"কবর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

=== মাযার জিয়ারত ===
[[ইসলাম]] ধর্মে মাযার জিয়ারতের আদেশ নেই। কোন মাযার জিয়ারদের উদ্দেশ্যে ভ্রমণও [[জায়েয]] নয়। তবে ভ্রমণকালে কোন কবরস্থান বা মাজারের নিকটবর্তী হলে তা জিয়ারত করা যায়। কবরকে সিজদাহ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
===মাজার শরীফ যিয়ারত===
হাদীস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে, “হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদে (নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে) সফর করোনা। মসজিদুল হারাম, মসজিদুল আক্বসা ও আমার এই মসজিদ (মসজিদুন্‌ নববী)।” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ)
এই হাদীস শরীফের ব্যাখ্যায় হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিম্নোক্ত হাদীস শরীফখানা বর্ণনা করেন, “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, কোন ব্যক্তি যদি ঘরে নামাজ পড়ে তবে তার এক নামাজে এক নামাজের সওয়াব পাবে। আর যদি পাঞ্জেগানা মসজিদে নামাজ পড়ে তবে এক নামাজে ২৫ নামাজের সমান সওয়াব পাবে। আর যদি জুমুয়ার মসজিদে এক নামাজ পড়ে তবে ৫০০ নামাজের সওয়াব পাবে আর যদি মসজিদুল আক্বসায় এক নামাজ পড়ে তবে ৫০ হাজার নামাজের সওয়াব পাবে। আর মসজিদুন্‌ নববীতে যদি এক নামাজ পড়ে তবেও ৫০ হাজার নামাজের সওয়াব পাবে। আর যদি ক্বাবা শরীফে এক নামাজ পড়ে তবে ১ লাখ নামাজের সওয়াব পাবে।” (ইবনে মাযাহ, মিশকাত)
বেনামী ব্যবহারকারী