentary'' 2002 p2 "(3) What exactly is Luke? The prologue (1:1–4) says it is a diegesis (account). The second-century rhetorician Theon defines diegesis as "an expository account of things which happened or might have happened". Cicero (De Inv. 1.19.27)"</ref>
 
"গসপেল" শব্দটি নূতন নিয়মের কোনো শাস্ত্রীয় সুসমাচারে ব্যবহৃত হয়নি। তবে পরবর্তীকালের একটি প্রথাগত পাঠ অনুযায়ী লূকলিখিত সুসমাচারে সুসমাচারের উল্লেখ দেখা যায়।<ref>F. F. Bruce ''Acts'' p383</ref>
== ঐক্যমূলক সুসমাচার ==
{{main|ঐক্যমূলক সুসমাচার}}
ম্যাথিউ, মার্ক ও লুকের সুসমাচারগুলিকে [[ঐক্যমূলক সুসমাচার]] বা সাইনপটিক মনে করা হয়। কারণ, এগুলির মধ্যে কিছু কিছু মিল পাওয়া যায় যা জনের সুসমাচারের মধ্যে পাওয়া যায় না। "সাইনপটিক" বলতে বোঝানো হয়েছে যা একসঙ্গে দেখা বা পড়া হয়েছে, যার অর্থ এই তিন সুসমাচারে অনেক ঘটনার মিল আছে। ঐক্যমূলক সুসমাচারগুলি অনেক জনপ্রিয় গল্প, উপকথা ও উপদেশের উৎস। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য [[যিশুর জন্ম]], [[যিশুর শৈলোপদেশ]], [[শেষ নৈশভোজ]] ইত্যাদি।
চতুর্থ সুসমাচার বা জনের লেখা সুসমাচারটি যিশুর জীবন ও তার পার্ষদদের অন্যরকম বর্ণনা দেয়।<ref>Understanding the Bible. Palo Alto: Mayfield. 1985.</ref> এই ধরনের পার্থক্যের জন্য গবেষকেরা সুসমাচারের বর্ণনাগুলির সত্যতাকে সন্দেহের চোখে দেখেন।<ref name = "Sanders">[[E. P. Sanders|Sanders, E. P.]], ''The historical figure of Jesus'', Penguin, 1993.</ref> তবে সাধারণভাবে ঐক্যমূলক সুসমাচার ও যিশুর সম্পর্কে অন্যান্য নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যগুলিকে তাঁরা সত্যই মনে করেন।<ref name = "Sanders"/>
 
== তথ্যসূত্র ==
{{reflist|colwidth=30em}}
 
== আরও পড়ুন ==
McGrath, A. 2001. ''In the Beginning the Story of the King James Bible and how it changed a Nation, a Language and a Culture''. Hodder & Stoughton. ISBN 0-340-78585-3.
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{wikiquote|Gospel|সুসমাচার}}
{{NIE Poster|year=1905}}
* [http://dubitando.no.sapo.pt/qevcon.htm Quattuor Evangeliorum Consonantia] – The Latin harmony of the Gospels (1)
* [http://dubitando.no.sapo.pt/qevconn.htm Quattuor Evangeliorum Consonantia] – The Latin harmony of the Gospels (2)
* [http://www.ParallelGospelsInHarmony.com Parallel Gospels in Harmony] Online version of the public domain book ''Parallel Gospels in Harmony&nbsp;— with Study Guide''
* [http://www.utoronto.ca/religion/synopsis/meta-4g.htm Synoptic Parallels] A web tool for finding corresponding passages in the Gospels
 
<!-- {{Books of the Bible}}
২,০০,১০৩টি

সম্পাদনা