বাংলাদেশে হিন্দুধর্ম

বাংলাদেশের বৃহত্তম সংখ্যালঘুর ধর্ম

হিন্দুধর্ম হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রচলিত ধর্ম। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী ২০১৮ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১২.১ শতাংশ ছিল হিন্দু[২] জনসংখ্যার দিক থেকে, ভারতনেপালের পরেই বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হিন্দু জনবহুল দেশ । এছাড়াও বাংলাদেশে অবাঙালি হিন্দু চাকমা, মারমা, গারো , সাঁওতাল , হাজং , রাজবংশী এবং ত্রিপুরীরা রয়েছে ।[৩]

বাংলাদেশী হিন্দু
Om symbol.svg
মোট জনসংখ্যা
১২,৭৩০,৬৫১ (২০১১ আদমশুমারি)
(মোট জনসংখ্যার ৮.৫৪%)হ্রাস
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল
সারা বাংলাদেশে , প্রধানত খুলনা বিভাগ, রংপুর বিভাগ, সিলেট বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিভাগে
সিলেট বিভাগ1,581,820 (12.8%)
খুলনা বিভাগ2,419,010 (16.45%)
রংপুর বিভাগ1,874,904 (13.54%)
চট্টগ্রাম বিভাগ3,072,733 (12.65%)
ঢাকা বিভাগ2,721,416 (6.97%)
রাজশাহী বিভাগ1,081,584 (5.85%)
ধর্ম
হিন্দুধর্ম[১]
ভাষা
সংস্কৃত (পবিত্র)
বাংলা এবং অন্যান্য আদিবাসী ভাষা
বাংলাদেশে টেরাকোটার মন্দির স্থাপত্যের অনুপম নিদর্শন কান্তজীউ মন্দির

ইতিহাসসম্পাদনা

বাংলাদেশে এই ধর্মের প্রথা ও আচার-অনুষ্ঠান ঐতিহাসিকভাবে প্রতিবেশী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মতো। বস্তুত হিন্দুধর্মের বেশকিছু ধারা ও তত্ত্ব বিভিন্ন ঋষি ও মহাত্মা দ্বারা এই বাংলাদেশেই সৃষ্টি হয়েছে। বলা যায়, হিন্দুধর্ম এই মাটিরই সৃষ্টি, এখানকার আদিতম ধর্ম। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্বে বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ড (তৎকালীন নাম পূর্ববঙ্গ) ও পশ্চিমবঙ্গ সংযুক্ত অঞ্চল ছিল।

সংস্কৃতিসম্পাদনা

দূর্গাপূজা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হিন্দু উৎসব। এছাড়াও হিন্দু সমাজে রথযাত্রা, কালী পূজা, লক্ষ্মী পূজা, সরস্বতী পূজা, মনসা পূজা, চড়ক পূজা, শীতলা পূজা, জন্মাষ্টমী, কাত্যায়নী পূজা, বাসন্তী পূজা, শিবপূজা, থানপূজা প্রভৃতি ধর্মানুষ্ঠানের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশে এমন কয়েকজন মহাত্মা ও ধর্মগুরু জন্মেছেন, সনাতন ধর্মের নতুন তত্ত্ব প্রদান, সংস্কার ও প্রসারের ক্ষেত্রে যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। এঁদের মধ্যে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র, স্বামী নিগমানন্দ ,স্বামী প্রণবানন্দ, শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর, শ্রী শ্রী জগদ্বন্ধু সুন্দর, মা আনন্দময়ী, শ্রী শ্রী রাম ঠাকুর, শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী, শ্রী শ্রী বালক ব্রহ্মচারী, মহাত্মা শ্রী শ্রী গুরুনাথ, শ্রী শ্রী চিন্ময়, গণেশ পাগল প্রমুখ অন্যতম। চৈতন্যদেবের পিতৃভূমিও ছিল বাংলাদেশে। অনুসারীদের কাছে এঁরা সকলেই পূজিত।

