কোরাজন অ্যাকুইনো: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

রাজনৈতিক জীবন
(ইনফো!)
(রাজনৈতিক জীবন)
 
'''মারিয়া কোরাজন সুমুলং "কোরি" কোজুয়াংকো-অ্যাকুইনো''' ({{lang-en|Maria Corazon Sumulong "Cory" Cojuangco-Aquino}}; [[জন্ম]]: [[২৫ জানুয়ারি]], [[১৯৩৩]] - [[মৃত্যু]]: [[১ আগস্ট]], [[২০০৯]]) [[ফিলিপাইন|ফিলিপাইনের]] বিশিষ্ট [[রাজনীতিবিদ]] ছিলেন। [[ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টদের তালিকা|ফিলিপাইনের একাদশ প্রেসিডেন্টরূপে]] দায়িত্ব পালন করেন। ফিলিপাইন তথা [[এশিয়া মহাদেশ|এশিয়া মহাদেশের]] ''প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি'' হিসেবে ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে রয়েছেন। ১৯৮৬ সালের সাধারণ জনগণের [[ভোট]] বিপ্লবে তিনি ক্ষমতাসীন সাবেক স্বৈরশাসক [[ফার্দিন্যান্দ মার্কোস|ফার্দিন্যান্দ মার্কোসকে]] গদিচ্যুত করার পাশাপাশি ফিলিপাইনে [[গণতন্ত্র]] সুসংহত করেন। ১৯৮৬ সালে বিখ্যাত [[টাইম সাময়িকী|টাইম সাময়িকীর]] পক্ষ থেকে তিনি [[টাইম বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব|বছরের সেরা নারী ব্যক্তিত্বরূপে]] মনোনীত হন।
 
== প্রারম্ভিক জীবন ==
কোরাজন নিজেকে পরিপূর্ণভাবে [[গৃহিণী|গৃহিণীরূপে]] আখ্যায়িত করেছেন।<ref name=fb>{{cite speech|title=Corazon Aquino Speaks to Fulbrighters|author=Aquino, Corazon|date=1996-10-11|location=Washington, D.C.|url=http://www.fulbrightalumni.org/olc/pub/FBA/fulbright_prize/aquino_address.html|accessdate=2008-04-15}}</ref> সিনেটর [[বেনিগনো অ্যাকুইনো, জুনিয়র|বেনিগনো অ্যাকুইনোর]] সাথে [[বিবাহ|বিবাহ-বন্ধনে]] আবদ্ধ হন। বেনিগনো অ্যাকুইনো তৎকালীন [[রাষ্ট্রপতি]] ফার্দিন্যান্দ মার্কোসের তুখোড় সমালোচক ছিলেন। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] থেকে চার বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে আসার পরপরই ২১ আগস্ট, ১৯৮৩ তারিখে বেনিগনো অ্যাকুইনো [[নিহত]] হন। এরপর কোরাজন মার্কোস সরকারের বিপক্ষে প্রবল প্রতিপক্ষীয় নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।
 
== রাজনৈতিক জীবন ==
১৯৮৫ সালের শেষদিকে প্রেসিডেন্ট মার্কোস [[নির্বাচন|নির্বাচনের]] ঘোষণা দেন। ফলে অ্যাকুইনো রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে নিজেকে হাজির করান। তাঁর উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাবেক সিনেটর [[সালভেদর লরেল|সালভেদর লরেলকে]] মনোনীত করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। [[বাতাস্যাং পামবানসা]] কর্তৃক প্রথমে মার্কোসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও তিনি তা নাকচ করে দেন। তিনি ব্যাপকভাবে গণবিক্ষোভের ডাক দেন এবং নিজেকে প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে প্রশাসনের প্রতারণার কথা তুলে ধরেন। ফিলিপিনোরা একবাক্যে তাঁর ডাকে সাড়া দেন ও সভা-সমাবেশ আহ্বান করে। এরফলে মার্কোস একঘরে হয়ে পড়েন এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে কোরাজন অ্যাকুইনোকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার প্রদান করতে বাধ্য হন। অ্যাকুইনো এ আন্দোলনকে ''জনশক্তির আন্দোলনরূপে'' আখ্যায়িত করেন।
 
== তথ্যসূত্র ==
৭৭,৩২৫টি

সম্পাদনা