প্রধান মেনু খুলুন

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের কাহিনীকারদের জন্য সর্বাপেক্ষা সম্মানীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার; যা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের অংশ হিসাবে ১৯৭৮ সাল থেকে দেওয়া হয়। প্রথমবার এই পুরস্কার লাভ করেন কথাসাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ। এরপর ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৪ সালের চলচ্চিত্রের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয় নি। কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদসেলিনা হোসেন এবং কাজী হায়াৎতানভীর মোকাম্মেল দুই বার করে এই পুরস্কার লাভ করেন। কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, জহির রায়হান, ও আখতারুজ্জামান ইলিয়াস মরণোত্তর এই পুরস্কার লাভ করেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার পুরস্কার
পুরস্কার দেওয়া হয়বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে কাহিনী রচনায় অবদানের জন্য
অবস্থানঢাকা
দেশবাংলাদেশ
পুরস্কার দাতাবাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
প্রথম পুরস্কার প্রদান১৯৭৮
শেষ পুরস্কার প্রদান২০১৫
বর্তমানে যার দ্বারা গৃহীতমাসুম রেজা
(বাপজানের বায়স্কোপ)
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইটঅফিসিয়াল ওয়েবসাইট

বিজয়ী চলচ্চিত্রসম্পাদনা

১৯৭৭-১৯৮৯সম্পাদনা

বছর বিজয়ী কাহিনীকার চলচ্চিত্র তথ্যসূত্র
১৯৭৭ আলাউদ্দিন আল আজাদ বসুন্ধরা [১]
১৯৭৮ - ১৯৮৪ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি
১৯৮৫ শেখ নিয়ামত আলী দহন
১৯৮৬ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি
১৯৮৭ কাজী হায়াৎ দায়ী কে?
১৯৮৮ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি
১৯৮৯ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি

১৯৯০-এর দশকসম্পাদনা

বছর বিজয়ী কাহিনীকার চলচ্চিত্র তথ্যসূত্র
১৯৯০ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি [১]
১৯৯১ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন পদ্মা মেঘনা যমুনা
১৯৯২ হুমায়ূন আহমেদ শঙ্খনীল কারাগার
১৯৯৩ কাজী হায়াৎ চাঁদাবাজ
১৯৯৪ হুমায়ূন আহমেদ আগুনের পরশমণি
১৯৯৫ তানভীর মোকাম্মেল নদীর নাম মধুমতী
১৯৯৬ সেলিনা হোসেন পোকা মাকড়ের ঘর বসতি
১৯৯৭ সেলিনা হোসেন হাঙর নদী গ্রেনেড
১৯৯৮ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি
১৯৯৯ তানভীর মোকাম্মেল চিত্রা নদীর পারে

২০০০-এর দশকসম্পাদনা

বছর বিজয়ী কাহিনীকার চলচ্চিত্র তথ্যসূত্র
২০০০ সেলিম আল দীন কিত্তনখোলা
২০০১ সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ ^ লালসালু
২০০২ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি
২০০৩ গিয়াস উদ্দিন সেলিম আধিয়ার
২০০৪ আমজাদ হোসেন জয়যাত্রা [২]
২০০৫ জহির রায়হান হাজার বছর ধরে [২]
২০০৬ কাজী মোরশেদ ঘানি [২]
২০০৭ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়নি [২]
২০০৮ মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান মেঘের কোলে রোদ [৩]
২০০৯ সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড গঙ্গাযাত্রা [৪]

২০১০-এর দশকসম্পাদনা

বছর বিজয়ী কাহিনীকার চলচ্চিত্র তথ্যসূত্র
২০১০ জাকির হোসেন রাজু ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না [৫]
২০১১ মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমার বন্ধু রাশেদ [৬]
২০১২ শাহনেওয়াজ কাকলী উত্তরের সুর [৭]
২০১৩ গাজী রাকায়েত মৃত্তিকা মায়া [৮]
২০১৪ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস^ মেঘমল্লার [৯][১০]
২০১৫ মাসুম রেজা বাপজানের বায়স্কোপ [১১]
  • ^ মরণোত্তর পুরস্কার বিজয়ী

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নামের তালিকা (১৯৭৫-২০১২)"বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  2. "National Film Awards for the last fours years announced" [চার বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা]। দ্য ডেইলি স্টার। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  3. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৮ ঘোষণা"প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  4. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০০৯"বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর.কম। ঢাকা, বাংলাদেশ। ২৪ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  5. "সেরা ছবি গহীনে শব্দ, অভিনয়ে সাকিব-পূর্ণিমা"দৈনিক আজাদী। ২২ মার্চ ২০১২। ২০১৬-১১-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  6. "Guerrilla bags 10 National Film Awards"বিডিনিউজ। ১৭ মার্চ ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  7. "'উত্তরের সুর' পেল শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের সম্মান"বাংলাদেশ লাইভ নিউজ। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  8. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে 'মৃত্তিকা মায়া'র জয়জয়কার"বিডিনিউজ। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১০ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  9. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৪"বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৫ 
  10. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৪ ঘোষণা"দৈনিক জনকণ্ঠ। ঢাকা, বাংলাদেশ। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১৬ 
  11. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৫ ঘোষণা: 'বাপজানের বায়োস্কোপ'-এর জয়জয়কার"দৈনিক ইত্তেফাক। ঢাকা, বাংলাদেশ। ১৯ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা