"আতা" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

সম্পাদনা সারাংশ নেই
| binomial_authority = [[Carolus Linnaeus|L.]]
}}
 
 
 
'''আতা''' [[অ্যানোনেসি]] (Annonaceae) পরিবারভুক্ত এক ধরণের যৌগিক ফল। এটি '''[[শরিফা]]''' এবং '''[[নোনা]]''' নামেও পরিচিত। এই ফলের ভিতরে থাকে ছোট ছোট কোষ। প্রতিটি কোষের ভেতরে থাকে একটি করে বীজ, বীজকে ঘিরে থাকা নরম ও রসালো অংশই খেতে হয়। পাকা ফলের বীজ কালো এবং কাঁচা ফলের বীজ সাদা। বীজ বিষাক্ত। <ref name="FNA">{{cite journal
== আতা গাছ ==
 
[[বাংলাদেশ]] ও [[ভারত|ভারতে]] এটি বসতবাড়ীর আঙিনায় এবং বনে-জঙ্গলে জন্মে থাকে। তবে [[থাইল্যান্ড]], [[অস্ট্রেলিয়া]] ও [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে]] এর বাণিজ্যিক চাষাবাদ হয়ে থাকে। আতা গাছ [[বৃক্ষ]] জাতীয় উদ্ভিদ। গাছের আকার খুব বড় নয় ; উচ্চতায় ৩ থেকে ৫ মিটার। শীতকালে এর পাতা ঝরে যায় এবং বসন্তকালে নতুন পাতা গজায়, ফুল ধরে। পাতার আকৃতি বল্লমের মতো, অগ্রভাগ সরু। এর ফুল দেখতে [[কাঁঠালী চাঁপা|কাঁঠালী চাঁপার]] মতো যার রঙ হালকা সবুজ থেকে সবুজাভ হলুদ হয়ে থাকে । কাঁচা ফল খাওয়া যায় না। বেলে দো-আঁশ মাটিতে আতা গাছ ভাল জন্মে। ফলের বীজ বা বীচি থেকে বা কলম করে এর চারা করা হয়। এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল ধরে এবং ৪/৫ মাসের মধ্যে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ফল পেকে যায়। আতাফল হৃৎপিন্ড আকৃতির হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও শর্করা জাতীয় খাদ্যোপদান রয়েছে। পাকা আতার শাঁস মিস্টি হয়ে থাক্ খাওয়ার সময় জিভে চিনির মতো মিহি দানা দানা লাগে। এর কিছু ভেষজ গুণ রয়েছে। যেমন পাকা আতার শাঁস বলকারক, বাত-পিত্তনাশক ও বমনরোধক।<ref>মৃত্যুঞ্জয় রায়: ''বাংলার বিচিত্র ফল''। দিব্য প্রকাশ,২০০৭, ঢাকা। ISBN 984-483-266-7 পৃ: ৯৪।</refname="FNA">{{cite journal
| last =Flora of North America
| authorlink =Flora of North America
| title = 1. Annona Linnaeus, Sp. Pl. 1: 536. 1753; Gen. Pl. ed. 5, 241, 1754
| volume =3
| url = http://www.efloras.org/florataxon.aspx?flora_id=1&taxon_id=101891
| accessdate = 2008-04-20 }}</ref> কাঁচা ফল খাওয়া যায় না। বেলে দো-আঁশ মাটিতে আতা গাছ ভাল জন্মে। ফলের বীজ বা বীচি থেকে বা কলম করে এর চারা করা হয়। এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে ফুল ধরে এবং ৪/৫ মাসের মধ্যে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ফল পেকে যায়। আতাফল হৃৎপিন্ড আকৃতির হয়ে থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও শর্করা জাতীয় খাদ্যোপদান রয়েছে। পাকা আতার শাঁস মিস্টি হয়ে থাক্ খাওয়ার সময় জিভে চিনির মতো মিহি দানা দানা লাগে। এর কিছু ভেষজ গুণ রয়েছে। যেমন পাকা আতার শাঁস বলকারক, বাত-পিত্তনাশক ও বমনরোধক।<ref>মৃত্যুঞ্জয় রায়: ''বাংলার বিচিত্র ফল''। দিব্য প্রকাশ,২০০৭, ঢাকা। ISBN 984-483-266-7 পৃ: ৯৪।</ref>
 
পাকা ফল সুমিষ্ট হওয়ার কারণে অনেক সময়ই পোকার সংক্রমণ হয়, সাদা রঙের পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয় ফল।
৯৫৩টি

সম্পাদনা