জনসংখ্যাসম্পাদনা

১৯০১ থেকে ২০১১ পর্যন্তসম্পাদনা

বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের শতাংশ এবং জনসংখ্যা
বছর শতকরা (%) হিন্দু জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যা নোট
1901 33.00 9,546,240 28,927,626 বাংলা অঞ্চল
1911 31.50 9,939,825 31,555,363 দেশভাগের আগে
1921 30.60 10,176,030 33,254,607
1931 29.40 10,466,988 35,604,189
1941 28.00 11,759,160 41,999,221
1951 22.05 9,239,603 42,062,462 পাকিস্তান আমলে
1961 18.50 9,379,669 50,804,914
1974 13.50 9,673,048 71,478,543 বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর
1981 12.13 10,570,245 87,120,487
1991 10.51 11,178,866 106,315,583
2001 9.60 11,822,581 123,151,871
2011 8.54 12,730,651 149,772,364

সূত্র: ভারতের আদমশুমারি 1901-1941, পূর্ব পাকিস্তান 1951-1961 সালের আদমশুমারি, বাংলাদেশ সরকারের আদমশুমারি 1974-2011[৪][৫][৬]

বিভাগ অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যাসম্পাদনা

 
হিন্দু জনসংখ্যার শতকরা হার (%)
২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী হিন্দুদের শতাংশ অনুপাত[৭]
বিভাগ শতাংশ (%)
বরিশাল ৯.১৫
চট্টগ্রাম ৭.১১
ঢাকা ৬.৯২
খুলনা ১৩.৯১
রাজশাহী ৫.৮৮
রংপুর ১৩.২১
সিলেট ১৪.০৫
ময়মনসিংহ ৪.২২

