"নোয়ার চলচ্চিত্র" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

+
(+)
 
নোয়া সিনেমার কাহিনী অনেক ধরণের হতে পারে— কেন্দ্রীয় চরিত্রটি হতে পারে কোন প্রাইভেট গোয়েন্দা বা নজরদারিতে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি (''দ্য বিগ স্লিপ'', ১৯৪৬), সাদা পোশাকের পুলিশ (''দ্য বিগ হিট'', ১৯৫৩), বয়স্ক মুষ্টিযোদ্ধা (''দ্য সেট-আপ'', ১৯৪৯), অন্যের নির্ভরতা আদায়ের পর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে এমন কোন দুর্ভাগা (''নাইট অ্যান্ড দ্য সিটি'', ১৯৫০), কোন ন্যায়নিষ্ঠ নাগরিক যে ভাগ্যচক্রে অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়ে (''গান ক্রেজি'', ১৯৫০) অথবা কেবল পরিস্থিতির শিকার কোন সাধারণ মানুষ (''ডি.ও.এ.'', ১৯৫০)। নোয়া সিনেমা এক সময় কেবল [[যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে]] বানানো হলেও পরবর্তীতে অনেক দেশেই এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। ১৯৬০-এর দশকের পরে নির্মীত অনেক চলচ্চিত্রে ধ্রুপদী যুগের নোয়া সিনেমার নিয়মাবলী ব্যবহার করতে দেখা যায়। পরবর্তী কালের এসব নোয়া-সদৃশ সিনেমাকে বলা হয় [[নব্য-নোয়া]] চলচ্চিত্র। অন্যদিকে নোয়া সিনেমার আলঙ্কারিক দিকগুলো নিয়ে সেই ১৯৪০-এর দশক থেকেই ব্যঙ্গাত্মক ছবি নির্মীত হয়ে আসছে।
 
==পটভূমি==
===চলচ্চিত্র থেকে===
নোয়া সিনেমার নান্দনিকতা অনেকাংশেই [[জার্মান অভিব্যক্তিবাদ]] দ্বারা প্রভাবিত। ১৯১০ থেকে ১৯২০-এর দশক পর্যন্ত মূলত [[জার্মানির চলচ্চিত্র|জার্মান]] নাটক, আলোকচিত্র, চারুকলা, ভাস্কর্য, স্থাপত্য এবং সিনেমায় এই বিপ্লব দেখা দিয়েছিল। [[হলিউড|হলিউডে]] সুযোগ সুবিধা অনেক বেশি থাকায় এবং জার্মানিতে দিনদিন [[নাৎসি]] পার্টির প্রভাব বাড়তে থাকায় সে সময় জার্মানিতে কর্মরত অনেক চলচ্চিত্রকার ও কুশলী যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান যার মাঝে অনেকেই সরাসরি অভিব্যক্তিবাদের সাথে জড়িত ছিলেন অথবা তার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে পড়াশোনা করেছেন।<ref>Bould (2005), pp. 24–33.</ref>
 
==সর্বকালের সেরা নোয়া চলচ্চিত্র==
| ১০ || ৮.২ || [[নটরিয়াস]] || Notorious || ১৯৪৬ || আলফ্রেড হিচকক
|}
{| style="width:9460%; margin:auto; text-align:center; font-size:100%; clear:both;"
|-
| style="text-align:centerleft;"|
! style="background:#dbdaba; font-weight:normal; line-height:normal;"| <span style="font-size: 14px;">'''মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ফিল্ম রেজিস্ট্রিতে অন্তর্ভুক্ত ধ্রুপদী নোয়া চলচ্চিত্রসমূহ'''
|-
১৩,৪৫৫টি

সম্পাদনা