বিপাশা হায়াত

বাংলাদেশি অভিনেত্রী

বিপাশা হায়াত (জন্ম: ২৩ মার্চ, ১৯৭১)[১][২] একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী।[৩] তিনি টিভি অভিনেতা আবুল হায়াতের কন্যা। তাঁর ছোট বোন নাতাশা হায়াতও একজন টিভি অভিনেত্রী। বিপাশা হায়াত জনপ্রিয় অভিনেতা নাট্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক তৌকির আহমেদের স্ত্রী [৪]এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

বিপাশা হায়াত
জন্ম (1971-03-23) ২৩ মার্চ ১৯৭১ (বয়স ৫০)
জাতীয়তাবাংলাদেশবাংলাদেশি
শিক্ষাচারুকলায় স্নাতকোত্তর
মাতৃশিক্ষায়তনচারুকলা ইনস্টিটিউট (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
পেশাঅভিনয়, সংলাপ রচনা, চিত্রকলা
দাম্পত্য সঙ্গীতৌকির আহমেদ (বি. ১৯৯৯)
সন্তান
পিতা-মাতাআবুল হায়াত (বাবা)
মাহফুজা খাতুন শিরিন (মা)
আত্মীয়নাতাশা হায়াত (বোন)
শাহেদ শরীফ খান (দুলাভাই)
পুরস্কারজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী পুরস্কার

অভিনয় জীবনসম্পাদনা

নব্বই এর দশকে জনপ্রিয় অনেক টিভি নাটকে অভিনয়ই তাকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে । মঞ্চনাটকেও তিনি সমানভাবে সফল ছিলেন, কিন্তু বিয়ের পর মঞ্চনাটকে অভিনয় ছেড়ে দেন ।

চিত্রশিল্পসম্পাদনা

বিপাশা হায়াত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতক পাশ করেন ।[৫] তিনি তার আঁকা ছবি প্রদর্শন করেন না বললেই চলে । ২০০৯ সালের মে মাসে তিনি তার আঁকা ছবি এসিড আক্রান্ত নারীদের সাহায্যার্থে আয়োজিত প্রদর্শনীতে দান করেন ।[৬]

চলচ্চিত্রসম্পাদনা

তিনি দুটি মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন - আগুনের পরশমণিজয়যাত্রা । তার প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি পরিচালনা করেছেন হুমায়ুন আহমেদ । এ ছবিতে তিনি মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা শহরে আটকে পড়া এক তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন । চরিত্রের নাম রাত্রি, যিনি এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম (বদি) (আসাদুজ্জামান নূর অভিনীত) ভালোবেসে ফেলেন । বদিউল আলম বৃষ্টির সময় একরাতে বাড়িতে আশ্রয়ের জন্যে আসেন । বদিউল আলম নামের সেই গেরিলা যোদ্ধার প্রতি রাত্রির প্রেম যুদ্ধের সময় গেরিলা যোদ্ধাদের প্রতি সাধারণ মানুষের মমতা ও সমর্থনের প্রতিফলন । তৌকির আহমেদ পরিচালিত জয়যাত্রা চলচ্চিত্রে তার চরিত্র ভিন্ন ধরনের । এ ছবিতে পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে পলায়নরত এক মধ্যবয়ষ্কা নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যে তার সন্তানকে হারিয়ে ফেলে । দুটি চলচ্চিত্রেই তার অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছে প্রশংসিত হয় । বিপাশা হায়াত আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Sarwat, Nadia (২৫ জুলাই ২০০৮)। "Asaduzzaman Noor and the leading ladies"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৮-১১ 
  2. Shah Alam Shazu (২৩ মার্চ ২০১৭)। "My art expresses how I feel about life"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৩-২৩ 
  3. http://ananda-alo.com/index.php?option=com_content&view=article&id=762%3A2013-03-19-11-52-25&Itemid=8
  4. "Tauquir-Bipasha working under Abul Hayat's direction"The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-১৪ 
  5. http://www.thedailystar.net/2006/06/12/d606121401159.htm
  6. http://www.thedailystar.net/magazine/2007/03/01/end.htm

বহিঃসংযোগসম্পাদনা