বাংলাদেশ টেলিভিশন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল

বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) বাংলাদেশের সরকারি টেলিভিশন সংস্থা। এটি ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে সম্প্রচার শুরু করে।[১] সে সময় এটি পাকিস্তান টেলিভিশন নামে পরিচিত ছিল। মুক্তিযুদ্ধের পর এর নাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম রাখা হয়। বাংলাদেশে টেলিভিশন বিশ্বের প্রথম বাংলা ভাষার টেলিভিশন সংস্থা, এবং বাংলাদেশের টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনের একমাত্র সংস্থা।[২] বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দপ্তর এবং প্রশাসনিক ভবন ঢাকার রামপুরায় স্থাপিত।

বাংলাদেশ টেলিভিশন
বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগো.svg
উদ্বোধন২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪
মালিকানাগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
দেশ বাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
প্রচারের স্থানএশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আংশিক আফ্রিকা
প্রধান কার্যালয়রামপুরা, ঢাকা
ভ্রাতৃপ্রতিম
চ্যানেল(সমূহ)
বিটিভি ওয়ার্ল্ড
বিটিভি চট্টগ্রাম
সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন
ওয়েবসাইটwww.btv.gov.bd
প্রাপ্তিস্থান
টেরেস্ট্রিয়াল
কৃত্রিম উপগ্রহ
আকাশ ডিটিএইচচ্যানেল ১১১
ক্যাবল
উপলভ্য অধিকাংশ তারের সিস্টেমস্থানীয় তালিকা পরীক্ষণ

১৯৯০ দশকের শেষ দিকের পর্যন্ত বাংলাদেশে টেলিভিশন ছিল বাংলাদেশের একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল, এবং এটি একটি প্রচুর জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল ছিল। বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের উত্থানের পর বিটিভির জনপ্রিয়তা ক্ষয় যায়, বেশিরভাগ এটিকে সরকারি প্রজ্ঞাপন ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করানোর কারণে।[৩]

বাংলাদেশ টেলিভিশন দুটি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র এবং ১৪টি রিলে কেন্দ্র চালায়। ২০০৪ সালে এটি স্যাটেলাইটে বিটিভি ওয়ার্ল্ড এর উদ্বোধন করে। এটি এশিয়া প্যাসিফিক ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন এবং এশিয়াভিশন এর একটি সদস্য, এবং ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্টিং ইউনিয়ন এর একটি সহযোগী সদস্য।[৪] বিটিভি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এশিয়া এবং ইউরোপ এবং আফ্রিকার কিছু অংশে দেখা যায়।

ইতিহাসসম্পাদনা

পাকিস্তান টেলিভিশনের যুগ (১৯৬৪-১৯৭১)সম্পাদনা

পাকিস্তান আমলে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের উদ্যোগে পাকিস্তানে টেলিভিশন আনা হয়। তিনি ২৭ নভেম্বর ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে প্রথম টেলিভিশন সেন্টারের উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় টেলিভিশন সেন্টারটি করা হয় বাংলাদেশে (তখন পূর্ব পাকিস্তান)। ঢাকায় ডি.আই.টি ভবনে (বর্তমান রাজউক ভবন) ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশনের ঢাকা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। টেলিভিশনে প্রথম প্রচারিত অনুষ্ঠানে প্রথম গান গেয়েছিলেন ফেরদৌসী রহমান, গানটি ছিল আবু হেনা মোস্তফা কামালের লেখা এই যে আকাশ নীল হল আজ / এ শুধু তোমার প্রেমে। টেলিভিশন কেন্দ্রের প্রথম প্রযোজক ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার, জামান আলী খান ও মনিরুল ইসলাম; পরবর্তীতে আসেন শহীদ কাদরী, আবদুল্লাহ আল মামুন, সৈয়দ আবদুল হাদী, দীন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ জাকারিয়া, আতিকুল হক চৌধুরী

আর অনুষ্ঠান বিভাগের প্রথম ব্যবস্থাপক ছিলেন কলিম শরাফী। সেসময় টেলিভিশনে প্রযুক্তির অভাবের কারণে সব অনুষ্ঠান লাইভ অর্থাৎ সরাসরি সম্প্রচার করা হতো এবং চ্যানেল ছিল একটি, চলতো সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত। টিভির সম্প্রচার সীমা ছিল ঢাকা শহরের চারপাশে দশ মাইল, তবে এর বাইরে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, ফরিদপুর থেকেও তা দেখা যেত। ঢাকা টেলিভিশনের স্থাপনা তৈরি, পুরোপুরি চালু করা ও কিছুদিন দেখাশোনা করার দায়িত্বে ছিল জাপানি টেলিভিশন কোম্পানি এনএইচকে

