"মিখাইল বাকুনিন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
==জীবন ইতিহাস==
 
মিখাইল বাকুনিন রাশিয়ার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন একজন অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক। বাকুনিন প্রথমে সামরিক বিভাগে যোগদান করেন। চাকরির কারণে [[পোল্যান্ড|পোল্যান্ডে]] অবস্থানকালে পোলিশ বিদ্রোহীদের প্রতি সাম্রাজ্যবাদী রুশ সরকারের অমানবিক আচরণে ব্যথিত হয়ে তিনি চাকরিতে ইস্তফা দেন। অতঃপর [[হেগেলের দর্শন]] অধ্যয়ন করার জন্য তিনি [[জার্মানি]] গমন করেন। সেদেশের বিভিন্ন চরমপন্থী আন্দোলনের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন তিনি। জার্মানি থেকে তিনি [[প্যারিস|প্যারিসে]] চলে যান। প্যারিসে অবস্থানকালে [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্স]], [[ফ্রিড্‌রিশফ্রিডরিখ এঙ্গেলস|এঙ্গেলস]] ও [[পিয়েরে জোসেফ প্রুধঁ|প্রুধঁর]] সঙ্গে বাকুনিনের পরিচয় হয়। ইতিমধ্যে বাকুনিন পুরোমাত্রায় বিপ্লবীতে পরিণত হন এবং পোল্যান্ডের নির্বাসিত নেতাদের দ্বারা পরিচালিত ষড়যন্ত্রে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
 
চরমপন্থী মতবাদের জন্য ফরাসী সরকার বাকুনিনকে বহিষ্কৃত ঘোষণা করে। তিনি প্রথমে [[বেলজিয়াম]] ও পরে পুনরায় জার্মানিতে ফেরত আসেন। ১৮৪৯ সালে [[ডেসড্রেন বিদ্রোহ|ডেসড্রেন বিদ্রোহে]] অংশগ্রহণ করার অভিযোগে তাকে [[মৃত্যুদণ্ড]] প্রদান করা হয়। কিন্তু বাকুনিন বিদেশী নাগরিক হওয়ায় তার মৃত্যুদণ্ডাদেশ মওকুফ করে [[যাবজ্জীবন কারাদণ্ড]] প্রদান করা হয়। তাকে রুশ সরকারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখার পর স্থায়ীভাবে [[সাইবেরিয়া|সাইবেরিয়ায়]] নির্বাসিত করা হয়।
৩২,০২৮টি

সম্পাদনা