আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

'ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন অপরাধ সমূহ' সংযোজন
('ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন অপরাধ সমূহ' সংযোজন)
 
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালের ১৯ নম্বর আইন হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন ১৯৭৩ প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে যুদ্ধাপরাধের ব্যাখ্যায় খুন, নির্যাতন, বেসামরিক লোকদের বাংলাদেশের রাজ্যসীমায় দাসশ্রমিক হিসেবে ব্যবহার এবং দেশ থেকে বিতাড়ন, যুদ্ধবন্দী ও সাধারণ বন্দীদের হত্যা এবং সামরিক প্রয়োজনের বহির্ভূত ধ্বংশাত্মক কার্যকলাপ, ব্যক্তিগত ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি দখলকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের বিচারকার্যে জড়িত অভিজ্ঞ অধ্যাপক ইয়েশেখের কাছে পরামর্শ গ্রহণের জন্য ব্যারিস্টার সোহরাব আলীকে পাঠানো হয়। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি [[মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান]] বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ন্যূন্যতম যে দক্ষতা ও নিবেদিতপ্রাণ প্রসিকিউটরের প্রয়োজন ছিল তার বড়ই অভাব ছিল। এছাড়াও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে দোদূল্যমানতা এবং সর্বোপরি উপমহাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিচার না হওযার কারণ বলে তিনি মনে করেন।<ref name="Rahman"/>
 
==ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন অপরাধ সমূহ==
এই ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা দল, সেনাবাহিনী কিংবা তাদের সহযোগী সশস্ত্রবাহিনীর বিচারের ক্ষমতা রাখে।<ref> {{cite web | url = http://bdlaws.minlaw.gov.bd/sections_detail.php?id=435§ions_id=12479 | title = THE INTERNATIONAL CRIMES (TRIBUNALS) ACT, 1973 ( Jurisdiction of Tribunal and crimes) | accessdate = 2012-08-08 | author = গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়}}</ref>
 
*[[মানবতা বিরোধী অপরাধ]] (Crimes against Humanity)
*[[শান্তি বিরোধী অপরাধ]] (Crimes against Peace)
*[[গণহত্যা]] (Genocide)
*[[যুদ্ধাপরাধ]] (War Crimes)
*১৯৪৯ সালের [[জেনেভা কনভেনশন]] বিরোধী কাজ
*[[আন্তর্জাতিক আইন]] অনুসারে যে কোন অপরাধ ইত্যাদি
 
== যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত অন্যান্য আইনসমূহ ==
৩১৯টি

সম্পাদনা