"কলম" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
[[চিত্র:Quill Pen.JPG|thumb|150px|পালকের কলম বা কুইল ও কালির [[দোয়াত]]]]
* '''[[নিব কলম]]''' - সাধারণত [[কাঠ|কাঠের]] হাতলের সাথে একটি [[ধাতু|ধাতব]] নিব লাগিয়ে এই কলম তৈরি করা হয়। নিবটি ঝর্ণা কলমের নিবের মতই, তবে এই কলমে কোন কালি জমা রাখার উপযোগী কালিদানি নেই এবং লেখার সময়ে বারবার এটিকে কালিতে চুবিয়ে নিতে হয়। ঝর্ণা কলমের তুলনায় এই কলমে সুবিধা হল এই কলমে ঘন কালি (যেমন পিগমেন্ট) এবং ধাতব কালি ব্যবহার করা যায় যা ঝর্ণা কলমে জমে গিয়ে আটকে যায় অথবা [[মরিচা]] ধরে যায়। নিব কলম এখন প্রধানত [[অলংকরণ]], [[ক্যালিগ্রাফি]] এবং [[কমিকস]] আঁকার কাজে ব্যবহার হয়।
 
* '''[[কালির কলম]]''' - পূর্ব এশিয়ার লিপিবিদরা ঐতিহ্যগতভাবে এ ধরনের কলম ব্যবহার করতেন। এদেরকে ব্রাশ বা বুরুশও বলা হয়। কলমের মূল দেহটি সাধারণত [[বাঁশ]] দিয়ে তৈরি করা হত। এছাড়াও বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু দুর্লভ উপকরণ যেমন - [[লাল চন্দন গাছ]], [[কাচ]], [[হাতির দাত]], [[সোনা]],[[ রূপা]] প্রভৃতিও ব্যবহার করা হত। কলমের শীর্ষভাগটি বিভিন্ন ধরনের প্রাণীর (যেমনঃ [[বেজি]], [[শুকর]], [[বাঘ]], [[মোরগ]]) পাখা ও লোম হতে তৈরি করা হত।এককালে [[চীন]] এবং [[জাপান]] উভয় স্থানেই নতুন জন্ম নেওয়া শিশুর চুল দিয়ে এ ধরনের কলম তৈরি করার রেওয়াজ ছিল, যাদেরকে সারা জীবনের জন্য স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দেখা হত।
 
* '''[[কুইল]]''' বা '''[[পালকের কলম]]''' - সাধারণত [[রাজহাঁস]] বা বড়সড় পাখির [[পালক|পালকের]] তৈরি কলমকে কুইল (quill) বলে। ডিপ কলম, ঝর্ণা কলম ইত্যাদি আসার আগে কুইল ব্যবহৃত হত। পালকের ফাঁপা অংশ কালিদানি হিসেবে কাজ করত এবং কৈশিক পরিচলন প্রক্রিয়ায় কালির পরিচলন হত। [[মধ্যযুগ|মধ্যযুগে]] [[পার্চমেন্ট]] বা চামড়ার কাগজের উপরে কুইল দিয়ে লেখা হত। পালকের কলম বা কুইল এসে খাগের কলমকে প্রতিস্থাপিত করেছিল।
* '''[[খাগের কলম]]''' - খাগ বা [[নলখাগড়া]], [[বাঁশ]] ইত্যাদির একদিক সরু করে কেটে মাথাটা সূক্ষভাবে চিরে এই কলম তৈরি করা হত। এর যান্ত্রিক প্রক্রিয়া কুইলের মত।
[[চিত্র:WATERMAN CONCORDE.jpg|thumb|150px|right|ওয়াটারম্যান কোমপানীর কলম]]
 
== ইতিহাস ==
 
 
== তথ্যসূত্র ==
৫টি

সম্পাদনা