ইয়োহান ফ্রিডরিশ মালিন: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

কিছু হাইপারলিঙ্ক যোগ।
(+)
(কিছু হাইপারলিঙ্ক যোগ।)
১৭৬৯ সালে মালিন টুবিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিসিন বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৭৭৩ সালে তিনি [[গটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়|গটিঙেন বিশ্ববিদ্যালয়ে]] [[দর্শন|দর্শনের]] অধ্যাপক ও মেডিসিন বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৭৭৮ সালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন, রসায়ন, উদ্ভিদবিদ্যা ও খনিজবিদ্যার অধ্যাপক হন। ১৮০৪ সালে গটিঙেনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
মালিন তাঁর কর্মজীবনে মেডিসিন, [[রসায়ন]], [[উদ্ভিদবিজ্ঞান|উদ্ভিদবিদ্যা]][[খনিজবিদ্যা|খনিজবিদ্যার]] উপর অসংখ্য পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন। তিনি ''সিস্টেমা নেচারি''র ১৩তম সংস্করণ ১৭৮৮ সালে প্রকাশ করেন। প্রচুর নতুন প্রজাতির [[উভচর]], [[সরীসৃপ]][[পতঙ্গ]] তিনি আবিষ্কার করেন। তাঁর নামে একটি [[উদ্ভিদ|উদ্ভিদের]] নাম রাখা হয়েছে ''Artemisia gmelinii''।
 
==প্রকাশনা==