ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম

বাংলাদেশের ৪র্থ প্রধান বিচারপতি

বিচারপতি ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম (১ ডিসেম্বর ১৯২৪ - ১ ফেব্রুয়ারি ২০০১) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ এবং ৪র্থ প্রধান বিচারপতি[১] তিনি সংক্ষেপে এফ. কে. এম. এ. মুনিম নামেই অধিক পরিচিত ছিলেন।[২]

মাননীয় প্রধান বিচারপতি

ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম
(এফ. কে. এম. এ. মুনিম)
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
কাজের মেয়াদ
১২ এপ্রিল ১৯৮২ – ৩০ নভেম্বর ১৯৮৯
পূর্বসূরীবিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেন
উত্তরসূরীবিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১ ডিসেম্বর ১৯২৪
ঢাকা, ব্রিটিশ রাজ
মৃত্যু১ ফেব্রুয়ারি ২০০১
ঢাকা, বাংলাদেশ
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
বাসস্থানঢাকা
প্রাক্তন শিক্ষার্থীলন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়
লিংকনস্‌-ইন
পেশাআইন
জীবিকাআইনবিদ
ধর্মইসলাম

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতিসম্পাদনা

এফ. কে. এম. এ. মুনিমের জন্ম ১৯২৪ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে ব্রিটিশ রাজের নিয়ন্ত্রণাধীন ঢাকা জেলায়[১]

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

তিনি ১৯৫৮ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.এম. এবং ১৯৬০ সালে আইন শাস্ত্রে পিএইচ.ডি. ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি লিংকনস্‌-ইন থেকে ১৯৫৯ সালে বার আ্যট ল' ডিগ্রি লাভ করেন।[১]

কর্মজীবনসম্পাদনা

বিচারপতি মুনিম ১৯৫১ সালে ঢাকা হাইকোর্টে আইন ব্যবসায় শুরু করেন; তবে কিছুদিন পরই উচ্চ শিক্ষার্থে যুক্তরাজ্যে গমন করেন।[১]

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিচারপতি মুনিম হাইকোর্টে বিচারক হিসাবে নিয়োগ পান। সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহ (ট্রাইব্যুনালস) আইন-১৯৭৩ পাস হয়, যা প্রণয়নের জন্য ১৯৭২ সালে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একটি সেল গঠন করেন যার অন্যতম সদস্য ছিলেন বিচারপতি এফ. কে. এম. এ. মুনিম।[২][৩]

১৯৮২ সালের ১১ এপ্রিল তারিখে বিচারপতি কামালউদ্দিন হোসেনের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের ৫ম প্রধান বিচারপতি হিসাবে ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিমকে নিয়োগ প্রদান করলে তিনি ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল তারিখে প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন ও ১৯৮৯ সালের ৩০ নভেম্বর তারিখে ঐ পদ হতে অবসর গ্রহণ করেন।[১]

বিচারপতি এফ. কে. এম. এ. মুনিম ছিলেন বাংলাদেশ আইন কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান।[৪][৫] তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ আগস্ট চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হন; তবে ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেন।[১]

রচনাবলীসম্পাদনা

তিনি দুটি গ্রন্থ রচনা করেন:[১]

  • Rights of Citizens under the Constitution and Law - (১৯৭৫)
  • Legal Aspects of Martial Law - (১৯৮৯)

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহি:সংযোগসম্পাদনা