স্বাধীনতা এবং সরকারি একচেটিয়া (১৯৭১-১৯৯৭)সম্পাদনা

মুক্তিযুদ্ধের পর সংস্থাটির নাম দেয়া হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং এটির রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা হয়। ১৯৭৫ সালের ৬ মার্চ ডিআইটি ভবন থেকে টেলিভিশন কেন্দ্র রামপুরায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।[৫] এখন সেটি রামপুরা টেলিভিশন সেন্টার নামে পরিচিত। ১৯৮০ সাল থেকে রঙিন সম্প্রচার করা শুরু করে। ১৯৮৫ সালে সাতক্ষীরা উপকেন্দ্রের মাধ্যমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিটিভি দেখা যেত। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বরে বিটিভির প্রথম পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র চট্টগ্রামে উদ্বোধন হয়।

বিটিভির পতন এবং বেসরকারি টেলিভিশনের উত্থান (১৯৯৭-২০১৮)সম্পাদনা

১৯৯৭ সালে এটিএন বাংলার যাত্রা শুরু হওয়ার পর্যন্ত বিটিভিই ছিল বাংলাদেশের একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল। স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা বাড়ার কারণে জনপ্রিয়তা হেরেছে বিটিভি।

বিটিভির নবজাগরণ (২০১৮-বর্তমান)সম্পাদনা

২০১৮ সালে এটি জনপ্রিয়তা আবার ফিরে পায়। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বললেন দেশের ৮৩ শতাংশ বিটিভি দেখেছে ওই সালে।[৬] ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বরে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এটি ভারতের ডিডি ফ্রি ডিশে সম্প্রচার শুরু করেছে।[৭][৮] ২০২১ সাল পর্যন্ত বিটিভির চারটি চ্যানেল সম্প্রচারে আছে এবং আগামীতে আরো ৬টি চ্যানেল চালু হবে। ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর এটির এইচডি সম্প্রচার শুরু হয়।[৯]

কেন্দ্র সমূহসম্পাদনা

 
বাংলাদেশ টেলিভিশনের কেন্দ্রসমূহ

বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা মাত্র দুটি, যেগুলো ঢাকায় এবং চট্টগ্রামে। দেশজুড়ে বিটিভির চৌদ্দটি রিলে স্টেশনের মাধ্যমে টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশনে দেখা যায়। রিলে স্টেশনগুলো অথবা উপকেন্দ্রগুলো নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটিতে স্থাপিত।[৪] ২০২১ সালের মার্চে বিটিভির আরো ছয়টি কেন্দ্র স্থাপিত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রসম্পাদনা

  • বিটিভি ঢাকা - বাংলাদেশ টেলিভিশনের মূল কেন্দ্র, স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান টেলিভিশনের নামে। এটি 'বিটিভি' নামে পরিচিত। বিটিভি ঢাকার সম্প্রচার স্যাটেলাইটে বিটিভি ওয়ার্ল্ডৈর মাধ্যমে সারাদেশে রিলে করা হয়।
  • বিটিভি চট্টগ্রাম - বাংলাদেশ টেলিভিশনের দ্বিতীয় এবং একমাত্র আঞ্চলিক কেন্দ্র, স্থাপিত হয় ১৯৯৬ সালে। স্যাটেলাইটে যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে এবং ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বরে এটির ২৪ ঘন্টা সম্প্রচার উদ্বোধন করা হয়।

