"মোহাম্মদ হাফিজ" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

অধিনায়কত্ব
(খেলোয়াড়ী জীবন)
(অধিনায়কত্ব)
 
২০০৫ সালে ওডিআইয়ে ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতা থাকলেও [[বোলিং (ক্রিকেট)|বোলিংয়ে]] পারঙ্গমতা দেখান। ২০০৬ সালে [[অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল|অস্ট্রেলিয়া]] [[সফর|সফরে]] হাফিজ [[সেঞ্চুরী (ক্রিকেট)|সেঞ্চুরী]] করেন। উপযুক্ত উদ্বোধনী জুটির সন্ধানে টেস্টে তাকে ডেকে নেয়া হয় ও [[ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল|ইংল্যান্ডে]] যান। [[দি ওভাল|ওভালে]] ৯৫ রান করেন। নভেম্বরে নিজ দেশে [[ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল|ওয়েস্ট ইন্ডিজের]] বিপক্ষে খেলেন। প্রথম দুই টেস্টে তেমন ভাল না করলেও করাচীতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় টেস্টে তার দ্বিতীয় শতক তুলে নেন। তারপরও ধারাবাহিকতার অভাবে পরবর্তী ৫ বছর টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে অনিয়মিত দেখা যায়।
 
== অধিনায়কত্ব ==
মে, ২০১২ সালে পাকিস্তান টি২০ দলের অধিনায়করূপে মনোনীত হন। এছাড়াও, [[মিসবাহ-উল-হক|মিসবাহ-উল-হকের]] নেতৃত্বাধীন ওডিআই এবং টেস্ট দলের সহ-অধিনায়কত্ব করে আসছেন। সেপ্টেম্বর, [[২০১২ আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০|২০১২]] সালে [[শ্রীলঙ্কা|শ্রীলঙ্কায়]] অনুষ্ঠিত টি২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে পাকিস্তান সেমি-ফাইনালে পৌঁছলেও [[শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল|স্বাগতিক দলের]] কাছে হেরে যায়। [[প্রতিযোগিতা]] শেষে সাবেক [[অল-রাউন্ডার (ক্রিকেট)|অল-রাউন্ডার]] [[আব্দুল রাজ্জাক (ক্রিকেটার)|আব্দুল রাজ্জাকের]] সাথে কিছুটা বিতর্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও [[পিসিবি|পিসিবি'র]] সাথে তার মতানৈক্য ঘটে। কিন্তু [[কোচ (ক্রীড়া)|কোচ]] [[ডেভ হোয়াটমোর|ডেভ হোয়াটমোরের]] কাছ থেকে সমর্থন পান তিনি এবং অনেক খেলোয়াড়ের দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর কথা তুলে ধরেন। পিসিবি কমিটি হাফিজের নৈপুণ্যতাকে আরো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের কথা তুলে ধরে [[ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল|ভারত]] ও [[দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল|দক্ষিণ আফ্রিকা]] সফরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।<ref>http://sports.ndtv.com/icc-world-twenty20/news/item/198178-pcb-not-happy-with-mohammad-hafeezs-unilateral-approach</ref>
 
== তথ্যসূত্র ==
৬৮,৫৯১টি

সম্পাদনা