বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগার

বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার

বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগার দেশের গ্রন্থাগার ব্যবস্থার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের সকল প্রকাশনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা এবং সেগুলির যথাযথ ব্যবস্থাপনা এবং গবেষক ও পাঠকদের কাছে সেগুলি প্রাপ্তিসাধ্য করে তোলা হচ্ছে এর কাজ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সর্ব-সাধারণে জন্য খোলা। এটি জাতীয় গ্রন্থাগার ভবনে অবস্থিত।

বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগার
প্রতিষ্ঠিত১৯৭৩ (৫১ বছর আগে) (1973)[১]
স্থপতিমাজহারুল ইসলাম উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
অবস্থানবিচারপতি এস.এম মোর্শেদ সরণি, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা
স্থানাঙ্ক২৩°৪৬′৩৩″ উত্তর ৯০°২২′২৬″ পূর্ব / ২৩.৭৭৫৯° উত্তর ৯০.৩৭৪০° পূর্ব / 23.7759; 90.3740
সংগ্রহ
আকার৫,০০,০০০ মোট বই
২,০০,০০০ প্রক্রিয়াভুক্ত বই
প্রবেশাধিকার ও ব্যবহার
সদস্য৮,২০০
অন্যান্য তথ্য
বাজেট১,৮২,০০,০০০ টাকা
পরিচালকওয়াদুদুল বারী চৌধুরী (১৯০০)ডা কে এম করিম (১৯৭২)
কর্মচারী৯৮
ওয়েবসাইটwww.nanl.gov.bd
মানচিত্র
মানচিত্র

ইতিহাস

সম্পাদনা

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর পাকিস্তান সরকার ১৯৬২ সালে করাচীতে পাকিস্তান জাতীয় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করে এবং ১৯৬৭ সালে ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রাদেশিক শাখা প্রতিষ্ঠা করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, একটি নতুন জাতির জন্য একটি জাতীয় গ্রন্থাগার অপরিহার্য হয়ে পড়ে। প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার ঢাকায় জাতীয় গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৭৪ সালের ৩ জানুয়ারি সরকার জাতীয় আরকাইভস ও জাতীয় গ্রন্থাগারের জন্য শেরেবাংলা নগরে ২ একর করে মোট ৪ একর জমি বরাদ্দ করে।[১] প্রথম পাঁচশালা পরিকল্পনার আওতায় জাতীয় আরকাইভস ও জাতীয় গ্রন্থাগারের স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের নিকট প্রকল্প প্রস্তাব দাখিল করা হয়। গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে পূর্বের ঢাকার প্রাদেশিক শাখাটি থেকে বই, জনশক্তি, সম্পদ এবং উপকরণ নিয়ে কাজ শুরু করা হয়। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ জাতীয় গ্রন্থাগার আগারগাঁওতে নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম শুরু করে।

জাতীয় আর্কাইভসহ জাতীয় গ্রন্থাগারকে আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের অধীনে দেয়া হয়। অধিদপ্তরটি পরিচালিত হয় সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

সরকার পাঁচ বছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৭৮ সালে গ্রন্থাগারে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণ লাগানো হয়। ২০০৮ সালে গ্রন্থাগারটি এক মাসের জন্য বিদ্যুৎ বিহীন ছিল কারণ ঢাকা ইলেকট্রিকাল সাপ্লাই কোম্পানি ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এটি ঠিক করতে অস্বীকার করেছিল। এছাড়া অনলাইন ক্যাটালগ না থাকার কারণে গ্রন্থাগারটি সমালোচিত হয়।

বর্তমানে জাতীয় গ্রন্থাগারের অধীনে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে ৭০টি সরকারী গ্রন্থাগার রয়েছে।

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  1. "আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার ইতিবৃত্ত"nanl.portal.gov.bd। আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর। ৩ এপ্রিল ২০১৯।