উপকেন্দ্রসম্পাদনা

শহর কেন্দ্র স্থাপিত নোটসমূহ
নাটোর বিটিভি নাটোর উপকেন্দ্র ১৯৭৪ প্রথমে ছিলো একটি আঞ্চলিক কেন্দ্র; পরে ঢাকা কেন্দ্রের রিলে বানানো হয়।
খুলনা বিটিভি নাটোর উপকেন্দ্র ১৯৭৭[১০] শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে
ময়মনসিংহ বিটিভি ময়মনসিংহ উপকেন্দ্র শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে
সিলেট বিটিভি সিলেট উপকেন্দ্র ১৯৯৫[১১] শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে
রংপুর বিটিভি রংপুর উপকেন্দ্র ১৯৭৮ শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে, জানুয়ারি ২০২১ তে ঘোষণা দেওয়া হয়।[১২]
নোয়াখালী বিটিভি নোয়াখালী উপকেন্দ্র
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিটিভি ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপকেন্দ্র
ঠাকুরগাঁও বিটিভি ঠাকুরগাঁও উপকেন্দ্র
রাজশাহী বিটিভি রাজশাহী উপকেন্দ্র ২০০১[১৩] শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হবে
ঝিনাইদহ বিটিভি ঝিনাইদহ উপকেন্দ্র
সাতক্ষীরা বিটিভি সাতক্ষীরা উপকেন্দ্র ১৯৮০ দশকের দিকে
পটুয়াখালী বিটিভি পটুয়াখালী উপকেন্দ্র
উখিয়া, কক্সবাজার বিটিভি উখিয়া উপকেন্দ্র ২০০৫[১৪]
রাঙামাটি বিটিভি রাঙ্গামাটি উপকেন্দ্র ২০০১[১৫]

জনপ্রিয় প্রোগ্রামসম্পাদনা

জনপ্রিয় অনুষ্ঠানসম্পাদনা

ফজলে লোহানীর উপস্থাপিত ম্যাগাজিন-জাতীয় অনুষ্ঠান। সেসময় করাচি টেলিভিশনে গর তু বুরা না মানে নামে একটি অনুষ্ঠান চলছিল, এই অনুষ্ঠানটি সেটির সাথে খানিকটা সাদৃশ্যপূর্ণ। কিছুদিন পর লোহানী লন্ডনে চলে যান এবং অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৯৮২ সালের দিকে দেশে ফিরে তিনি অনুষ্ঠানটি পাক্ষিকভাবে আবার শুরু করেন। এবার অনুষ্ঠানটিতে বিনোদনের অংশে মূল কাজ করেন হানিফ সংকেত, লোহানী থাকেন প্রতিবেদন অংশে। ১৯৮৫ সালে লোহানীর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।
  • হারজিত (১৯৭৩-৭৪)
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের নির্মিত ও উপস্থাপিত ধাঁধার অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটিতে দেখুনো বিভিন্নরকম ধাঁধার মধ্যে একটি ছিল "কবির লড়াই"। কবিতার মাধ্যমে আলাপ চালানোর এই লড়াইয়ে সেসময় অংশ নিয়েছিলেন রুদ্র মহম্মদ শহীদুল্লাহ, জাহিদ হায়দার, মুহম্মদ নূরুল হুদা প্রমুখ তরুণ কবিগণ।
  • সপ্তবর্ণা (১৯৭৫-৭৬)
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদেরই আরেকটি ধাঁধার অনুষ্ঠান। হারজিতের চেয়ে বড় পরিসরে এটি আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই সেসময় নবপরিচিত পপসংগীতকে (এখন ব্যান্ডগান) প্রথম জাতীয় কোনো গণমাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের গাননির্ভর ধাঁধাগুলোয় অংশ নেন পপশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, ফিরোজ সাঁই, ফকির আলমগীরপিলু মমতাজ। অনুষ্ঠানটির শেষ পর্বে পপশিল্পী আজম খানও উপস্থিত হন এবং তার নতুন গান আলাল ও দুলাল গেয়ে শোনান। অনুষ্ঠানটির জন্য সায়ীদ ১৯৭৭ সালে শ্রেষ্ঠ টিভি উপস্থাপকের পুরস্কার লাভ করেন।
  • আপনার ডাক্তার (১৯৭০ দশক)
খ্যাতিমান ডাক্তার একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি) চিকিৎসাবিষয়ক এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করতেন এবং এর জন্য ১৯৭৮ সালে শ্রেষ্ঠ টিভি উপস্থাপকের পুরস্কার লাভ করেন।
  • আনন্দমেলা (১৯৭৫-বর্তমান)
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই "ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান" নামক ধারাটি সৃষ্টি করেন। শুরুতে ১৯৭৫ সালে ঈদ উপলক্ষে এই বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়, প্রথম ৫ বছরে এর ১০টি পর্ব প্রচারিত হয়, যার আটটি সায়ীদ করেছিলেন; পরবর্তীতে অন্য অনেকে এটি উপস্থাপনা করে চলেছেন। বিটিভি এটিকে ঈদের মূল অনুষ্ঠান হিসেবেই প্রচার করে থাকে।
  • চতুরঙ্গ (১৯৭৮-৭৯)
আনন্দমেলার পর আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এই ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি শুরু করেন। নাচ, গান, নাটিকা, ধাঁধা সবকিছু মিলিয়ে নিজস্ব উপস্থাপনায় তিনি অনুষ্ঠানটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই জাদুকর জুয়েল আইচ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
  • ভরা নদীর বাঁকে (১৯৯০ দশক)
মোস্তফা জামান আব্বাসীর উপস্থাপিত গ্রামবাংলার লোকসংগীত বিষয়ক অনুষ্ঠান।
হানিফ সংকেতের নির্মিত ও উপস্থাপিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। এটি প্রথমে পাক্ষিক, পরে মাসিক এবং এখন ত্রৈমাসিকভাবে প্রচারিত হয়; তবে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ পর্বের আয়োজন করা হয়।
  • শুভেচ্ছা (১৯৯৭?)
আবদুন নূর তুষার এই বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি প্রচার করেন।
শাইখ সিরাজের উপস্থাপিত কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান।
সৈয়দ মুনির খসরুর পরিকল্পনা ও উপস্থাপনা এবং আবদুন নূর তুষারের পরিচালনায় দৈনন্দিন সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা, খানিকটা টকশোর মতো।
পুতুল দিয়ে তৈরি শিশুতোষমূলক অনুষ্ঠান।
মুস্তফা মনোয়ারের এই অনুষ্ঠানটি ছিল মূলত শিশুশিল্পীদের নিয়ে।
  • বিটিভি জাতীয় বিতর্ক
  • মাতৃভাষা

