প্রধান মেনু খুলুন

ফজলে রাব্বী মিয়া

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য
(ফজলে রাব্বি মিয়া থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ফজলে রাব্বী মিয়া (১৫ এপ্রিল ১৯৪৬) বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং গাইবান্ধা-৫(সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য।[৩] তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার
এ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী
গাইবান্ধা-৫ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা)[১]
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১
প্রধানমন্ত্রীবেগম খালেদা জিয়া
গাইবান্ধা-৫ (জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা)[২]
কাজের মেয়াদ
জানুয়ারি ২০১৪ – চলমান
প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার
কাজের মেয়াদ
২৪ জানুয়ারি ২০১৪ – চলমান
প্রধানমন্ত্রীশেখ হাসিনা
পূর্বসূরীশওকত আলী
উত্তরসূরীচলমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1946-04-15) এপ্রিল ১৫, ১৯৪৬ (বয়স ৭৩)
গাইবান্ধা জেলা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে- বাংলাদেশ)
রাজনৈতিক দলজাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
শিক্ষাএলএলবি
পেশাআইনজীবী
জীবিকারাজনীতিবিদ

জন্ম ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।[৪] ১৯৬১ সালে তিনি গাইবান্ধা কলেজে ভর্তি হন। তিনি বিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

পেশায় আইনজীবী ফজলে রাব্বী মিয়া রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি একজন আইনজীবী।[৫] ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সদস্য হন।

রাজনৈতিক জীবনসম্পাদনা

১৯৫৮ সালে রাজনীতিতে আসেন ফজলে রাব্বী মিয়া। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীতে পড়তেন। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান পাকিস্তানে মার্শাল ল’ চালু করেছিলেন। সে সময় ফজলে রাব্বীর চাচা উক্ত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচার মাধ্যমে তিনি মার্শাল ল' বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন। এভাবেই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন করেছিলেন।[৫]

মুক্তিযুদ্ধে যোগদানসম্পাদনা

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

সংসদ নির্বাচনসম্পাদনা

ফজলে রাব্বী মিয়া সর্বমোট ৬ বার বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৭ম, ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। দশম সংসদে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[৪][৬]

পরিবারসম্পাদনা

ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রীর নাম আনোয়ারা রাব্বী। ফাহিমা, ফারহানা ও ফারজানা নামে এই দম্পতির তিন জন কন্যা সন্তান আছে।

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "List of 5th Parliament Members"parliament.gov.bd। Bangladesh Parliament। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. ফজলে রাব্বী মিয়া, গাইবান্ধা-৫। "Constituency 01_10th_En"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৩ 
  3. BanglaNews24.com। "গাইবান্ধায় ভালো অবস্থানে ডেপুটি স্পিকার, তবে!"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৪ 
  4. ইসলাম মিঠু, আমিনুল (২০ জুন ২০১৫)। "আমার কোনো ব্যর্থতা নেই, ডেপুটি স্পিকার আমার অর্জন: মো. ফজলে রাব্বি মিয়া"প্রিয়.কম। ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ 
  5. "আমার কোনো ব্যর্থতা নেই, ডেপুটি স্পিকার আমার অর্জন: মো. ফজলে রাব্বি মিয়া"প্রিয়.কম। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৪ 
  6. Ittefaq, The Daily। "শিরীন শারমিন স্পিকার ও ফজলে রাব্বি ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত :: দৈনিক ইত্তেফাক"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৪