জেলা অনুযায়ী হিন্দু জনসংখ্যাসম্পাদনা

ক্রম জেলার নাম (বিভাগ) মোট জনসংখ্যা ২০১১ (১৪৩৮২০১১২) হিন্দু জনসংখ্যা ২০১১ (১২৪৮৩৮২৯) শতকরা অনুপাত ২০১১ (৮.৬৮)
গোপালগঞ্জ (ঢাকা) ১১৭২৪১৫ ৩৫৩৭৯৪ ৩০.১৮
মৌলভীবাজার (সিলেট) ১৯১৯০৬২ ৪৭১৯৭৪ ২৪.৫৯
খুলনা (খুলনা) ২৩১৮৫২৭ ৫২৫৭২৭ ২২.৬৮
ঠাকুরগাঁও (রংপুর) ১৩৯০০৪২ ৩০৯৪২৩ ২২.২৬
দিনাজপুর (রংপুর) ২৯৯০২২৮ ৫৮৩৩৫৩ ১৯.৫১
নড়াইল (খুলনা) ৭২১৬৬৮ ১৩৪৫৯৪ ১৮.৬৫
বাগেরহাট (খুলনা) ১৪৭৬০৯০ ২৭০৮৭৪ ১৮.৩৫
মাগুরা (খুলনা) ৯১৮৪১৯ ১৬৪৫৭৮ ১৭.৯২
সাতক্ষীরা (খুলনা) ১৯৮৫৯৫৯ ৩৫১৫৫১ ১৭.৭০
১০ হবিগঞ্জ (সিলেট) ২০৮৯০০১ ৩৫২৪০৭ ১৬.৮৭
১১ খাগড়াছড়ি (চট্টগ্রাম) ৬১৩৯১৭ ১০৩১৯৫ ১৬.৮১
১২ পিরোজপুর (বরিশাল) ১১১৩২৫৭ ১৮৬৮৬৫ ১৬.৭৯
১৩ ঝিনাইদহ (খুলনা) ১৭৭১৩০৪ ২৯২৯৭৩ ১৬.৫৪
১৪ পঞ্চগড় (রংপুর) ৯৮৭৬৪৪ ১৬৩৪০৪ ১৬.৫৪
১৫ নীলফামারী (রংপুর) ১৮৩৪২৩১ ২৯৩৩৮৫ ১৫.৯৯
১৬ লালমনিরহাট (রংপুর) ১২৫৬০৯৯ ১৭৪৫৫৪ ১৩.৯০
১৭ সুনামগঞ্জ (সিলেট) ২৪৬৭৯৬৮ ৩১৯৩৭৬ ১২.৯৪
১৮ বরিশাল (বরিশাল) ২৩২৪৩১০ ২৭১৪০৬ ১১.৬৮
১৯ মাদারীপুর (ঢাকা) ১২১২১৯৮ ১৪১০৯৭ ১১.৬৪
২০ চট্টগ্রাম (চট্টগ্রাম) ৭৬১৬৩৫২ ৮৬১৪৯৪ ১১.৩১
২১ যশোর (খুলনা) ২৭৬৪৫৪৭ ৩১০১৮৪ ১১.২২
২২ নওগাঁ (রাজশাহী) ২৬০০১৫৭ ২৮৭৯১৯ ১১.০৭
২৩ রাজবাড়ী (ঢাকা) ১০৪৯৭৭৮ ১০৬৯৭৪ ১০.১৯
২৪ ঝালকাঠি (বরিশাল) ৬৮২৬৬৯ ৬৮৫৭২ ১০.০৪
২৫ ফরিদপুর (ঢাকা) ১৯১২৯৬৯ ১৮০৩৬৬ ৯.৪৩
২৬ মানিকগঞ্জ (ঢাকা) ১৩৯২৮৬৭ ১৩০০৯৫ ৯.৩৪
২৭ নেত্রকোণা (ময়মনসিংহ) ২২২৯৬৪২ ২০৭৪৩০ ৯.৩০
২৮ রংপুর (রংপুর) ২৮৮১০৮৭ ২৫৮৬৮৪ ৮.৯৮
২৯ জয়পুরহাট (রাজশাহী) ৯১৩৭৬৮ ৮০৬৯৬ ৮.৮৩
৩০ মুন্সীগঞ্জ (ঢাকা) ১৪৪৫৬৬০ ১১৪৬৫৫ ৭.৯৩
৩১ বরগুনা (বরিশাল) ৮৯২৭৮১ ৬৮৬৭৮ ৭.৬৯
৩২ ব্রাহ্মণবাড়িয়া (চট্টগ্রাম) ২৮৪০৪৯৮ ২১১৮৯৯ ৭.৪৬
৩৩ নরসিংদী (ঢাকা) ২২২৪৯৪৪ ১৬৫৭৬৯ ৭.৪৫
৩৪ সিলেট (সিলেট) ৩৪৩৪১৮৮ ২৪৮১৫৪ ৭.২৩
৩৫ গাইবান্ধা (রংপুর) ২৩৭৯২৫৫ ১৬৭৮৯৭ ৭.০৬
৩৬ পটুয়াখালী (বরিশাল) ১৫৩৫৮৫৪ ১০৫৪৯৬ ৬.৮৭
৩৭ টাঙ্গাইল (ঢাকা) ৩৬০৫০৮৩ ২৪৬২৩৭ ৬.৮৩
৩৮ চাঁদপুর (চট্টগ্রাম) ২৪১৬০১৮ ১৬২৩১৮ ৬.৭২
৩৯ কুড়িগ্রাম (রংপুর) ২০৬৯২৭৩ ১৩৫৪৮৪ ৬.৫৫
৪০ নাটোর (রাজশাহী) ১৭০৬৬৭৩ ১০৩৭৪৭ ৬.০৮
৪১ বগুড়া (রাজশাহী) ৩৪০০৮৭৪ ২০৫৩৩৩ ৬.০৪
৪২ ফেনী (চট্টগ্রাম) ১৪৩৭৩৭১ ৮৩৭৭৩ ৫.৮৩
৪৩ কিশোরগঞ্জ (ঢাকা) ২৯১১৯০৭ ১৫৮৫৩৮ ৫.৪৪
৪৪ গাজীপুর (ঢাকা) ৩৪০৩৯১২ ১৭৬৫৮২ ৫.১৯
৪৫ রাঙ্গামাটি (চট্টগ্রাম) ৫৯৫৯৭৯ ৩০২৪৪ ৫.০৮
৪৬ নারায়ণগঞ্জ (ঢাকা) ২৯৪৮২১৭ ১৪৪১০৫ ৪.৮৯
৪৭ কুমিল্লা (চট্টগ্রাম) ৫৩৮৭২৮৮ ২৫৮১০৫ ৪.৭৯
৪৮ সিরাজগঞ্জ (রাজশাহী) ৩০৯৭৪৮৯ ১৪৭৫১৪ ৪.৭৬
৪৯ রাজশাহী (রাজশাহী) ২৫৯৫১৯৭ ১২২৩৯৪ ৪.৭২
৫০ ঢাকা (ঢাকা) ১২০৪৩৯৭৭ ৫৬৬৩৬৮ ৪.৭০
৫১ নোয়াখালী (চট্টগ্রাম) ৩১০৮০৮৩ ১৪০৫৪১ ৪.৫২
৫২ কক্সবাজার (চট্টগ্রাম) ২২৮৯৯৯০ ৯৭৬৪৮ ৪.২৬
৫৩ চাঁপাইনবাবগঞ্জ (রাজশাহী) ১৬৪৭৫২১ ৬৬৬০২ ৪.০৪
৫৪ ময়মনসিংহ (ময়মনসিংহ) ৫১১০২৭২ ১৮৩০২৬ ৩.৫৮
৫৫ শরীয়তপুর (ঢাকা) ১১৫৫৮২৪ ৪১৩৩০ ৩.৫৮
৫৬ কুষ্টিয়া (খুলনা) ১৬৭৬৯০৬ ৫৯০২১ ৩.৫২
৫৭ ভোলা (বরিশাল) ১৭৭৬৭৯৫ ৬১১৬২ ৩.৪৪
৫৮ লক্ষ্মীপুর (চট্টগ্রাম) ১৭২৯১৮৮ ৫৯৪১৭ ৩.৪৪
৫৯ বান্দরবান (চট্টগ্রাম) ৩৮৮৩৩৫ ১৩১৩৭ ৩.৩৮
৬০ পাবনা (রাজশাহী) ২৫২৩১৭৯ ৭৩৪৮৭ ২.৯১
৬১ শেরপুর (ময়মনসিংহ) ১৩৫৮৩২৫ ৩৪৯৪৪ ২.৫৭
৬২ চুয়াডাঙা (খুলনা) ১১২৯০১৫ ২৬৫১৪ ২.৩৫
৬৩ জামালপুর (ময়মনসিংহ) ২২৯২৬৭৪ ৩৮৮৩২ ১.৬৯
৬৪ মেহেরপুর (খুলনা) ৬৫৫৩৯২ ৭৮৭০ ১.২০

