প্রধান মেনু খুলুন

বিলি রেমন্ড ডকট্রোভ (ইংরেজি: Billy Doctrove; জন্ম: ৩ জুলাই, ১৯৫৫) ডোমিনিকার মারিগট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনেও রেফারীর দায়িত্বে ছিলেন বিলি ডকট্রোভ

বিলি ডকট্রোভ
Billy Doctrove.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামবিলি রেমন্ড ডকট্রোভ
জন্ম (1955-07-03) ৩ জুলাই ১৯৫৫ (বয়স ৬৪)
মারিগট, ডোমিনিকা
ডাকনামতোশ্যাক
আম্পায়ারিং তথ্য
টেস্ট আম্পায়ার৩৮ (২০০০–২০১২)
ওডিআই আম্পায়ার১১২ (১৯৯৮–২০১২)
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
উৎস: ক্রিকইনফো, ৪ জুন ২০১০

ফুটবল রেফারীসম্পাদনা

১৯৯৬ সালে ফিফা বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের গায়ানাগ্রেনাডার মধ্যকার খেলায় রেফারীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বেশকয়েকটি আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলাও পরিচালনা করেছেন তিনি। ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলের খেলা পরিচালনা থেকে অবসর নেন।

বিশ্ব ও ইংরেজ ফুটবলের দিকে দৃষ্টিনিবদ্ধ রাখতেন। লিভারপুল ফুটবল ক্লাবের একনিষ্ঠ সমর্থক তিনি। লিভারপুলের সাবেক স্ট্রাইকারের নামানুসারে ‘তোস্যাক’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেছেন তিনি। এছাড়াও তিনি ডোমেনিকান ফুটবল রেফারী সংস্থা ও উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডস ক্রিকেট আম্পায়ার সংস্থার সভাপতি।

ক্রিকেট আম্পায়ারসম্পাদনা

১৯৯৭ সালে ফুটবল রেফারী হিসেবে অবসর নেয়ার পর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট পরিচালনার দিকে ঝুঁকে পড়েন। এপ্রিল, ১৯৯৮ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড তাকে প্রথমবারের মতো খেলা পরিচালনার জন্য নিযুক্ত করে। সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ডের মধ্যকার একদিনের আন্তর্জাতিকে তার সাথে পীচের অন্যপ্রান্তে ছিলেন জনপ্রিয় আম্পায়ার স্টিভ বাকনর

মে, ২০০০ সালে প্রথম টেস্ট খেলা পরিচালনায় অগ্রসর হন। অ্যান্টিগুয়া রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তানের মধ্যকার খেলা ছিল ঐটি।

২০০২ সালে আইসিসি আম্পায়ারদের এমিরেটস আন্তর্জাতিক তালিকায় সদস্য হন। চার বছর এ প্যানেলের সদস্য ছিলেন। এ সময়ে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল পরিচালনা করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত ২০১০ সালের আইসিসি বিশ্ব টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা পরিচালনা করেন তিনি।

এপ্রিল, ২০০৬ সালে আইসিসি’র সেরা আম্পায়ার তালিকার সদস্য হিসেবে মনোনীত হন।

বিতর্কসম্পাদনা

২০ আগস্ট, ২০০৬ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত টেস্টের চতুর্থ দিনে পাকিস্তান-ইংল্যান্ডের খেলায় ড্যারেল হেয়ারের সাথে খেলা পরিচালনা করেন। একপর্যায়ে তারা পাকিস্তান দলের বিপক্ষে বলে ক্ষত সৃষ্টি করার বিষয়ে অভিযোগ আনেন। এ প্রেক্ষিতে তারা অতিরিক্ত পাঁচটি রান ইংল্যান্ড দলকে দেন ও নতুন বল গ্রহণ করার প্রস্তাব করেন। চা-বিরতি পর্যন্ত খেলা চলার পর পরের অধিবেশনে পাকিস্তান দল মাঠে নামতে অস্বীকৃতিজ্ঞাপন করে।[১] এরপর আম্পায়ারদ্বয় বেল ফেলে ইংল্যান্ডকে বিজয়ী ঘোষণা করে। ২৬ মিনিট পর পাকিস্তান দল মাঠে ফিরে আসলেও হেয়ার ও ডকট্রোভ খেলা পরিচালনায় আর আসেননি।[২]

অবসরসম্পাদনা

৭ জুন, ২০১২ তারিখে ডকট্রোভ আইসিসি’র আম্পায়ারের ভূমিকা থেকে নিজেকে অবসর নেয়ার কথা ঘোষণা করেন। এর কারণ হিসেবে রয়েছে ডোমিনিকায় পারিবারিক সান্নিধ্য লাভ। ৫৪ বছর বয়স্ক ডকট্রোভ ৩৮ টেস্ট, ১১২ ওডিআই এবং ১৭ টি২০ আন্তর্জাতিক পরিচালনা করেছেন। এক লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান যে, ‘অবিশ্বাস্যভাবে আমি ১৪ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সময় দিতে পেরেছি এবং প্রত্যেক মুহূর্তকেই উপভোগ করেছি আমি’।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Inzamam charged by ICC"The Guardian। ৭ জুন ২০১২। 
  2. Cricinfo staff (২০ আগস্ট ২০০৬)। "As the chaos unfolded"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১২ 
  3. Cricinfo staff (৭ জুন ২০১২)। "Billy Doctrove retires from international cricket"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১২ 

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা