প্রধান মেনু খুলুন

ফে ওকেল বেইন্টার (ইংরেজি: Fay Okell Bainter; ৭ ডিসেম্বর ১৮৯৩ - ১৬ এপ্রিল ১৯৬৮) ছিলেন একজন মার্কিন চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেত্রী। তিনি ৩৯টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন।[১] তিনি জেজেবেল (১৯৩৮) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি আরও দুটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেছিলেন। চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৬০ সালে হলিউড ওয়াক অব ফেমে তার নামাঙ্কিত তারকা খচিত হয়।[২]

ফে বেইন্টার
Fay Bainter in Jezebel trailer.jpg
জেজেবেল (১৯৩৮) চলচ্চিত্রে বেইন্টার
স্থানীয় নাম
Fay Bainter
জন্ম
ফে ওকেল বেইন্টার

(১৮৯৩-১২-০৭)৭ ডিসেম্বর ১৮৯৩
মৃত্যু১৬ এপ্রিল ১৯৬৮(1968-04-16) (বয়স ৭৪)
লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া
সমাধিআর্লিংটন জাতীয় সমাধি
পেশাঅভিনেত্রী
কার্যকাল১৯১০-১৯৬২
দাম্পত্য সঙ্গীরেজিনাল্ড ভেনেবল (বি. ১৯২১; মৃ. ১৯৬৪)

কর্মজীবনসম্পাদনা

মেট্রো-গোল্ডউইন-মেয়ার স্টুডিও তাকে চলচ্চিত্রে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে এবং ১৯৩৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দিস সাইড অব হেভেন দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। একই বছর তিনি ব্রডওয়ে মঞ্চে ডডসওয়ার্থ এবং ইট হ্যাপেন্ড ওয়ান ডে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বেইন্টার দ্রুত সফলতা অর্জন করেন এবং ১৯৩৮ সালে তিনি প্রথম অভিনয়শিল্পী হিসেবে একই বছর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীশ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগ একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি হোয়াইট ব্যানারস (১৯৩৮) ছবিতে ক্লদ রেইন্সের চরিত্রের গৃহপরিচারিকা ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং জেজেবেল (১৯৩৮) চলচ্চিত্রে আন্ট বেল চরিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন।[১] এরপর মাত্র নয়জন অভিনয়শিল্পী এক বছরে দুটি মনোনয়ন লাভ করেছেন। ১৯৪০ সালে তিনি টর্নটন ওয়াইল্ডারের নাটক অবলম্বনে নির্মিত আওয়ার টাউন চলচ্চিত্রে মিসেস গিবস চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৪৫ সালে তিনি রজার্স ও হ্যামারস্টেইনের সঙ্গীতনাট্য স্টেট ফেয়ার-এ মেলিসা ফ্রেক চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ১৯৬১ সালে দ্য চিলড্রেন্‌স আওয়ার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী অপর একটি একাডেমি পুরস্কার এবং একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।[১] তাকে সর্বশেষ ১৯৬২ সালে দ্য ডোনা রিড শো অনুষ্ঠানে দেখা যায়।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

বেইন্টার ১৯২১ সালে ৮ই জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ কর্মকর্তা রেজিনাল্ড ভেনেবলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।[৩] তাদের একমাত্র পুত্র রেজিনাল্ড ভেনেবল জুনিয়র (১৯২৬-১৯৭৪) অভিনেতা ছিলেন। বেইন্টার ১৯৬৮ সালের ১৬ই এপ্রিল লস অ্যাঞ্জেলেসে মৃতুবরণ করেন। তাকে তার স্বামীর ভেনেবলের পাশে আর্লিংটন জাতীয় সমাধিতে সমাহিত করা হয়।[৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Fay Bainter"দ্য মন্ট্রিঅল গেজেট। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। ১৮ এপ্রিল ১৯৬৮। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ – গুগল নিউজ-এর মাধ্যমে। 
  2. থ্যাকারি জুনিয়র, টেড (১৭ এপ্রিল ১৯৬৮)। "Fay Bainter"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  3. "Marriage Of Star Is Declared – Wedding of Fay Bainter and Navy Man Revealed by Mother of Actress"। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ নভেম্বর ১৯২১। 
  4. "Fay Okell Bainter - Navy Spouse & Actress"আর্লিংটন সমাধি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা