বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগার

বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগার (জার্মান: Bayerische Staatsbibliothek, সংক্ষেপে বিএসবি, ১৯১৯-এর পূর্বে Bibliotheca Regia Monacensis before নামে পরিচিত ছিল) জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের মিউনিখ শহরে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় গ্রন্থাগার। এটি ইউরোপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থাগার। ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী এখানে প্রায় ১০.৩৬ মিলিয়ন বই রয়েছে। পৃথিবীর সেরা গবেষণা গ্রন্থাগারের মধ্যে এই গ্রন্থাগার অন্যতম। গ্রন্থাগারের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ পৃথিবীর অন্যতম উল্লেখযোগ্য। এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইনকুনাবুলার সংগ্রহ রয়েছে। এছাড়াও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ রয়েছে এই গ্রন্থাগারে।

বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগার
জার্মান: Bayerische Staatsbibliothek
Bavarian State Library - library logo with the English claim.png
Fassade v. links.jpg
বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগার, মিউনিখ
দেশজার্মানি
ধরনএকাডেমিক গ্রন্থাগার, আঞ্চলিক গ্রন্থাগার
প্রতিষ্ঠিত১৫৫৮ (1558)
অবস্থানমিউনিখ, বাভারিয়া
পরিষেবা এলাকাবাভারিয়া রাজ্য
স্থানাঙ্ক৪৮°০৮′৫০″ উত্তর ১১°৩৪′৫০″ পূর্ব / ৪৮.১৪৭২২° উত্তর ১১.৫৮০৫৬° পূর্ব / 48.14722; 11.58056স্থানাঙ্ক: ৪৮°০৮′৫০″ উত্তর ১১°৩৪′৫০″ পূর্ব / ৪৮.১৪৭২২° উত্তর ১১.৫৮০৫৬° পূর্ব / 48.14722; 11.58056
সংগ্রহ
সংগৃহীত আইটেম
  • ৩,৩৪,৩১,৬০৮
  • ২৩,৩০,৪১৯ (অনলাইন)
আকার১,০৬,২৯,৭৬৪ (২০১৭) উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
অন্যান্য তথ্য
পরিচালকক্লস চিনোয়া
ওয়েবসাইটbsb-muenchen.de
মানচিত্র
গ্রন্থাগারের দৃষ্টিনন্দন সিড়ি

১৬৬৩ সাল থেকে চালু হওয়া আইন অনুযায়ী বাভারিয়ায় প্রকাশিত যেকোনো লেখার দুই কপি এই গ্রন্থাগারে জমা দিতে হয়। আইনটি এখনও চালু রয়েছে। জার্নাল ধারণকারী গ্রন্থাগারের মধ্যে ব্রিটিশ গ্রন্থাগারের পরই বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগারের অবস্থান। এই গ্রন্থাগার কর্তৃক বিশেষায়িত জার্নাল বিবলিওথেকসফোরাম এবং ২০০৭ সাল থেকে বার্লিন রাজ্য গ্রন্থাগারের সাথে যৌথভাবে বিবলিওথেকসম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। গ্রন্থাগারের ভবন লুডভিগসট্রাসেতে অবস্থিত।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
আকাশ থেকে গ্রন্থাগারের দৃশ্য

১৫৫৮ সালে ডিউক পঞ্চম আলবার্টের কাউন্ট গ্রন্থাগার হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমদিকে বইয়ের দুইটি সংগ্রহ এখানে ছিল। এদের একটি ছিল অস্ট্রিয়ান আইনবিদ, ওরিয়েন্টালিস্ট জোহান আলবার্ট উইডমানাস্টাটারের এবং অন্যটি আগসবার্গ‌ পেট্রিসিয়ান জোহান জ্যাকব ফাগারের। ধীরে ধীরে এতে অন্য আরো সংগ্রহ যুক্ত হয়।

১৫৬১ সালে আজিডিয়াস ওরটেল এখানকার প্রথম গ্রন্থাগারিক নিযুক্ত হন। জেসুইটরা ছিল গ্রন্থাগারের প্রধান ব্যবহারকারী। ডিউক পঞ্চম উইলিয়াম সংগ্রহ আরো বৃদ্ধি করেন। ১৬০০ সালে সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭,০০০ ভলিউম।

১৮০৩ সালে এতে প্রায় ৫,৫০০০০ ভলিউম এবং ১৮,৬০০ পাণ্ডুলিপি যুক্ত হয়। ১৮৪৩ সালে ভবনের নতুন নকশার নির্মাণ সম্পন্ন হয়। ১৯১৯ সালে বর্তমান নামে গ্রন্থাগারের নামকরণ করা হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৫,০০,০০০ ভলিউম এখান থেকে খোয়া যায়। এছাড়াও বইয়ের সংগ্রহের কিছু অংশ ভবন থেকে সরানো হয়েছিল। ভবনের ৮৫% এসময় ধ্বংস হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে নতুন নির্মা‌ণকাজ এবং সরিয়ে রাখা সংগ্রহ পুনরায় স্থাপনের কাজ শুরু হয়।

১৯৯৭ সালে গ্রন্থাগারে বৃহৎ আকারে ইন্টারনেট প্রকল্প চালু হয়। ডিজিটাইজেশন অন ডিমান্ড প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি ইউরোপিয় গ্রন্থাগারকে একটি নেটওয়ার্ক প্রদান করা হয়।

কর্মসম্পাদনা

  • সাধারণ ও গবেষণা গ্রন্থাগার
  • মুক্ত রাজ্য বাভারিয়ার কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় এবং সংগ্রহস্থল গ্রন্থাগার
  • বাভারিয়ার আঞ্চলিক আইনি সংরক্ষণ ও প্রকাশনার সংগ্রহ
  • জার্মান জাতীয় গ্রন্থাগারবার্লিন রাজ্য গ্রন্থাগার সহযোগে জার্মানির ভার্চুয়াল জাতীয় গ্রন্থাগারের অংশ
  • মিউনিখ ডিজিটাইজেশন সেন্টারের পরিচালনা
  • জার্মান রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিশেষ বিষয় সংগ্রহের দায়িত্ব
 
বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগারের পরিদৃশ্য, জুলাই ২০০৯

ব্যবহারসম্পাদনা

২০১৬ সালে গ্রন্থাগারের ৬৯,৫০০ জন নিবন্ধিত সদস্য ছিল। প্রতিদিন প্রায় ৩,০০০ পাঠক পাঠকক্ষ ব্যবহার করেন। সাধারণ পাঠকক্ষে প্রায় ১,১১,০০০ ভলিউম বই রয়েছে। এসকল বই বিনামূল্যে পড়া যায়। সাময়িক পাঠকক্ষে প্রায় ১৮,০০০ সাময়িক সংগ্রহ রয়েছে। পাণ্ডুলিপি, পুরনো প্রকাশিত বই, মানচিত্র, ছবি, সঙ্গীত, পূর্ব ইউরোপ, প্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়ার বিভাগের জন্য পৃথক পৃথক পাঠকক্ষ রয়েছে। সাধারণ পাঠকক্ষে ব্যবহারের জন্য প্রতিদিন প্রায় ১,৫০০ ভলিউম সংগ্রহশালা থেকে সংগ্রহ করা হয়। ২০১০ সালে একটি নতুন গবেষণা পাঠকক্ষ চালু হয়। এতে ইতিহাস বিজ্ঞান ও বাভারিয়ার ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সংগ্রহশালাসম্পাদনা

 
গ্রন্থাগারে বইয়ের তাক
 
গ্রন্থাগারে বইয়ের তাক
 
গ্রন্থাগারে বইয়ের তাক
  • প্রায় ১০.৭৬ মিলিয়ন বই
  • প্রায় ১,৩৮,০০০ মিলিয়ন পাণ্ডুলিপি; এই সংগ্রহের ক্যাটালগটি গ্রন্থাগারিক জোহান আন্দ্রেস স্কেমেলার (১৭৮৫–১৮৫২) কর্তৃক প্রণীত।
  • ল্যাটিন, প্রায় ১৭,০০০টি
    • মুলোমেডিসিনা কিরোনিস, ৪র্থ‌ শতাব্দী
    • ব্রেভিয়ারিয়াম আলারিকি, ৬ষ্ঠ শতাব্দী
    • পার্প‌ল এভাঞ্জেলিয়ারি, ৯ম শতাব্দী
    • কোডেক্স অরেসাস, আনুমানিক ৮৭০ সাল
    • কম্পিউটিস্টিক এমএস. অব সেইন্ট এমেরাম, ৯ম শতাব্দীর প্রথম অংশ
    • প্রেয়ারবুক অব অটো থ্রি, আনুমানিক ১০০০ সাল
    • এভাঞ্জেলিয়ারি অব অটো থ্রি, আনুমানিক ১০০০ সাল
    • পেরিকোপস অব হেনরি টু
    • সাকরামেন্টারি অব হেনরি টু
    • উটা কোডেক্স, আনুমানিক ১০২৫ সাল
    • রুডিলেব রোমান অংশ, আনুমানিক ১০৫০
    • স্কেয়েরের মেটুটিনালবাচ
    • কারমিনা বুরানা
    • প্রথম ম্যাক্সিমিলিয়ানের প্রার্থনা গ্রন্থ
    • মিউনিখ ম্যানুয়েল
  • জার্মান (কোডিসেস জারমানিকি মোনাসেনসাস), প্রায় ১০,৫০০টি
    • নিবেলাঙ্গেনলিন্ডের পাণ্ডুলিপি এ[১]
    • ফ্রেইসিন পাণ্ডুলিপি
    • ভেসোব্রান প্রেয়ার
    • মাসপিলি
    • পারজিভাল
    • ট্রিস্টান
  • গ্রীক (কোডিসেস), ৬৪৫ টি
  • স্লাভিক (কোডিসেস), ১০০টি
    • মিউনিখ সার্বিয়ান সাল্টার, ১৩৭০ সালের পরে
  • সঙ্গীত পাণ্ডুলিপি, আনুমানিক ৩৭,০০০টি
  • চিত্রায়িত পাণ্ডুলিপি, প্রায় ৫৫০টি
    • ফেচবাচ
    • choir books by Orlando di Lasso (Mus. ms. A I+II)
    • উসমানীয় যুগের চিত্রায়িত পাণ্ডুলিপি[২]
  • ৫৯,০০০টি বর্তমান পিরিওডিকাল
  • ২০,০০০টি ইনকুনাবুলা
    • গুটেনবার্গ বাইবেল
  • ১,১৪০,০০০টি ডিজিটাইজড ভলিউম

ক্ষেত্রসমূহসম্পাদনা

  • ইতিহাস, সাধারণ
  • প্রাক-ইতিহাস ও প্রাচীন ইতিহাস
  • বাইজেন্টিয়াম
  • ধ্রুপদি বিষয়
  • জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সুইজারল্যান্ডের ইতিহাস
  • ফ্রান্স ও ইতালির ইতিহাস
  • রোমানিয়া
  • রোমানিয়ান ভাষা ও সাহিত্য
  • আলবেনিয়ান ভাষা ও সাহিত্য
  • পূর্ব, পূর্ব‌-মধ্য এবং দক্ষিণপূর্ব ইউরোপ (যেমনঃ রাশীয়া, বেলারুস, ইউক্রেন, মলডোভা, পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া, বুলগেরিয়া, স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, সারবিয়া, মন্টেনিগ্রো, ম্যাসিডোনিয়া, আলবেনিয়া, কসোভো)
  • আধুনিক গ্রীস
  • সঙ্গীত
  • তথ্যবিজ্ঞান, গ্রন্থ অধ্যয়ন ও গ্রন্থাগারবিজ্ঞান

সংগঠনসম্পাদনা

ডিরেক্টরেটসম্পাদনা

সদর দপ্তর, কর্পোরেট কাউসিলের দপ্তর, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং জনসম্পর্ক বিভাগ ডিরেক্টরেটের অংশ।

ডিরেক্টর জেনারেল:

  • ১৮৮২-১৯০৯ জর্জ ভন লবমেন
  • ১৯০৯-১৯২৯ হান্স ভন কারোলস্ফিল্ড
  • ১৯২৯-১৯৩৫ জর্জ রাইসমুলার
  • ১৯৩৫-১৯৪৫ রুডোলফ বাটমেন
  • ১৯৪৮-১৯৬৬ গুস্তাভ হফমেন
  • ১৯৬৭-১৯৭২ হান্স স্ট্রিডেল
  • ১৯৭২-১৯৯২ ফ্রাঞ্জ জর্জ কাল্টওয়াসার
  • ১৯৯২-২০০৪ হারমান লেসকিন
  • ২০০৪-২০১৪ রুলফ গ্রিবেল
  • ২০১৫- ক্লস সিনোয়া

প্রধান বিভাগসম্পাদনা

 
Leseraum in der BSB 01
 
Lesesaal in der BSB 02

কেন্দ্রীয় প্রশাসনসম্পাদনা

কেন্দ্রীয় প্রশাসন গ্রন্থাগারের সাধারণ প্রশাসনিক তদারকি করে থাকে। এই বিভাগ বাজেট, মানবসম্পদ, আভ্যন্তরীণ সেবার দায়িত্বে থাকে। এছাড়া এটি অন্যান্য ক্ষেত্রেও সেবা প্রদান করে।

সংগ্রহ ও শ্রেণীকরণ বিভাগসম্পাদনা

এই বিভাগ বিষয় অনুযায়ী শ্রেণীকরণ করে থাকে। মিউনিখ ডিজিটাইজেশন সেন্টার এই বিভাগের অংশ। গ্রন্থাগারে রক্ষিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ডিজিটাইজেশনের কাজ এই বিভাগ তদারকি করে।

ব্যবহারকারী সেবাসম্পাদনা

ব্যবহারকারী সেবা বিভাগ গ্রন্থাগারের সংগ্রহ ও সেবার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। পাঠকক্ষসহ নথিসংক্রান্ত কাজ এই বিভাগের অন্তর্গত।

পাণ্ডুলিপি ও পুরনো ছাপা বইসম্পাদনা

এই বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সংগ্রহের তদারকি করে থাকে।

বিশেষ বিভাগসম্পাদনা

মানচিত্র ও ছবির মহাফেজখানাসম্পাদনা

১৫০০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ছাপা বিভিন্ন মানচিত্র, কার্টো‌গ্রাফিক উপাদান এবং ছবি এই বিভাগে রয়েছে।

সঙ্গীত বিভাগসম্পাদনা

সঙ্গীত বিভাগটি পরিমাণ ও মানের দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান সঙ্গীত গ্রন্থাকার। এটি ১৬শ শতাব্দীতে শুরু হয়।

প্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়া বিভাগসম্পাদনা

প্রাচ্য সংগ্রহের মধ্যে আরবি, আর্মেনীয়, জর্জীয়, হিব্রু, ইড্ডিশ, মঙ্গোলীয়, ফার্সি, তিব্বতীয় ও ভারতীয় ভাষার প্রায় ২,৬০,০০০ সংগ্রহ রয়েছে। পূর্ব এশিয়া সংগ্রহে চীনা, জাপানি, কোরিয়ান, থাই ও ভিয়েতনামি ভাষার ৩,১০,০০০ সংগ্রহ রয়েছে।

পূর্ব ইউরোপ বিভাগসম্পাদনা

পূর্ব ইউরোপ বিভাগে এই অঞ্চলের প্রায় ১০ লক্ষ বই সংগ্রহে রয়েছে।

আঞ্চলিক পর্যায়ের কর্মসম্পাদনা

এই বিভাগটি আঞ্চলিক পর্যায়ের কিছু প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কাজ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে বাভারিয়ান স্কুল অব লিবারেল এন্ড ইনফরমেশন সায়েন্স।

রাষ্ট্রীয় বাভারিয়ান আঞ্চলিক গ্রন্থাগারসম্পাদনা

বাভারিয়ার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত আঞ্চলিক গ্রন্থাগারসমূহ বাভারিয়া একাডেমিক গ্রন্থাগার প্রক্রিয়ার অংশ। এসব গ্রন্থাকার বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগারের অংশ।

ক্ষতিপূরণসম্পাদনা

২০০৩ সাল থেকে অবৈধভাবে অর্জিত গ্রন্থাগারের উপকরণের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু হয়। এর মধ্যে অন্যতম হল ২০১৫ সালের এপ্রিলে পোল্যান্ডের প্লোক পন্টিফিকালের জন্য প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ।[৩] ১৯৪০ সালে নাৎসিরা এটি চুরি করে কনিন্সবার্গ‌ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসে। ১৯৭৩ সালে বাভারিয়া রাজ্য গ্রন্থাগার মিউনিখের একটি নিলাম থেকে এটি কিনে নেয়। বিগত বছরগুলিতে গ্রন্থাগার কর্তৃক ৫০০ বইকে অবৈধভাবে প্রাপ্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সে অনুযায়ী বেশ কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে থমাস মানের ৭৮টি ভলিউম ২০০৭ সালে জুরিখের থমাস মান মহাফেজখানায় ফেরত দেওয়া হয়।[৪]

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Song of the Nibelungs, a heroic poem from mediaeval Europe"। UNESCO Memory of the World Programme। ২০০৯-০৭-৩১। ১৪ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-১২-১৫ 
  2. "Illuminated manuscripts from the Ottonian period produced in the monastery of Reichenau (Lake Constance)"। UNESCO Memory of the World। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৯-২০ 
  3. ""Übergabe des Pontificale an polnische Kirche als Symbol der Verständigung und des Miteinanders" - Bayerns Wissenschaftsminister Spaenle übergibt das "Plocker Pontificale" aus dem 12. Jahrhundert in Warschau an den polnischen Bischof Libera"। Bayerisches Staatsministerium für Bildung und Kultus, Wissenschaft und Kunst। ২১ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 
  4. "NS-Raubgut an der BSB"Bayerische Landesbibliothek Online। Bayerische Staatsbibliothek। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫ 

আরো পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা