"মার্বেল খেলা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

==খেলার নিয়মাবলী==
মার্বেল খেলার জন্য কমপক্ষে দুইজন খেলোয়াড় দরকার হয়। তিন, চার, পাঁচ, বা সাতজন মিলেও খেলা যায়। পরিষ্কার সমতল ভুমি এই খেলার জন্য উপযোগী।
মার্বেল খেলা সাধারনত দুই প্রকারের হয়ে থাকে
একটিতে চিনেমাটির একটু মোটা ধরনের গুটি ব্যবহার করা হয়। মোট ছেলেরা দলটিকে দুই ভাগে ভাগ করে। একটি ছোট ১০ সেমি বাহু বিশিষ্ট বর্গাকার ঘর কাটা হয়।
 
প্রথমে দুইটি একটি রেখা টানতে হয়। রেখা থেকে চার-পাঁচ হাত দূরে একটি গর্ত করতে হয় যেন একটি মার্বেল সেই গর্তে বসতে পারে। আঞ্চলিক ভাষায় রেখাটিকে ‘জল্লা’(কোথাও ‘জই’ নামে পরিচিত) এবং গর্তটিকে ‘কেপ’ বলে। জল্লার বাইরে পা রেখে প্রত্যেকে একটি করে মার্বেল কেপ এ ফেলার চেষ্টা করে। যার মার্বেল কেপ এ পড়ে বা সবচেয়ে কাছে যায় সে প্রথম দান পায়। সবাই প্রথম যে দান পায় তার হাতে ২/৩/৪টি করে মার্বেল জমা দেয়।
যে কেউ দান জিতলে আবার পুনরায় খেলা শুরু হয়। এভাবেই চলতে থাকে যতক্ষণ না প্রতিপক্ষ আত্মসমর্পণ করে কিংবা তার কাছের মার্বেল শেষ না হয়ে যায়।
 
[[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের গ্রামীণ খেলাধুলা]]খেলাধুল
৪টি

সম্পাদনা