"রজঃস্রাব" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

 
===বিলম্বিত রজঃস্রাব===
মাসিক রজঃস্রাব প্রথম শুরু হয় সাধারণত: এগারো বা বারো বছর বয়সে এবং তার পর থেকে প্রতিমাসে নিয়মিতভাবে হয়। প্রথম রজঃস্রাব নয় বছর বয়সে অর্থাৎ একটু আগেও শুরু হতে পারে। আবার একটু দেরিতেও অর্থাৎ বারো বা তেরো বছর বয়সে কিংবা এর কিছু পরেও শুরু হতে পারে। যদি আঠারো বছর বয়সেও মাসিক রজঃস্রাব শুরু না হয় তবে তা সমস্যা গণ্য করে চিতিৎসাচিকিৎসা নিতে হয়। সে ক্ষেত্রে শারীরিক ও হরমোনজনিত কোনো প্রকার অস্বাভাবিকতা আছে কি না, তা নির্ণয় করা আবশ্যক।
 
 
==রজ:ক্ষান্তি==
রজঃস্রাব শুরু হয় কিশোরীরা যখন বয়:সন্ধিতে উপনীত হয়। এরপর রজ:চক্র দীর্ঘদিন চলতে থাকে। নারী প্রেৌঢ়ত্বে উপনীত হলে তা বন্ধ হয়ে যায় যাকে বলা হয় রজ:ক্ষান্তি ([[ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি]]: Menopause)। প্রথমে রজ:স্রাবের পরিমাণ হ্রাস পায় এবং রজ:স্রাবের সময় পরিধি কমে আসে। এক সময় রজ:স্রাব সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হয়ে যায়। এ সময়ে নারী দেহে নানা রকম উপসর্গ পরিলক্ষিত হয়। মনোপজ বা রজ:ক্ষান্তি যাওয়া মহিলাদের জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়। সাধারণতঃ ৪৩ থেকে শুরু করে ৫৩ বৎসরের মধ্যে নারীর জীবনে রজ:ক্ষান্তি অধ্যায়ের শুরু হয়। নারীর বয়স ৪০ পার হওয়ার পর থেকে [[ডিম্বাশয়|ডিম্বাশয়ের]] কার্যকারিতা আস্তে আস্তে কমতে থাকে। প্রত্যেক মহিলার তলপেটে জরায়ুর দু’ধারে দুটি ডিম্বাশয় থাকে। এর কাজ হল ডিম্বস্ফুটন এবং [[হরমোন]] নিঃসরণ। বেশিরভাগ মেয়েলি হরমোন [[ইসট্রোজেন]] ও [[প্রজেসটেরন]], পুরুষের হরমোন [[টেসটোসটেরন]] সামান্য নিঃসরণ হয়। রজঃস্রাব শুরুর পর থেকে প্রতি মাসে একেকটি ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বস্ফুটন হয় ও হরমোনগুলো বের হতে থাকে। ৪০ বছরের পর থেকে হরমোন নিঃসরণ কমতে থাকে। প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে। এ স্বাভাবিক ঘটনায় মন খারাপ করার কিছু নেই।
৩টি

সম্পাদনা