"নীহাররঞ্জন রায়" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(+ সম্প্রসারণ)
প্রাথমিক শিক্ষা ময়মনসিংহে সম্পন্ন হয়। শ্রীহট্টের [[মুরারীচাঁদ কলেজ]] থেকে ইতিহাসে অনার্স সহ বি, এ পাস করেন ১৯২৪ সালে। পরে [[কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে ১৯২৬ সালে প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের শিল্পকলা শাখায় এম এ পাস করে রেকর্ড মার্ক সহ প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান লাভ করেন। ১৯২৭ সালে [[কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]]-এ রিসার্চ ফেলো হিসাবে নিযুক্ত হয়ে গবাষণায় ব্রতী হন। বৃত্তি নিয়ে ১৯৩৫ সালে [[ইউরোপ]] যান এবং [[হল্যান্ড]]-এর [[লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী এবং লন্ডন থেকে [[গ্রন্থাগার]] পরিচালনা বিষয়ে ডিপ্লোমা নেন।
== কর্মজীবন ==
প্রাচীন ভারতের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৩৭ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গ্রন্থাগারিক নিযুক্ত হন। ১৯৪৬ সালে শিল্পকলা বিষয়ে রানী বাগেশ্বরী অধ্যাপক পদে বৃত হন কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েই। ১৯৬৫ সালে অবসর গ্রহণের পর তাঁকে প্রফেসর এমিরেটস করা হয়। সিমালয়সিমলায় প্রতিষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব এ্যডভান্সএ্যাডভান্স স্টাডিজ প্রতিষ্ঠানের প্রথম পতিচালক হয়ে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ঐ পদ অলঙ্কৃত করে ছিলেন। [[ইউনেস্কো]]-এর প্রতিনিধি রূপেপ্রতিনিধিরূপে [[ব্রহ্মদেশ]] সরকারের সংস্কৃতি ও ইতিহাস-বিষয়ক উপদেশক ছিলেন ১৯৭৩-৭৬ সাল পর্যন্ত।
 
এছাড়াও, বিভিন্ন সময়ে - লাইব্রেরি অ্যাসোশিয়েশন অফ গ্রেট ব্রিটেন, লন্ডন; রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটি অফ গ্রেট ব্রিটেন, লন্ডন; রয়েল সোসাইটি অফ আর্টস, লন্ডন; ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোশিয়েশন অফ আর্টস, জুরিখ; [[এশিয়াটিক সোসাইটি]], কলকাতা'র ফেলো নির্বাচিত হন।
 
== রাজনৈতিক জীবন ==
ছাত্রবস্থা থেকেই তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এক সময়ে রাজনীতি ও সাংবাদিকতা করেছেনঃ আকৃষ্ট হয়েছিলেন [[অনুশীলন সমিতি|অনুশীলন সমিতির]] প্রতি, [[অসহযোগ আন্দোলন]]-এ অংশ নিয়েছিলেন, [[সুভাষচন্দ্র বসু]] প্রতিষ্ঠিত ইংরেজি লিবার্টি পত্রিকার সাহিত্য বিভাগ পরিচালনা করেছেন। আর এস পি(Revolutionary Socialist party) দলের সঙ্গে যুক্ত হন এবং দলের মুখপত্র ক্রান্তির পরিচালনা মন্ডলীতে ছিলেন। ১৯৪২ সালে [[ভারত ছাড় আন্দোলন]]-এ অংশ নেওয়ায় কারাবরণ করেন।
৭৪,৫০৮টি

সম্পাদনা