"আসিফ হোসেন খান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

আসিফের শ্যুটিং ক্যারিয়ারের সুচনা ঘটে [[পাবনা]] শ্যুটিং ক্লাবে। শ্যুটিংয়ের চেয়ে এথলেটিক্সকেই বেশি আকর্ষণীয়
মনে করলেও তিনি ১৯৯৯ এবং ২০০০ সালে আন্তঃ-ক্লাব শ্যুটিং চ্যাম্পিয়নশিপ ছিনিয়ে নেন। তখনো এথলেটিক্সের ভক্ত আসিফ
যোগ দেন [[ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান|বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের]] (বিকেএসপি) এথলেটিক্স প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে। তার ক্যারিয়ার
পরিকল্পনা মোড় নেয় যখন তার কোচ তাকে নবগঠিত শ্যূটিং দলে যোগ দিতে আহ্বান জানান। আসিফ রাজি হলেও তার মূলে আগ্রহের
চেয়ে দায়িত্ববোধই ছিল বেশি। পরবর্তীতে তিনি স্বীকার করেন যে বিকেএসপির কোচরা তার ভিতরে জয় করার মানসিকতা জাগিয়ে
সিফ ২০০২ বাংলাদেশ গেমসে অংশ নিয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন। জাতীয় দলের সেচ্ছাসেবকরা তার সাফল্য চিহ্নিত করেন এবং সেই
বছরের কমনওয়েলথ গেমসের ক্যাম্পে তার ডাক পড়ে। আসিফ এই আমন্ত্রণে বিস্মিত হন এবং সেখানে আরও কঠিন পরিস্থিতির
সম্মুখীন হন। কিন্তু তার প্রতিভা এবং কঠোর পরিশ্রম দিয়ে তিনি সবাইকে বিমুগ্ধ করেন এবং জাতীয় দলের জন্য মনোনীত হন।<ref>[http://www.thedailystar.net/suppliments/2006/15thanniv/sports/sports06.htm The Daily Star report]</ref>
 
 
 
== তথ্যসূত্র ==
৬,০৭০টি

সম্পাদনা