"আহমেদ আকবর সোবহান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

== কর্মজীবন ==
 
১৯৭৮ সালে [[আহমেদ আকবর সোবহান]] অভ্যন্তরীণ সেবা খাতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবাসয়িক যাত্রা শুরু করেন। [[বসুন্ধরা গ্রুপ|বসুন্ধরা গ্রুপের]] পথচলা শুরু হয় ‘ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রাঃ) লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে, যা পরবর্তীতে ‘বসুন্ধরা হাউজিং’ হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। গূণগত মান এবং সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠেছে ভোক্তাদের আস্থার অন্য নাম।
এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম ছিলো না কখনোই। বহু চৎরাই উৎরাই, বাঁধা পার হতে হয়েছে। কিন্তু [[আহমেদ আকবর সোবহান থেকেছেন]] কখনো বিচ্যুতনিজ হননিনীতি নিজথেকে নীতিবিচ্যুত থেকে।হননি। অটল থেকেছেন নিজের লক্ষ্যে। সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য্য এবং নিরলস প্রচেষ্টায় নিজ হাতে তিনি [[বসুন্ধরা গ্রুপ|বসুন্ধরা গ্রুপকে]] নিয়ে এসেছেন আজকের এই বিশাল ব্যাপ্তি এবং বিরাট অবস্থানে। ইস্পাত ও প্রকৌশল, কাগজ, টিস্যু, [[সিমেন্ট]], এলপি গ্যাস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, কাগজজাত পণ্য, ড্রেজিং, জাহাজ শিল্প, খাদ্য ও পানীয়, লোহার নল উৎপাদনসহ অন্তত তিন ডজনেরও বেশি নানা মাত্রার বৃহৎ শিল্পখাতে নিজেদের ব্যবসায়ের ব্যাপ্তি বিস্তার করেছে [[বসুন্ধরা গ্রুপ।গ্রুপ]]। [[আহমেদ আকবর সোবহান|আহমেদ আকবর সোবহানের]] সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা এবং বিচক্ষণ তদারকিতে [[বসুন্ধরা গ্রুপ]] অবকাঠমোগতভাবে অর্জন করেছে যথেষ্ঠ দক্ষতা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যোগ্যতা লাভ করেছে। [[বসুন্ধরা গ্রুপ|বসুন্ধরা গ্রুপের]] শিল্পউদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আমদানিনির্ভরতানানা কমেছেপণ্যে নানাআমদানিনির্ভরতা পণ্যে।কমেছে।
[[বসুন্ধরা গ্রুপ]] কেবল ব্যবসায়িক খাতই নয়, তৈরি করেছে বিরাট কর্মক্ষেত্রও। এই গ্রুপের নানা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কর্মরত আছেন প্রায় ৫০ হাজার কর্মী। এছাড়াও নানাভাবে [[বসুন্ধরা গ্রুপ|বসুন্ধরা গ্রুপে]] কাজ করছেন প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। রাজস্বখাতে বিরাট অবদানের মাধ্যমে দেশীয় আর্থসামাজিক উন্নয়নেও ভীষণ অবদান রাখছে বসুন্ধরা।[[বসুন্ধরা গ্রুপ|বসুন্ধরা]]। বহু বছর ধরেই দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজস্বদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম ধরে রেখেছে [[বসুন্ধরা গ্রুপ। গ্রুপ]]।
 
== সামাজিক কর্মকান্ড ==
২৯টি

সম্পাদনা