ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?
(বট: আন্তঃউইকি সংযোগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা এখন উইকিউপাত্ত ...)
(বট কসমেটিক পরিবর্তন করছে; কোনো সমস্যা?)
'''ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিন''' (আগস্ট ৮, ১৭৪৮ - নভেম্বর ১, ১৮০৪) একজন প্রখ্যাত [[জার্মানি|জার্মান]] [[প্রাকৃতিক ইতিহাস|প্রকৃতিবিদ]], [[উদ্ভিদবিদ]], [[শম্বুকবিদ]], [[উভচরবিদ]] এবং [[পতঙ্গবিদ]]।
 
== শিক্ষাজীবন ==
[[Imageচিত্র:Göttingen-Grave.of.Johann.Friedrich.Gmelin.JPG|thumb|right|230px|ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিনের কবর, গটিঙ্গেন, শেল্টেনহামপারক]]
ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিন ১৭৪৮ সালে জার্মানির [[টুবিঙেন|টুবিঙ্গেনে]] জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন [[ফিলিপ ফ্রিডরিশ মালিন|ফিলিপ ফ্রিডরিশ মালিনের]] জ্যেষ্ঠ পুত্র।<ref>{{cite web |url=http://www.scs.uiuc.edu/~mainzv/Web_Genealogy/Info/gmelinjf.pdf |publisher=University of Illinois, Champaign-Urbana |work=School of Chemical Sciences Web Genealogy |title=Genealogy Database Entry: Gmelin, Johann Friedrich |last=Mainz |first=Vera V. |coauthors=Gregory S. Girolami |year=1998 |accessdate=2009-01-01}}</ref> তাঁর পিতার অধীনে [[টুবিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে তিনি মেডিসিন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। ১৭৬৮ সালে তিনি এম. ডি. ডিগ্রী লাভ করেন। তাঁর থিসিসের বিষয় ছিল ''Irritabilitatem vegetabilium, in singulis plantarum partibus exploratam ulterioribusque experimentis confirmatam''.<ref>[http://reader.digitale-sammlungen.de/en/fs1/object/display/bsb10958646_00003.html Irritabilitatem vegetabilium in singulis plantarum partibus exploratatam]</ref>
 
== কর্মজীবন ==
১৭৬৯ সালে মালিন টুবিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৭৭৩ সালে তিনি [[গটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়|গটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ে]] [[দর্শন|দর্শনের]] অধ্যাপক ও মেডিসিন বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৭৭৮ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন, রসায়ন, উদ্ভিদবিদ্যা ও খনিজবিদ্যার অধ্যাপক হন। ১৮০৪ সালে গটিঙেনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
মালিন তাঁর কর্মজীবনে মেডিসিন, [[রসায়ন]], [[উদ্ভিদবিজ্ঞান|উদ্ভিদবিদ্যা]] ও [[খনিজবিদ্যা|খনিজবিদ্যার]] উপর অসংখ্য পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন। তিনি ''সিস্টেমা নেচারি''র ১৩তম সংস্করণ ১৭৮৮ সালে প্রকাশ করেন। প্রচুর নতুন প্রজাতির [[উভচর]], [[সরীসৃপ]] ও [[পতঙ্গ]] তিনি আবিষ্কার করেন। তাঁর নামে একটি [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদের]] নাম রাখা হয়েছে ''Artemisia gmelinii''।
 
== প্রকাশনা ==
* {{cite book |last= Gmelin |first= Johann Friedrich |coauthors= Ferdinand Christoph Oetinger |title=Irritabilitatem vegetabilium, in singulis plantarum partibus exploraam ulterioribusque experimentis confirmatam | series = Thesis Tübingen |year= 1768 |oclc= 10717434 }}
* ''Allgemeine Geschichte der Gifte'', দুই খণ্ড, ১৭৭৬/১৭৭৭
* ''Allgemeine Geschichte der thierischen und mineralischen Gifte'', ১৮০৬
 
== তথ্যসূত্র ==
{{Reflist}}
 
== বহিঃসংযোগ ==
{{commons|Johann Friedrich Gmelin|ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিন}}
* [http://www.scs.uiuc.edu/~mainzv/Web_Genealogy/Info/gmelinjf.pdf Gmelin's chemical genealogy]
২,০০,১০৩টি

সম্পাদনা