"তানসেন" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
(বট: 1 টি আন্তঃউইকি সংযোগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা এখন উইকিউপাত্তের - d:q469894 এ রয...)
 
বৃন্দাবন থেকে বিহাটে ফিরে তানসেন শিব মন্দিরে সঙ্গীত সাধনা শুরু করেন। লোকমুখে বলতে শোনা যায়, তার সঙ্গীতে মন্দিরের দেয়াল আন্দোলিত হত। স্থানীয়রা পূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে, তানসনের সঙ্গীতের কারণেই মন্দিরটি এক দিকে একটু হেলে পড়েছে। তানসেন সম্বন্ধে আরও কিছু অলৌকিক ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়। যেমন: বৃক্ষ ও পাথরকে আন্দোলিত করা, নিজ থেকেই বাতি জ্বালানো এবং যখন বৃষ্টির কোন চিহ্নই নেই তখন বৃষ্টি আনয়ন।
বাবা-মার মৃত্যুর পর তিনি হযরত গাউসের নিকট আসেন।তিনি একই সাথে তানসেনের সাঙ্গীতিক ও আধ্যাতিক গুরু ছিলেন।তবে তানসেন ইসলাম গ্রহন করেছিলেন কি না তা নির্ভরযোগ্য ভাবে জানা যায় না।এর পক্ষে ও বিপক্ষে দুইদিকেই প্রচুর মত পাওয়া যায়।যাই হোক, শিক্ষা শেষে তিনি [[মেওয়া]] বান্ধবগড়ের রাজা রামচন্দ্রের রাজকীয় আদালতে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজ দরবারে নবরত্নের একজন হিসেবে সঙ্গীতের সাধনা শুরু করেন।
 
তানসেনের দুজন স্ত্রী ও পাচ সন্তানের খবর পাওয়া যায়।সন্তানদের নাম ঃহামিরসেন,সুরাটসেন,বিলাস খান,তান্সান্স খান,সরস্বতী দেবী।
বাবা-মার মৃত্যুর পর তানসেন গোয়ালিয়রে ফিরে যান এবং এ সময়েই ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত হন। তাকে ইসলাম ধর্মে দিক্ষীত করেন সমকালীন বিখ্যাত সুফী সাধক '''শেখ মুহাম্মদ গাউস'''। গোয়ালিয়রের এই সাধু একই সাথে তার শিক্ষক এবং আধ্যাত্মিক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছিলেন। তানসেনের স্ত্রী হুসাইনিও একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম ছিলেন। তাদের চার পুত্র ও এক কন্যা ছিল। এরা সবাই সঙ্গীতের সাধনা করেছিল। শিক্ষা শেষে তিনি [[মেওয়া]] বান্ধবগড়ের রাজা রামচন্দ্রের রাজকীয় আদালতে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজ দরবারে নবরত্নের একজন হিসেবে সঙ্গীতের সাধনা শুরু করেন।
 
== গাউসের সমাধি ==
বেনামী ব্যবহারকারী