প্রধান মেনু খুলুন

পরিবর্তনসমূহ

 
মল্ল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আদি মল্ল (জন্ম ৬৯৫ খ্রিস্টাব্দ)। তিনি [[কোতুলপুর]] থেকে {{convert|8.4|km}} দূরে লাউগ্রাম থেকে ৩৩ বছর শাসনকাজ চালিয়েছিলেন। ১৫ বছর বয়সেই তিনি একজন অপ্রতিদ্বন্দ্বী মল্লযোদ্ধা হয়ে ওঠেন। এই কারণেই তিনি আদি মল্ল নামে পরিচিত হন। তিনি বাগদি রাজা নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র জয় মল্ল সিংহাসনে বসেন। তিনি রাজ্যের সীমানা প্রসারিত করেন এবং বিষ্ণুপুরের রাজ্যের রাজধানী স্থাপন করেন। তাঁর পরের রাজারা রাজ্যের আয়তন আরও বৃদ্ধি করেছিলেন। এই বংশের রাজাদের মধ্যে কালু মল্ল, কাউ মল্ল, জৌ মল্ল ও সুর মল্লের নাম উল্লেখযোগ্য।
===বৈষ্ণবধর্ম===
[[File:Jor Mandir 4 Arnab Dutta 2011.JPG|thumb|জোড়মন্দির চত্বর (১৭২৬ খ্রিস্টাব্দ), বিষ্ণুপুর।]]
মল্ল রাজবংশের ৪৯তম শাসক বীর হাম্বির ১৫৮৬ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে বসেন। তিনি [[মুঘল সাম্রাজ্য|মুঘল সম্রাট]] [[আকবর|আকবরের]] সমসাময়িক ছিলেন। তিনি পাঠানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মুঘলদের সাহায্য করেছিলেন। মুসলমান ঐতিহাসিকদের রচনায় তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়। তিনি বাংলার শাসনকর্তাকে বার্ষিক কর পাঠিয়ে মুঘলদের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে নিয়েছিলেন। শ্রীনিবাস আচার্য তাঁকে [[বৈষ্ণবধর্ম|বৈষ্ণবধর্মে]] দীক্ষিত করে বিষ্ণুপুরে মদনমোহনের পূজা প্রচলন করেন।<ref name=omalley2/>
 
বীর হাম্বিরের পুত্র রঘুনাথ সিংহ প্রথম ক্ষত্রিয় উপাধি ব্যবহারকারী মল্ল রাজা। তাঁর সময় থেকে বিষ্ণুপুরে স্থাপত্যশিল্পের বিকাশ ঘটে। এই সময় বিষ্ণুপুরে অনেক বিশালাকৃতি মন্দির নির্মিত হয়। মল্ল রাজারা হিন্দু শিল্পকলা ও ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তবে এই সময় বিষ্ণুপুরের আর্থিক অবস্থারও অবনতি ঘটে। বীর সিংহ তাঁর আঠারো পুত্রকে জীবন্ত হত্যা করেছিলেন। কনিষ্ঠ পুত্র দুর্জনের প্রাণ রক্ষিত হয় পরিচারকদের তৎপরতায়। পরবর্তীকালে মল্ল রাজারা সামন্ত রাজায় পরিণত হয়েছিলেন। তবে [[মুর্শিদাবাদ|মুর্শিদাবাদের]] দরবারে তাঁদের সশরীরে উপস্থিত থাকতে হত না। সেখানে তাঁদের প্রতিনিধি থাকত।<ref name=omalley2/>
 
===পরবর্তীকাল===