হিন্দু মন্দিরসম্পাদনা

২০১১ সালের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ৪০৪৩৮টি হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা মন্দির রয়েছে । অর্থাৎ ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রতি ৩০৫ জন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি করে মন্দির রয়েছে । তবে পারিবারিক মন্দিরের সংখ্যা যুক্ত হলে মন্দিরের এই সংখ্যা লক্ষাধিক হবে।

সারা দেশে হিন্দু মন্দির এবং মন্দিরগুলিতে সরকারি অনুদান কমবেশি বিতরণ করা হয়। কান্তজি মন্দির, আঠারো শতকের একটি মন্দিরের একটি উদাহরণ। সুনামের দিক থেকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্দির হলো ঢাকেশ্বরী মন্দির, যেটি ঢাকায় অবস্থিত। এই মন্দিরে দুর্গা পূজা এবং কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী খুব সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়। ঢাকার অন্যান্য প্রধান মন্দির হল রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, জয় কালী মন্দির, লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির, স্বামীবাগ ইসকন মন্দির, রমনা কালীবাড়ি মন্দির, লোকনাথ মন্দির, হাতিরঝিল শ্রীচৈতন্য মন্দির, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, শনির আখড়া, ভোলানন্দগিরি আশ্রম ও মন্দির প্রভৃতি।.[৮]

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে নির্মিত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কাল ভৈরব মন্দির, দেশের বৃহত্তম দেবতা শিব রয়েছে। বাংলাদেশের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য হিন্দু মন্দির এবং আশ্রমগুলি হল চন্দ্রনাথ মন্দির, আদিনাথ মন্দির, আদিনাথ মন্দির, সুগন্ধা, যশোরেশ্বরী কালী মন্দির, পঞ্চ রত্ন গোবিন্দ মন্দির, ভবানীপুর শক্তিপিঠ, শ্যামনগর শক্তিপীঠ, চত্তেশ্বরী মন্দির, ধামরাই জগন্নাথ রথ, পুঠিয়া মন্দির কমপ্লেক্স, কান্তাজিউ মন্দির, কুমিল্লা জগন্নাথ মন্দির, কালিয়াজেউ মন্দির, শ্রীশাইল, বিশ্বনাথ মন্দির, বোরো কালী বাড়ি মন্দির, মুক্তাগাছ শিব মন্দির, শ্যামসুন্দর মন্দির, চন্দ্রাবতী মন্দির, লালমাই চণ্ডী মন্দির, জোড়বাংলা মন্দির, সোনারং যমজ মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, পাবনা , রাজা কংসনারায়ণের মন্দির, বরোদি লোকেনাথ আশ্রম, ওড়াকান্দি শ্রী হরিদাঁদ মন্দির, ফরিদপুরের শ্রী জগদ্বন্ধু সুন্দরের শ্রীঅঙ্গণ, শ্রী সত্যনারায়ণ সেবা মন্দির, ওয়াহেদপুর গিরি ধাম, চট্টগ্রামে রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, চৌমুহনীর রাম ঠাকুর আশ্রম, চট্টগ্রামের কৈবল্যধাম, পাবনার হিমায়েতপুর ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের সৎসঙ্গ মন্দির, খুলনার ধর্মসভা মন্দির, যশোরের প্রেমবাগ মন্দির, বগুড়ার শ্রী অরবিন্দ মন্দির, চুকনগরের (খুলনা) নিমতলা মন্দির, মাদারীপুরের প্রণব মঠ ইত্যাদি।

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির (ঢাকা)সম্পাদনা

ধারণা করা হয় যে, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিশিষ্ট বাংলাদেশী হিন্দুসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; L0rea নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. [১] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ জুলাই ২০১১ তারিখে BANBEIS - Bangladesh Bureau of Educational Information & Statistics
  3. Refugees, United Nations High Commissioner for। "Refworld – World Directory of Minorities and Indigenous Peoples – Bangladesh : Adivasis"Refworld 
  4. "Latest News @"। Newkerala.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১০-২৫ 
  5. "Bangladesh"। State.gov। ২৭ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১০-২৫ 
  6. "Bangladesh – Population Census 1991"catalog.ihsn.org 
  7. http://www.bbs.gov.bd
  8. Editor, Staff (২০১৯-০৯-১১)। "Top 10 Hindu Temple in Bangladesh (Oldest And Biggest)"Travel Mate (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৪-২২ 

বহিঃ সংযোগসম্পাদনা

  • "Bangladesh"CIA Factbook। ১৭ মে ২০২২। 
  • "Bangladesh Hindus 'will not go back'"BBC News। ২২ নভেম্বর ২০০১। 
  • "HAF Report Summary on Bangladeshi Hindus"HAF। ২০০৭-০৯-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  • "Bangladesh minority report"Amnesty International। ২০০৬-০৯-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।