জনপ্রিয় নাটকসম্পাদনা

  • মুখরা রমণী বশীকরণ (১৯৬০ দশক)
উইলিয়াম শেক্সপিয়রের লেখা নাটক টেমিং অফ দ্য শ্রুর অনুবাদ করেন মুনীর চৌধুরী এবং মুস্তাফা মনোয়ার সেটি নিয়ে নাটক পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন। নাটকটিতে মূল অভিনেতা ও অভিনেত্রী ছিলেন গোলাম মুস্তফা ও আজমীরী জামান (রেশমা)।

আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান প্রচারসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  2. টেরেস্ট্রিয়াল সুবিধা একমাত্র বিটিভিরবিবিসি বাংলা। ২৭ এপ্রিল ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২২ 
  3. "The Daily Star Web Edition Vol. 5 Num 240"The Daily Star। ২০০৫-০১-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১২-২৪ 
  4. "এক নজরে"বাংলাদেশ টেলিভিশন। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  5. টেলিভিশন, বাংলাপিডিয়া
  6. জনপ্রিয়তা বেড়েছে বিটিভিরজাগো নিউজ ২৪। ২০১৮-০৬-২১। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-১১-১৬ 
  7. সোমবার থেকে ভারতে বিটিভির সম্প্রচার শুরুযুগান্তর। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২২ 
  8. Hossain, Imran (৪ জুলাই ২০১৯)। "Bangabandhu satellite to telecast BTV in India"ঢাকা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২২ 
  9. বিটিভির আরো ৬টি চ্যানেল চালু হচ্ছে, কালের কণ্ঠ, ২৬ ডিসেম্বর ২০২১
  10. সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও চার বছরে চালু হয়নি খুলনা বিটিভিদৈনিক সংগ্রাম। ২২ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  11. Babul, Faisal Ahmed (২৮ জানুয়ারি ২০১৭)। দীর্ঘ প্রতীক্ষায়ও স্থাপন হয়নি বিটিভির সিলেট কেন্দ্রসমকাল। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  12. ভ্যাকসিন আসা নিয়ে শঙ্কা নেই: তথ্যমন্ত্রীজাগো নিউজ ২৪। ৮ জানুয়ারি ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  13. বিটিভির স্টুডিও হচ্ছে রাজশাহীতেবাংলা নিউজ ২৪। ১৪ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  14. টেকনাফ ও উখিয়ায় দুই মাস ধরে বিটিভির অনুষ্টান দেখা যাচ্ছে নাজনকন্ঠ। ৮ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  15. পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রাঙ্গামাটি বিটিভি উপকেন্দ্র ভবনদৈনিক ইত্তেফাক। ২৯ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০২২ 

গ্রন্থপঞ্জীসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা