বার্নার্ড জুলিয়েন

ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার

বার্নার্ড ডেনিস জুলিয়েন (ইংরেজি: Bernard Julien; জন্ম: ১৩ মার্চ, ১৯৫০) ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর কারেনেজ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, কেন্টের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম কিংবা বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন বার্নার্ড জুলিয়েন

বার্নার্ড জুলিয়েন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামবার্নার্ড ডেনিস জুলিয়েন
জন্ম (1950-03-13) ১৩ মার্চ ১৯৫০ (বয়স ৭০)
কারেনেজ, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম
বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৪৮)
২৬ জুলাই ১৯৭৩ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৮ মার্চ ১৯৭৭ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই১৬ মার্চ ১৯৭৭ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৬৮–১৯৮২ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
১৯৭০–১৯৭৭কেন্ট
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৪ ১২ ১৯৫ ১১৫
রানের সংখ্যা ৮৬৬ ৮৬ ৫,৭৯০ ১,৪৫০
ব্যাটিং গড় ৩০.৯২ ১৪.৩৩ ২৪.৫৩ ১৮.৩৫
১০০/৫০ ২/৩ ০/০ ৩/২৭ ১/৩
সর্বোচ্চ রান ১২১ ২৬* ১২৭ ১০৪
বল করেছে ৪,৫৪২ ৭৭৮ ২৯,০২৫ ৫,৪৫০
উইকেট ৫০ ১৮ ৪৮৩ ১৫৩
বোলিং গড় ৩৭.৩৬ ২৫.৭২ ২৮.৭১ ২১.৯৭
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৫
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৫৭ ৪/২০ ৯/৯৭ ৫/২১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪/– ৪/– ১২৬/– ২৮/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ৪ জানুয়ারি ২০১৮

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

২৬ জুলাই, ১৯৭৩ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে বার্নার্ড জুলিয়েনের। লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মনোরম সেঞ্চুরি করতে পেরেছিলেন তিনি। এর অল্প কিছুদিন পর ৫ সেপ্টেম্বর তারিখে একই দলের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক ঘটে তার। ১৯৭৫ সালে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে খেলার সুযোগ হয় তার।[১] ঐ প্রতিযোগিতায় ক্লাইভ লয়েডের নেতৃত্বাধীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল শিরোপা লাভ করে। ১৯৭৬ সাল শেষে বিশ্বের ১নং ওডিআই খেলোয়াড়ের মর্যাদা লাভ করেন বার্নার্ড জুলিয়েন।

বিতর্কসম্পাদনা

১৯৭৭ সালে ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮২-৮৩ ও ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে তৎকালীন বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে নিষিদ্ধ ঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকায় সফরের ফলে বার্নার্ড জুলিয়েনের খেলোয়াড়ী জীবনের সমাপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা


আরও দেখুনসম্পাদনা