"মিখাইল বাকুনিন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
নৈরাজ্যবাদকে তার চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে গিয়ে হাজির করার জন্য মিখাইল বাকুনিন বিপ্লবের উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করেন। একটু গভীরভাবে বিচার করলে দেখা যায় যে, বাকুনিন তার নৈরাজ্যবাদ তত্ত্বকে বিবর্তনবাদ নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি বলেন যে- মানবজীবনের বিকাশ শুরু হয় এক অবস্থায়, কিন্তু তা বিবর্তনের ধারা বেয়ে পরিণতি লাভ করে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থায়। বিকাশের আদি পর্বে মানুষের জীবনে পশুপ্রবৃত্তি ও প্রাকৃতিক বাধা-বিপত্তিসমূহ বেশ প্রবল থাকে। এসব প্রতিকূল শক্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য রাষ্ট্র, ধর্ম, সম্পত্তি প্রভৃতি কর্তৃত্ব প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধিত হওয়ার ফলে যখন এসব প্রতিকূল শক্তি পরাজয় বরণ করে, তখন মানুষের জীবন এমন এক অবস্থায় উপনীত হয়, যে অবস্থায় কর্তৃত্ব প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের আর কোন প্রয়োজনীয়তা থাকে না।
 
 
বাকুনিন [[রাষ্ট্র]], [[ধর্ম]] ও [[সমাজব্যবস্থা]] সম্বন্ধে কিছু মৌলিক মতবাদের জন্য বিখ্যাত।
 
==তথ্যসূত্র==
{{Reflist}}
 
[[বিষয়শ্রেণী:১৮১৪-এ জন্ম]]
[[বিষয়শ্রেণী:কুভশিনোভস্কি জেলার ব্যক্তি]]
[[বিষয়শ্রেণী:মিখাইল বাকুনিন| ]]
[[বিষয়শ্রেণী:১৯শ-শতকেরশতাব্দীর দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নৈরাজ্যবাদ তাত্ত্বিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক দার্শনিক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রুশ রাজনৈতিক লেখক]]
[[বিষয়শ্রেণী:রাশিয়ার বিপ্লবী]]
 
 
বাকুনিন [[রাষ্ট্র]], [[ধর্ম]] ও [[সমাজব্যবস্থা]] সম্বন্ধে কিছু মৌলিক মতবাদের জন্য বিখ্যাত।
 
==তথ্যসূত্র==
{{Reflist}}