"শমসের গাজী" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

শমসের_গাজীর_নিমির্ত_মসজিদ.jpg ফাইলটি অপসারিত হয়েছে, কারণ কমন্স হতে Moogsi এটি মুছে ফেলেছেন
(শমসের_গাজীর_নিমির্ত_মসজিদ.jpg ফাইলটি অপসারিত হয়েছে, কারণ কমন্স হতে Moogsi এটি মুছে ফেলেছেন)
কৃষক-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অধিকার করে নেন জমিদারি। প্রজাবিদ্বেষী কর্মকান্ডের বিরোধিতা করে রোষানলের শিকার হন ত্রিপুররাজের। শুরু হয় তুমুল লড়াই। গর্জে ওঠেন ভাটির বাঘ। ভুখানাঙা চাষাভুষাদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন যুদ্ধক্ষেত্রে। হীরকডানায় ভর করে যুদ্ধক্ষেত্র দাপিয়ে বেড়ান তেজোদীপ্ত যবন বীর শমসের। শত্রুসেনা বিনাশ করতে করতে হয়ে ওঠেন অবিনাশী যোদ্ধা, অপ্রতিরোধ্য হস্তারক। অধিকার করে নেন রাজ-সিংহাসন। ত্রিপুরা রাজ্য শাসন করেন টানা এক যুগ। তাঁর কাছে কোণঠাসা হয়ে পড়ে ইংরেজ বেনিয়ারা।
 
 
[[File:শমসের গাজীর নিমির্ত মসজিদ.jpg|thumb|শমসের গাজীর নিমির্ত মসজিদ]]
 
ছাগলনাইয়ার চম্পকনগরে ভারতের সীমান্ত এলাকাটি শমসের গাজীর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে রয়েছে শমসের গাজীর সুড়ঙ্গ, শমসের গাজীর দীঘি এবং আরও অনেক কিছু। তবে তার প্রাসাদসহ অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ ভারতের ত্রিপুরার মধ্যে ভাগ হয়ে রয়ে গেছে।